তাসনিফ আবীদ

সুরা মুহাম্মদ। পবিত্র কোরআনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুরা এটি, যা মহানবী (সা.)-এর নামে নামকরণ করা হয়েছে। এই সুরাটি মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং এতে যুদ্ধ ও মুমিনের জীবনের জন্য অপরিহার্য কিছু মৌলিক নির্দেশনা রয়েছে। এর জন্য সুরাটির অপর নাম ‘কিতাল’। এ সুরার মূল বার্তাগুলো হলো:
এক. ইমান ও সত্যের অনুসরণ: সুরা মুহাম্মদের শুরুতেই ইমানের গুরুত্ব এবং কুফরির ক্ষতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। এটি মুমিনকে সত্যের পথে অবিচল থাকতে উৎসাহিত করে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা ইমান আনে, সৎকাজ করে এবং মুহাম্মদের প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তাতে বিশ্বাস করে...তিনি তাদের মন্দ কাজগুলো দূর করে দেন।’ (আয়াত: ১-২)
দুই. আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা: মুমিনের কর্তব্য হলো দ্বীনের পথে চলতে ও দ্বীন প্রতিষ্ঠিত করতে আল্লাহর সাহায্য চাওয়া। আল্লাহ তাআলা ওয়াদা করেছেন, ‘হে মুমিনেরা, যদি তোমরা আল্লাহকে সাহায্য করো—আল্লাহ তোমাদের সাহায্য করবেন এবং তোমাদের অবস্থান দৃঢ় করবেন।’ (আয়াত: ৭)
তিন. কোরআন নিয়ে গবেষণা: আল্লাহ তাআলা মানুষকে কোরআন নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা-গবেষণা করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি প্রশ্ন করেন, ‘তবে কি তারা কোরআন নিয়ে গভীর মনোযোগসহ চিন্তা করে না? নাকি তাদের অন্তর তালাবদ্ধ?’ (আয়াত: ২৪)
চার. আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা: ক্ষমতা ও পার্থিব মোহের কারণে আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করাকে কঠোরভাবে নিন্দা করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘তাহলে ক্ষমতা পেলে সম্ভবত তোমরা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করবে এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করবে! আল্লাহ এদের লানত করেন আর করেন বধির ও দৃষ্টিহীন।’ (সুরা মুহাম্মদ: ২২-২৩)
পাঁচ. অন্তরের বিদ্বেষ ও পরিণতি: সুরাটি সতর্ক করে যে অন্তরের লুকানো বিদ্বেষ আল্লাহ অবশ্যই প্রকাশ করে দেন। এ ছাড়া, যারা অবিশ্বাস নিয়ে মারা যায়, তাদের জন্য কোনো ক্ষমা নেই।
এই সুরা মুমিনদের জীবনকে সঠিক পথে চালিত করার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী প্রাপ্তি নয়, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টি ও পরকালীন মুক্তিই আমাদের জীবনের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।

সুরা মুহাম্মদ। পবিত্র কোরআনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুরা এটি, যা মহানবী (সা.)-এর নামে নামকরণ করা হয়েছে। এই সুরাটি মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং এতে যুদ্ধ ও মুমিনের জীবনের জন্য অপরিহার্য কিছু মৌলিক নির্দেশনা রয়েছে। এর জন্য সুরাটির অপর নাম ‘কিতাল’। এ সুরার মূল বার্তাগুলো হলো:
এক. ইমান ও সত্যের অনুসরণ: সুরা মুহাম্মদের শুরুতেই ইমানের গুরুত্ব এবং কুফরির ক্ষতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। এটি মুমিনকে সত্যের পথে অবিচল থাকতে উৎসাহিত করে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা ইমান আনে, সৎকাজ করে এবং মুহাম্মদের প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তাতে বিশ্বাস করে...তিনি তাদের মন্দ কাজগুলো দূর করে দেন।’ (আয়াত: ১-২)
দুই. আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা: মুমিনের কর্তব্য হলো দ্বীনের পথে চলতে ও দ্বীন প্রতিষ্ঠিত করতে আল্লাহর সাহায্য চাওয়া। আল্লাহ তাআলা ওয়াদা করেছেন, ‘হে মুমিনেরা, যদি তোমরা আল্লাহকে সাহায্য করো—আল্লাহ তোমাদের সাহায্য করবেন এবং তোমাদের অবস্থান দৃঢ় করবেন।’ (আয়াত: ৭)
তিন. কোরআন নিয়ে গবেষণা: আল্লাহ তাআলা মানুষকে কোরআন নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা-গবেষণা করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি প্রশ্ন করেন, ‘তবে কি তারা কোরআন নিয়ে গভীর মনোযোগসহ চিন্তা করে না? নাকি তাদের অন্তর তালাবদ্ধ?’ (আয়াত: ২৪)
চার. আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা: ক্ষমতা ও পার্থিব মোহের কারণে আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করাকে কঠোরভাবে নিন্দা করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘তাহলে ক্ষমতা পেলে সম্ভবত তোমরা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করবে এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করবে! আল্লাহ এদের লানত করেন আর করেন বধির ও দৃষ্টিহীন।’ (সুরা মুহাম্মদ: ২২-২৩)
পাঁচ. অন্তরের বিদ্বেষ ও পরিণতি: সুরাটি সতর্ক করে যে অন্তরের লুকানো বিদ্বেষ আল্লাহ অবশ্যই প্রকাশ করে দেন। এ ছাড়া, যারা অবিশ্বাস নিয়ে মারা যায়, তাদের জন্য কোনো ক্ষমা নেই।
এই সুরা মুমিনদের জীবনকে সঠিক পথে চালিত করার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী প্রাপ্তি নয়, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টি ও পরকালীন মুক্তিই আমাদের জীবনের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।

নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
১ ঘণ্টা আগে
আয়াতুল কুরসি পবিত্র কোরআনের সুরা বাকারার ২৫৫তম আয়াত। এই আয়াতে মহাবিশ্বের ওপর আল্লাহর পূর্ণ ক্ষমতা ঘোষণা করা হয়েছে। এই আয়াত পাঠ করলে অসংখ্য ফজিলত ও সওয়াব লাভ হয়। এ ছাড়া দুষ্ট জিন, জাদুর আছর দূর করতেও এই আয়াতটি ব্যবহৃত হয়।
১৯ ঘণ্টা আগে
নামাজ আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি যেমন আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে, তেমনই আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
১ দিন আগে
শবে মিরাজ রজব মাসের ২৭ তারিখে। ইসলামের ইতিহাসে মিরাজ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মহানবী (সা.)-এর নবুওয়াত-জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুজিজা বা অলৌকিক ঘটনা হলো মিরাজ। তবে শবে মিরাজকে কেন্দ্র করে সমাজে এমন কিছু প্রথা ও ইবাদতের প্রচলন ঘটেছে, যার কোনো ভিত্তি কোরআন ও হাদিসে নেই।
১ দিন আগে