
বিপদকে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক সুদৃঢ় করার অবলম্বন হিসেবে নেওয়াই প্রকৃত মুমিনের বৈশিষ্ট্য। কঠিন ও সংকটের মুহূর্তে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধারের জন্য এবং নিজের মনকে শান্ত রাখতে আল্লাহর রাসুল (সা.) কিছু বিশেষ দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন।
১. তীব্র পেরেশানি ও বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার দোয়া
তীব্র পেরেশানি ও বিপদের সময় আল্লাহর রাসুল (সা.) এই দোয়া বেশি বেশি পাঠ করতেন। এতে আল্লাহর সুমহান ক্ষমতা ও শ্রেষ্ঠত্বের ঘোষণা রয়েছে:
لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ الْعَظِيمُ الْحَلِيمُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ رَبُّ السَّمَوَاتِ، وَرَبُّ الْأَرْضِ، وَرَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ
উচ্চারণ: লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হুল আযীমুল হালীম, লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু রাব্বুল আরশিল আযীম, লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু রাব্বুস সামাওয়াতি ওয়া রাব্বুল আরদ্বি ওয়া রাব্বুল আরশিল কারীম।
অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য মাবুদ নেই; যিনি সুমহান, সহিষ্ণু। আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই; যিনি সুবৃহৎ আরশের প্রতিপালক। আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য আরাধ্য নেই; যিনি আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী ও সম্মানিত আরশের অধিপতি। (সহিহ্ বুখারি: ১৫৪)
নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলার মতো কঠিন পরিস্থিতিতে আল্লাহর রহমত ও জীবনের সব ক্ষেত্র সংশোধনের জন্য এই দোয়া অত্যন্ত কার্যকর:
اللَّهُمَّ رَحْمَتَكَ أَرْجُو فَلَا تَكِلْنِي إِلَى نَفْسِي طَرْفَةَ عَيْنٍ، وَأَصْلِحْ لِي شَأْنِي كُلَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ
উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা রাহমাতাকা আরজু ফালা তাকিলনী ইলা নাফসী ত্বরফাতা আইন, ওয়া আসলিহ লী শা’নী কুল্লাহ, লা ইলা-হা ইল্লা আন্ত।
অর্থ: হে আল্লাহ, তোমার রহমতেরই আশা রাখি। অতএব, তুমি আমাকে পলকের জন্যও আমার নিজের ওপর সোপর্দ করে দিয়ো না এবং আমার সব অবস্থাকে সংশোধিত করে দাও। তুমি ছাড়া কেউ সত্য মাবুদ নেই।
হজরত ইউনুস (আ.) যখন মাছের পেটে অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দী ছিলেন, তখন এই দোয়ার মাধ্যমেই অলৌকিকভাবে মুক্তি পেয়েছিলেন। যেকোনো বড় বিপদ থেকে উদ্ধারে এই দোয়ার কার্যকারিতা অপরিসীম:
لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ
উচ্চারণ: লা-ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নি কুন্তু মিনাজ্জালিমীন।
অর্থ: তুমি ছাড়া কেউ সত্য উপাস্য নেই, তুমি পবিত্র, নিশ্চয়ই আমি সীমাবদ্ধতা বা সীমালঙ্ঘনকারী (অপরাধী)। (জামে তিরমিজি: ১৬৮)
সব ধরনের মানসিক অস্থিরতা দূর করে আল্লাহর নিরঙ্কুশ ক্ষমতার প্রতি পূর্ণ ভরসা স্থাপনের জন্য এই সংক্ষিপ্ত অথচ অর্থবহ দোয়াটি পাঠ করা উচিত:
اللهُ اللهُ رَبِّي لَا أُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا
উচ্চারণ: আল্লা-হু আল্লা-হু রাব্বী লা উশরিকু বিহী শাইআ।
অর্থ: আল্লাহ, আল্লাহ আমার প্রভু, তাঁর সঙ্গে আমি কোনো কিছুকে শরিক করি না। (সহিহ্ ইবনে মাজাহ: ৩৩৫)

মানবজীবনে জীবনসঙ্গীর প্রভাব অপরিসীম। একজন ভালো সঙ্গী মানুষকে আলোর পথে চালিত করে, আর মন্দ সঙ্গী জীবনকে বিপথগামী করে তোলে। সারা দিনের ক্লান্তি শেষে ঘরে ফিরে সঙ্গীর একটু সহমর্মিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ দেহ-মনকে প্রফুল্ল করে তোলে, মানুষকে নতুন উদ্যমে বাঁচার প্রেরণা জোগায়।
৩ ঘণ্টা আগে
মহানবী মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাচনশৈলীর অধিকারী। তাঁর কথা বলার ধরন ও শব্দ চয়ন ছিল এতটাই মনোমুগ্ধকর, যা শ্রোতার হৃদয়ে সরাসরি রেখাপাত করত। তাঁর সুমিষ্ট বাণী মানুষকে সত্যের পথে আকর্ষিত করত।
১১ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৫ ঘণ্টা আগে
আমরা আখিরাতের অনন্ত জীবনের যাত্রী। এই ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার প্রতিটি কর্মকাণ্ডের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ পাবে পরকালে—যার শেষ পরিণতি হয় চিরসুখের জান্নাত, না হয় ভয়াবহ জাহান্নাম। আজকাল আমরা অঢেল ধনসম্পদ, বিলাসবহুল বাড়ি-গাড়ি কিংবা সমাজের উঁচু পদমর্যাদাকেই ‘সফলতা’ বলে ধরে নিয়েছি।
১ দিন আগে