আজকের পত্রিকা ডেস্ক

গতকাল মঙ্গলবার নিউইয়র্কের ব্যস্ত আকাশসীমা দিয়ে লন্ডনে যাওয়ার পথে অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর বোয়িং-৭৪৭ জাম্বো জেট এয়ারফোর্স ওয়ান স্পিরিট এয়ারলাইনসের একটি যাত্রীবাহী বিমানের খুব কাছাকাছি চলে এসেছিল। একটু অসতর্কতায় ঘটে যেতে পারত ভয়াবহ দুর্ঘটনা।
ফোর্ট লডারডেল থেকে বোস্টনগামী স্পিরিট ফ্লাইট-১৩০০ ও এয়ারফোর্স ওয়ান যখন লং আইল্যান্ডের ওপর দিয়ে যাচ্ছিল, তখন একজন এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার লক্ষ করেন, দুটি বিমানের উচ্চতা ও উড্ডয়নের পথ প্রায় একই রকম। তিনি সঙ্গে সঙ্গে স্পিরিট বিমানের পাইলটদের গতিপথ পরিবর্তনের জন্য সতর্ক করেন।
যদিও বিমান দুটি কয়েক মাইল দূরে ছিল এবং কোনো নিরাপত্তাসীমা অতিক্রম করেনি, তবু ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক নজর কেড়েছে। কারণ, একদিকে ছিল প্রেসিডেন্টের বিখ্যাত বিমান, অন্যদিকে ছিল নিউইয়র্কভিত্তিক কন্ট্রোলারের ক্রমাগত ক্ষুব্ধ রেডিও নির্দেশ।
ব্লুমবার্গ নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাটি প্রথম ব্লুস্কাই অ্যাপের ‘@JonNYC’ অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছিল এবং অডিওটি এক্সে ‘@thenewarea 51’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে শেয়ার করা হয়। যদিও ব্লুমবার্গ নিউজ মূল এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে অডিওটি যাচাই করতে পারেনি।

এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার যখন তাঁর প্রাথমিক বার্তার কোনো সাড়া পেলেন না, তখন তিনি বারবার বলতে থাকেন—স্পিরিট-১৩০০ মনোযোগ দিন, ডান দিকে ২০ ডিগ্রি ঘুরুন। এরপর কন্ট্রোলার আরও উচ্চ স্বরে আদেশ দেন—স্পিরিট-১৩০০, এখনই ডান দিকে ২০ ডিগ্রি ঘুরুন।
শেষবারের মতো তিনি চিৎকার করে বলেন—স্পিরিট উইংস-১৩০০, ডান দিকে ২০ ডিগ্রি ঘুরুন। দ্রুত।
অবশেষে স্পিরিটের পাইলটরা গতিপথ পরিবর্তনের নির্দেশটি গ্রহণ করেন। তখন কন্ট্রোলার বলেন, ‘স্পিরিট-১৩০০, আপনার বাম উইং থেকে ৬ বা ৮ মাইল দূরে একটি ট্রাফিক রয়েছে। এটি একটি বোয়িং-৭৪৭। আমি নিশ্চিত, আপনি দেখতে পাচ্ছেন, এটি কার এবং এতে কে আছেন।’
তারপর নিউইয়র্কের ওই কন্ট্রোলার স্পিরিট ক্রুদের উদ্দেশে শেষবারের মতো সতর্ক করে বলেন, ‘মনোযোগ দিন! আইপ্যাড বন্ধ করুন!’
প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গতকাল স্থানীয় সময় রাতে লন্ডনে পৌঁছান। এই রাষ্ট্রীয় সফরে উইন্ডসর ক্যাসেলে রাজা চার্লসের সঙ্গে তাঁর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার নিউইয়র্কের ব্যস্ত আকাশসীমা দিয়ে লন্ডনে যাওয়ার পথে অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর বোয়িং-৭৪৭ জাম্বো জেট এয়ারফোর্স ওয়ান স্পিরিট এয়ারলাইনসের একটি যাত্রীবাহী বিমানের খুব কাছাকাছি চলে এসেছিল। একটু অসতর্কতায় ঘটে যেতে পারত ভয়াবহ দুর্ঘটনা।
ফোর্ট লডারডেল থেকে বোস্টনগামী স্পিরিট ফ্লাইট-১৩০০ ও এয়ারফোর্স ওয়ান যখন লং আইল্যান্ডের ওপর দিয়ে যাচ্ছিল, তখন একজন এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার লক্ষ করেন, দুটি বিমানের উচ্চতা ও উড্ডয়নের পথ প্রায় একই রকম। তিনি সঙ্গে সঙ্গে স্পিরিট বিমানের পাইলটদের গতিপথ পরিবর্তনের জন্য সতর্ক করেন।
যদিও বিমান দুটি কয়েক মাইল দূরে ছিল এবং কোনো নিরাপত্তাসীমা অতিক্রম করেনি, তবু ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক নজর কেড়েছে। কারণ, একদিকে ছিল প্রেসিডেন্টের বিখ্যাত বিমান, অন্যদিকে ছিল নিউইয়র্কভিত্তিক কন্ট্রোলারের ক্রমাগত ক্ষুব্ধ রেডিও নির্দেশ।
ব্লুমবার্গ নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাটি প্রথম ব্লুস্কাই অ্যাপের ‘@JonNYC’ অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছিল এবং অডিওটি এক্সে ‘@thenewarea 51’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে শেয়ার করা হয়। যদিও ব্লুমবার্গ নিউজ মূল এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে অডিওটি যাচাই করতে পারেনি।

এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার যখন তাঁর প্রাথমিক বার্তার কোনো সাড়া পেলেন না, তখন তিনি বারবার বলতে থাকেন—স্পিরিট-১৩০০ মনোযোগ দিন, ডান দিকে ২০ ডিগ্রি ঘুরুন। এরপর কন্ট্রোলার আরও উচ্চ স্বরে আদেশ দেন—স্পিরিট-১৩০০, এখনই ডান দিকে ২০ ডিগ্রি ঘুরুন।
শেষবারের মতো তিনি চিৎকার করে বলেন—স্পিরিট উইংস-১৩০০, ডান দিকে ২০ ডিগ্রি ঘুরুন। দ্রুত।
অবশেষে স্পিরিটের পাইলটরা গতিপথ পরিবর্তনের নির্দেশটি গ্রহণ করেন। তখন কন্ট্রোলার বলেন, ‘স্পিরিট-১৩০০, আপনার বাম উইং থেকে ৬ বা ৮ মাইল দূরে একটি ট্রাফিক রয়েছে। এটি একটি বোয়িং-৭৪৭। আমি নিশ্চিত, আপনি দেখতে পাচ্ছেন, এটি কার এবং এতে কে আছেন।’
তারপর নিউইয়র্কের ওই কন্ট্রোলার স্পিরিট ক্রুদের উদ্দেশে শেষবারের মতো সতর্ক করে বলেন, ‘মনোযোগ দিন! আইপ্যাড বন্ধ করুন!’
প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গতকাল স্থানীয় সময় রাতে লন্ডনে পৌঁছান। এই রাষ্ট্রীয় সফরে উইন্ডসর ক্যাসেলে রাজা চার্লসের সঙ্গে তাঁর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির কঠোরপন্থী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
৩৫ মিনিট আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
১ ঘণ্টা আগে
এই ভাষণে প্রথমবারের মতো খামেনি বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর সংখ্যা ‘হাজার হাজার’ বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্তরা এখানে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
১ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশের মারোস জেলায় ১১ জন আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের (আইএটি) একটি ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। আজ শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১টা ১৭ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে বিমানটির শেষ যোগাযোগ হয়েছিল।
২ ঘণ্টা আগে