
চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের উত্তেজনা টান টান রূপ নিয়েছে। এবার ভিন দেশে গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে দুই পরাশক্তির মধ্যে দ্বন্দ্ব। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, প্রতিবেশী কিউবায় ঘাঁটি গেড়ে চীন তাদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি চালাচ্ছে। এবিষয়ে চীনের কাছে উদ্বেগ তুলে ধরা হয়েছে বলে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে।
এই সপ্তাহেই আরো পরের দিকে বেইজিং সফরের কথা রয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেনের। তার আগে গতকাল সোমবার তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে সামরিক শক্তি প্রদর্শনের একটি চীনা প্রচেষ্টার গতি থামাতে বাইডেন প্রশাসন কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছে।
কিউবায় গুপ্তচরবৃত্তির চেষ্টা চলছে বলে কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে সংবাদ সম্মেলনে এই কথা বলেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কূটনীতিক।
গত সপ্তাহে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত ওই রিপোর্টে বলা হয়, চীন কিউবায় গুপ্তচর ঘাঁটি তৈরি করতে চাইছে। তবে কিউবা এবং চীন এই দাবি অস্বীকার করেছে।
ব্লিংকেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘চীন এখন গোটা বিশ্বে নিজেদের প্রভাব বাড়াতে চাইছে। কিউবায় তাদের গুপ্তচর ঘাঁটির বিষয়টি এই পরিপ্রেক্ষিতে দেখতে হবে। তবে বাইডেন ২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে বেশ কিছু ব্যবস্থা নিয়েছেন। ফলে চীন যে দ্রুত প্রভাব বিস্তার করতে চাইছিল, তা আর এখন সম্ভব হচ্ছে না।’
এর আগে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জন কার্বি বলেন, ‘চীনের সঙ্গে সম্পর্ক এখন বেশ উত্তেজনাকর। তবে চীনের সঙ্গে আলোচনার রাস্তা বন্ধ করতে চান না প্রেসিডেন্ট বাইডেন। তাই কিউবায় চীনা গুপ্তচর ঘাঁটি তৈরির খবরের পরেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিংকেনের চীন সফর বাতিল হচ্ছে না।’
তিনি আরো বলেন, ‘চীনের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ। অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। তারপরও প্রেসিডেন্ট চীনের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখতে চান।’
তবে যুক্তরাষ্ট্র কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়ে আলোচনায় আগ্রহ দেখানোর ‘মোহ’ সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেছে চীন। ব্লিংকেনের সফরের কয়েকদিন আগে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের ভাষ্যকার এই অভিযোগ তুললেন।
চীনের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ ও পাল্টায় যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার আগ্রহে আন্তরিকতা নিয়ে চীনের সংশয় এই সফরের ওপর কালো ছায়া ফেলেছে।

চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের উত্তেজনা টান টান রূপ নিয়েছে। এবার ভিন দেশে গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে দুই পরাশক্তির মধ্যে দ্বন্দ্ব। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, প্রতিবেশী কিউবায় ঘাঁটি গেড়ে চীন তাদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি চালাচ্ছে। এবিষয়ে চীনের কাছে উদ্বেগ তুলে ধরা হয়েছে বলে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে।
এই সপ্তাহেই আরো পরের দিকে বেইজিং সফরের কথা রয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেনের। তার আগে গতকাল সোমবার তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে সামরিক শক্তি প্রদর্শনের একটি চীনা প্রচেষ্টার গতি থামাতে বাইডেন প্রশাসন কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছে।
কিউবায় গুপ্তচরবৃত্তির চেষ্টা চলছে বলে কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে সংবাদ সম্মেলনে এই কথা বলেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কূটনীতিক।
গত সপ্তাহে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত ওই রিপোর্টে বলা হয়, চীন কিউবায় গুপ্তচর ঘাঁটি তৈরি করতে চাইছে। তবে কিউবা এবং চীন এই দাবি অস্বীকার করেছে।
ব্লিংকেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘চীন এখন গোটা বিশ্বে নিজেদের প্রভাব বাড়াতে চাইছে। কিউবায় তাদের গুপ্তচর ঘাঁটির বিষয়টি এই পরিপ্রেক্ষিতে দেখতে হবে। তবে বাইডেন ২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে বেশ কিছু ব্যবস্থা নিয়েছেন। ফলে চীন যে দ্রুত প্রভাব বিস্তার করতে চাইছিল, তা আর এখন সম্ভব হচ্ছে না।’
এর আগে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জন কার্বি বলেন, ‘চীনের সঙ্গে সম্পর্ক এখন বেশ উত্তেজনাকর। তবে চীনের সঙ্গে আলোচনার রাস্তা বন্ধ করতে চান না প্রেসিডেন্ট বাইডেন। তাই কিউবায় চীনা গুপ্তচর ঘাঁটি তৈরির খবরের পরেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিংকেনের চীন সফর বাতিল হচ্ছে না।’
তিনি আরো বলেন, ‘চীনের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ। অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। তারপরও প্রেসিডেন্ট চীনের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখতে চান।’
তবে যুক্তরাষ্ট্র কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়ে আলোচনায় আগ্রহ দেখানোর ‘মোহ’ সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেছে চীন। ব্লিংকেনের সফরের কয়েকদিন আগে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের ভাষ্যকার এই অভিযোগ তুললেন।
চীনের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ ও পাল্টায় যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার আগ্রহে আন্তরিকতা নিয়ে চীনের সংশয় এই সফরের ওপর কালো ছায়া ফেলেছে।

ইন্দোনেশিয়ার উদ্ধারকারীরা নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় সুলাওয়েসি দ্বীপের পাহাড়ি অঞ্চলে পৌঁছানোর সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ওই বিমানে মোট ১১ জন আরোহী ছিলেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
২১ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ট্রাম্পের হাতেই। এমনটি জানা গেছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে।
২ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
৩ ঘণ্টা আগে
গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
৪ ঘণ্টা আগে