
ইউক্রেনে হামলা চালানো হলে রাশিয়াকে চরম মূল্য চোকাতে হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। মার্কিন স্থানীয় সময় শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ডেলাওয়ার অঙ্গরাজ্যে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এই সতর্কবার্তার কথা জানান বাইডেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ৫০ মিনিট ফোনালাপ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
ওই ফোনালাপ ইস্যুতে বাইডেন বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট পুতিনকে স্পষ্ট বলেছি যে রাশিয়া যদি আর কোনো পদক্ষেপ নেয়, তাহলে আমাদের কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। আমরা আমাদের ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে ইউরোপে আমাদের উপস্থিতি বাড়াব এবং এর জন্য একটি চরম মূল্য দিতে হবে।
বাইডেন জানান, পুতিন একটি সমাধান খুঁজে পেতে সহায়তা করার জন্য সিনিয়র কর্মীদের সঙ্গে আগামী মাসে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে সম্মত হয়েছেন।
সীমান্তে সেনা বৃদ্ধি হলে রাশিয়াকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নে বাইডেন বলেন, ‘আমি এটি জনসমক্ষে আলোচনা করতে চাইছি না। তবে আমরা এটা পরিষ্কার করে দিয়েছি যে পুতিন ইউক্রেনের দিকে যেতে পারবেন না।
গতকাল শুক্রবার হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী রোববার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করবেন বাইডেন।
হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, বাইডেন ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন পুনরায় নিশ্চিত করবেন। রাশিয়ার সামরিক গঠন নিয়ে আলোচনা করবেন এবং ওই অঞ্চলের পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রস্তুতি পর্যালোচনা করবেন।
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গতকাল শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন ন্যাটোর মহাসচিব জেনস স্টোলেনবার্গ ও অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইউক্রেন ইস্যুতে বৈঠক করেছেন।
এ ছাড়া মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কানাডা ও ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন ইস্যুতে বৈঠক করেছেন।

ইউক্রেনে হামলা চালানো হলে রাশিয়াকে চরম মূল্য চোকাতে হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। মার্কিন স্থানীয় সময় শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ডেলাওয়ার অঙ্গরাজ্যে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এই সতর্কবার্তার কথা জানান বাইডেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ৫০ মিনিট ফোনালাপ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
ওই ফোনালাপ ইস্যুতে বাইডেন বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট পুতিনকে স্পষ্ট বলেছি যে রাশিয়া যদি আর কোনো পদক্ষেপ নেয়, তাহলে আমাদের কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। আমরা আমাদের ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে ইউরোপে আমাদের উপস্থিতি বাড়াব এবং এর জন্য একটি চরম মূল্য দিতে হবে।
বাইডেন জানান, পুতিন একটি সমাধান খুঁজে পেতে সহায়তা করার জন্য সিনিয়র কর্মীদের সঙ্গে আগামী মাসে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে সম্মত হয়েছেন।
সীমান্তে সেনা বৃদ্ধি হলে রাশিয়াকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নে বাইডেন বলেন, ‘আমি এটি জনসমক্ষে আলোচনা করতে চাইছি না। তবে আমরা এটা পরিষ্কার করে দিয়েছি যে পুতিন ইউক্রেনের দিকে যেতে পারবেন না।
গতকাল শুক্রবার হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী রোববার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করবেন বাইডেন।
হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, বাইডেন ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন পুনরায় নিশ্চিত করবেন। রাশিয়ার সামরিক গঠন নিয়ে আলোচনা করবেন এবং ওই অঞ্চলের পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রস্তুতি পর্যালোচনা করবেন।
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গতকাল শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন ন্যাটোর মহাসচিব জেনস স্টোলেনবার্গ ও অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইউক্রেন ইস্যুতে বৈঠক করেছেন।
এ ছাড়া মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কানাডা ও ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন ইস্যুতে বৈঠক করেছেন।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৪ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৪ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৭ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৭ ঘণ্টা আগে