
রাষ্ট্রীয় গোপন নথি গোপনের অভিযোগে নাস্তানাবুদ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরই মধ্য তাঁকে একহাত নিয়েছেন দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেছেন, ট্রাম্পের মতাদর্শ গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র দুই মাস আগে বাইডেন এই মন্তব্য করলেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
পেনসিলভানিয়ার প্রাইমটাইমে দেওয়া এক ভাষণে বাইডেন বলেছেন, ‘ট্রাম্পের রাজনৈতিক মতাদর্শ ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন–মেগা’ গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। এই মেগা মতাদর্শ এই দেশকে পেছনের দিকে নিয়ে যাবে।’ এ সময় তিনি বিরোধী রিপাবলিকান নেতা কেভিন ম্যাককার্থির ভাষণের সমালোচনা করেন। বাইডেন বলেন, ‘ম্যাককার্থি তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে “আমেরিকার আত্মাকে মারাত্মকভাবে জখম করেছেন”।’
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে ফিলাডেলফিয়ার ইনডিপেনডেন্স হলে এক ভাষণ দেন জো বাইডেন। এই হলেই আমেরিকার স্বাধীনতাপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এখান থেকেই বাইডেন তাঁর মধ্যবর্তী নির্বাচনী প্রচারণা ‘আমেরিকার আত্মার পুনর্গঠন’ শুরু করেন।
বাইডেন তাঁর বক্তব্যে জানান, তিনি ৭ কোটি ৪ লাখ মানুষকে ট্রাম্পকে ভোট দেওয়ার জন্য দোষারোপ করছেন না। তাঁর মতে, সব রিপাবলিকান, এমনকি অধিকাংশ রিপাবলিকানই ট্রাম্পের রাজনৈতিক মতাদর্শ মেগা পছন্দ করে না।
বাইডেন বলেন, ‘তবে এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে, আজ রিপাবলিকান পার্টি ট্রাম্প ও তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শ মেগা দ্বারা পরিচালিত। এবং এই মতাদর্শ দেশের জন্য ক্ষতিকর।’ ট্রাম্প আরও বলেন, ‘ক্যাপিটল হিলে ট্রাম্প সমর্থকদের হামলাকারীরা নিজেদের দাঙ্গাকারী ভাবার পরিবর্তে নিজেদের দেশপ্রেমিক বলে ভাবতেই পছন্দ করে।’
বাইডেন আরও বলেন, ‘দীর্ঘ সময় ধরে আমরা বলে এসেছি যে আমেরিকার গণতন্ত্র একটি নিশ্চিত ও নিশ্ছিদ্র। কিন্তু তা আসলে নয়। এখন আমাদের এটিকে রক্ষা করতে হবে। ধরে রাখতে হবে। এর জন্য লড়তে হবে এবং আমাদের প্রত্যেককেই এসব করতে হবে।’
তবে বাইডেনের গণতন্ত্র নিয়ে করা মন্তব্যগুলোকে হাওয়ায় ভেসে যেতে দেননি তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা এক পোস্টে ট্রাম্প তাঁর মেগা মতাদর্শকে সমর্থন করে বলেছেন, তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বিরাই ‘গণতন্ত্রের জন্য হুমকি’।

রাষ্ট্রীয় গোপন নথি গোপনের অভিযোগে নাস্তানাবুদ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরই মধ্য তাঁকে একহাত নিয়েছেন দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেছেন, ট্রাম্পের মতাদর্শ গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র দুই মাস আগে বাইডেন এই মন্তব্য করলেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
পেনসিলভানিয়ার প্রাইমটাইমে দেওয়া এক ভাষণে বাইডেন বলেছেন, ‘ট্রাম্পের রাজনৈতিক মতাদর্শ ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন–মেগা’ গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। এই মেগা মতাদর্শ এই দেশকে পেছনের দিকে নিয়ে যাবে।’ এ সময় তিনি বিরোধী রিপাবলিকান নেতা কেভিন ম্যাককার্থির ভাষণের সমালোচনা করেন। বাইডেন বলেন, ‘ম্যাককার্থি তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে “আমেরিকার আত্মাকে মারাত্মকভাবে জখম করেছেন”।’
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে ফিলাডেলফিয়ার ইনডিপেনডেন্স হলে এক ভাষণ দেন জো বাইডেন। এই হলেই আমেরিকার স্বাধীনতাপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এখান থেকেই বাইডেন তাঁর মধ্যবর্তী নির্বাচনী প্রচারণা ‘আমেরিকার আত্মার পুনর্গঠন’ শুরু করেন।
বাইডেন তাঁর বক্তব্যে জানান, তিনি ৭ কোটি ৪ লাখ মানুষকে ট্রাম্পকে ভোট দেওয়ার জন্য দোষারোপ করছেন না। তাঁর মতে, সব রিপাবলিকান, এমনকি অধিকাংশ রিপাবলিকানই ট্রাম্পের রাজনৈতিক মতাদর্শ মেগা পছন্দ করে না।
বাইডেন বলেন, ‘তবে এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে, আজ রিপাবলিকান পার্টি ট্রাম্প ও তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শ মেগা দ্বারা পরিচালিত। এবং এই মতাদর্শ দেশের জন্য ক্ষতিকর।’ ট্রাম্প আরও বলেন, ‘ক্যাপিটল হিলে ট্রাম্প সমর্থকদের হামলাকারীরা নিজেদের দাঙ্গাকারী ভাবার পরিবর্তে নিজেদের দেশপ্রেমিক বলে ভাবতেই পছন্দ করে।’
বাইডেন আরও বলেন, ‘দীর্ঘ সময় ধরে আমরা বলে এসেছি যে আমেরিকার গণতন্ত্র একটি নিশ্চিত ও নিশ্ছিদ্র। কিন্তু তা আসলে নয়। এখন আমাদের এটিকে রক্ষা করতে হবে। ধরে রাখতে হবে। এর জন্য লড়তে হবে এবং আমাদের প্রত্যেককেই এসব করতে হবে।’
তবে বাইডেনের গণতন্ত্র নিয়ে করা মন্তব্যগুলোকে হাওয়ায় ভেসে যেতে দেননি তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা এক পোস্টে ট্রাম্প তাঁর মেগা মতাদর্শকে সমর্থন করে বলেছেন, তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বিরাই ‘গণতন্ত্রের জন্য হুমকি’।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৮ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৮ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
১১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
১১ ঘণ্টা আগে