
আবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় গেলে দেশটিতে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ দমনের অঙ্গীকার করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিউইয়র্কে সম্প্রতি নিজের নির্বাচনী প্রচারণায় তহবিলদাতা একদল ইহুদির সঙ্গে আলাপকালে এমন অঙ্গীকার করেন তিনি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের বরাত দিয়ে আল-জাজিরা জানিয়েছে, ইহুদি তহবিলদাতাদের সঙ্গে আলাপকালে আগামী নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হলে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইসরায়েলি গণহত্যার বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদেরও বহিষ্কারের হুমকি দেন ট্রাম্প। এ সময় ট্রাম্প উল্লেখ করেন, এই প্রতিবাদকারীরা এক ধরনের ‘কট্টর বিপ্লব’ করার চেষ্টা করছে।
বৈঠকে উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্রের বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, ইহুদি তহবিলদাতাদের সঙ্গে গোপন ওই বৈঠক ট্রাম্প বলেন, ‘আপনারা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন...তেমনটাই করা উচিত আপনাদের—তাহলে আমরা এই (ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলনকে) ২৫ থেকে ৩০ বছর পিছিয়ে দেব।’
গত এপ্রিল মাসের শেষ দিকে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দেওয়ার জন্য নিউইয়র্ক পুলিশের প্রশংসাও করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় তিনি পরামর্শ দিয়ে বলেন, অন্যান্য শহরগুলোর উচিত নিউইয়র্ককে অনুসরণ করা। এই আন্দোলন এখনই এখন বন্ধ করতে হবে।
গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মার্কিন শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্রকে নাড়িয়ে দিয়েছে। দেশটির অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আন্দোলন দমনে পুলিশ নামানো হয় এবং এসব আন্দোলন থেকে ২ হাজারেরও বেশি আন্দোলনকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। পরে তা ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস এবং অন্যান্য রাজ্যগুলোর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে, এক জরিপ অনুসারে দেখা গেয়েছে—৩০ বছরের কম বয়সী মার্কিনিদের অধিকাংশই গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধের পক্ষে।

আবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় গেলে দেশটিতে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ দমনের অঙ্গীকার করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিউইয়র্কে সম্প্রতি নিজের নির্বাচনী প্রচারণায় তহবিলদাতা একদল ইহুদির সঙ্গে আলাপকালে এমন অঙ্গীকার করেন তিনি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের বরাত দিয়ে আল-জাজিরা জানিয়েছে, ইহুদি তহবিলদাতাদের সঙ্গে আলাপকালে আগামী নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হলে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইসরায়েলি গণহত্যার বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদেরও বহিষ্কারের হুমকি দেন ট্রাম্প। এ সময় ট্রাম্প উল্লেখ করেন, এই প্রতিবাদকারীরা এক ধরনের ‘কট্টর বিপ্লব’ করার চেষ্টা করছে।
বৈঠকে উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্রের বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, ইহুদি তহবিলদাতাদের সঙ্গে গোপন ওই বৈঠক ট্রাম্প বলেন, ‘আপনারা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন...তেমনটাই করা উচিত আপনাদের—তাহলে আমরা এই (ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলনকে) ২৫ থেকে ৩০ বছর পিছিয়ে দেব।’
গত এপ্রিল মাসের শেষ দিকে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দেওয়ার জন্য নিউইয়র্ক পুলিশের প্রশংসাও করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় তিনি পরামর্শ দিয়ে বলেন, অন্যান্য শহরগুলোর উচিত নিউইয়র্ককে অনুসরণ করা। এই আন্দোলন এখনই এখন বন্ধ করতে হবে।
গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মার্কিন শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্রকে নাড়িয়ে দিয়েছে। দেশটির অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আন্দোলন দমনে পুলিশ নামানো হয় এবং এসব আন্দোলন থেকে ২ হাজারেরও বেশি আন্দোলনকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। পরে তা ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস এবং অন্যান্য রাজ্যগুলোর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে, এক জরিপ অনুসারে দেখা গেয়েছে—৩০ বছরের কম বয়সী মার্কিনিদের অধিকাংশই গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধের পক্ষে।

গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
১৪ মিনিট আগে
গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
২ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউস গাজা শাসনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে গাজার শাসনের জন্য জাতীয় কমিটি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার (এনসিএজি) সদস্যদের নামও ঘোষণা করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
গাজা শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ,শান্তি পরিকল্পনার অর্থাৎ, যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি অঞ্চলটির পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার ‘দ্বিতীয় ধাপ’ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে ইসরায়েল। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আপত্তিতে কান দিচ্ছেন না।
৩ ঘণ্টা আগে