
ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস। এই আগুন ছড়িয়ে পড়েছে মার্কিন চলচ্চিত্রের সূতিকাগার হলিউডেও। পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে পাহাড়ের বুকে গড়ে তোলা চলচ্চিত্র শিল্প। গত মঙ্গলবার থেকে শুরু এই দাবানলের নাম দেওয়া হয়েছে ‘সানসেট ফায়ার’।
প্যাসিফিক প্যালিসেডস থেকে শুরু হওয়া আগুন গতকাল বুধবার বিকেলে হলিউড হিলসে রানিয়ন ক্যানিয়নে ছড়িয়ে পড়ে। আরও ৫টি এলাকায় এই দাবানল ছড়িয়ে পড়ার কথা জানান লস অ্যাঞ্জেলেস ফায়ার ডিপার্টমেন্টের প্রধান ক্রিস্টিন ক্রাউলি।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানা যায়, সান্তা মনিকা পর্বত এলাকায় অবস্থিত হলিউডের বেশিরভাগ অংশ ঘন ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে। আগুন ছড়িয়ে যাওয়ায় বাড়িঘর ফেলে বিশৃঙ্খলভাবে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছেন বাসিন্দারা।
হলিউড হিলসের রানিয়ন ক্যানিয়ন হাইকার ও প্রকৃতিপ্রেমীদের পছন্দের জায়গা। এই পাহাড়েও দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। হলিউড বোলেভার্ড, হল্যান্ড ড্রাইভ, ১০১ ফ্রিওয়ে ও লরেল ক্যানিয়ন বোলেভার্ড এলাকাগুলো হলিউডের বেশ জনপ্রিয় এলাকা।
এসব এলাকায় অবস্থিত ডলবি থিয়েটার, হলিউড বোল, আউটডোর অ্যাম্ফিথিয়েটার ও হলিউড ওয়াক অব ফেম দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। পিছিয়ে গেছে অনেক চলচ্চিত্রের কাজ। অনেক স্টুডিও পুড়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। অস্কার আয়োজনের কর্মসূচিও স্থগিত করা হয়েছে।
বার্তাসংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, দাবানল ছড়িয়ে যাওয়ায় হলিউড তারকা মার্ক হ্যামিল, ম্যান্ডি মুর, জেমস উডস, প্যারিস হিল্টনসহ অনেকে তাঁদের বাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে হলিউড অভিনেতা স্টিভ গুটেনবার্গ বলেন, লোকজন রাস্তায় গাড়ি ফেলে চলে যাচ্ছে। ফলে রাস্তাগুলো বন্ধ হয়ে অন্যদের যেতে বাধা দিচ্ছে। নিরাপদে সরিয়ে নেওয়াই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে হলিউড অভিনেতা মার্ক হ্যামিল লেখেন, ‘শেষ মুহূর্তে মালিবু থেকে চলে যেতে বাধ্য হলাম। প্যাসিফিক কোস্ট হাইওয়ের দিকে যাওয়ার সময় রাস্তার দুই পাশেই আগুন জ্বলছিল।’
হলিউড তারকা জেমস উডস তাঁর বাড়ির কাছে জ্বলন্ত আগুনের একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। ভিডিওতে দেখা যায়, আগুন পামগাছ এবং বাড়ির আশপাশের ল্যান্ডস্কেপিং এলাকা দিয়ে ছড়িয়ে পড়ছে। তিনি লিখেছেন, ‘ড্রাইভওয়েতে দাঁড়িয়ে আছি, যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। সবকিছু একসঙ্গে হারানোর যন্ত্রণা সত্যিই গভীর।’
ম্যান্ডি মুর ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘আমরা নিরাপদে আছি। বাচ্চা, কুকুর ও বিড়ালদের নিয়ে চলে গেছি।’
অ্যাডম ব্রডি ও লেইটন মিইস্টার দম্পতির ৭০ লাখ ডলার মূল্যে প্রাসাদোপম বাড়িও পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। ২ সন্তানকে নিয়ে ৬ হাজার বর্গফুটের বাড়িটিতে থাকতেন তারা।
পুড়ে ছাই হয়ে গেছে প্যারিস হিলটনের বাড়িও। তিনি বলেন, ‘এই অভিজ্ঞতা যেন আর কারও না হয়। বাড়িটিতে অনেক মূল্যবান স্মৃতি ছিল। সব হারাতে হলো।’
এ ঘটনাকে হৃদয়বিদারক ব্যাখ্যা করে ‘হোয়েন হ্যারি মেট স্যালি’ চলচ্চিত্রের অভিনেতা বিলি ক্রিস্টাল এক বিবৃতিতে বলেন, ‘১৯৭৯ সাল থেকে প্যাসিফিক প্যালিসেডসে বসবাস করছি। এখানে আমাদের সন্তান এবং নাতি-নাতনিদের বড় করেছি। আমাদের বাড়ির প্রতিটি ইঞ্চি ছিল ভালোবাসায় পূর্ণ।’
সিএনএনকে পরিস্থিতি বর্ণনা করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন ‘নিক্সন’ ও ‘ক্যাসিনো’ চলচ্চিত্রের অভিনেতা জেমস উডস। প্যাসিফিক প্যালিসেডসের তাঁর বাড়ি। তিনি বলেন, ‘একদিন আপনি সুইমিং পুলে সাঁতার কাটছেন, আর পর দিনই হারিয়ে ফেললেন সবকিছু।’
অভিনেতা স্যার অ্যান্থনি হপকিনস, জন গুডম্যান, আন্না ফ্যারিস এবং ক্যারি এলওয়েসও তাদের বাড়ি হারিয়েছেন।
এখন পর্যন্ত এ দাবানলে পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। পুড়ে ছাই হয়েছে হাজারেরও বেশি স্থাপনা। ঘরছাড়া হয়েছে লাখ লাখ মানুষ। প্রায় ৫০ হাজার একরেরও বেশি জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে দাবানল। এদিকে আগুন নেভাতে গিয়ে পানির সংকটে পড়ছেন অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা।

ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস। এই আগুন ছড়িয়ে পড়েছে মার্কিন চলচ্চিত্রের সূতিকাগার হলিউডেও। পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে পাহাড়ের বুকে গড়ে তোলা চলচ্চিত্র শিল্প। গত মঙ্গলবার থেকে শুরু এই দাবানলের নাম দেওয়া হয়েছে ‘সানসেট ফায়ার’।
প্যাসিফিক প্যালিসেডস থেকে শুরু হওয়া আগুন গতকাল বুধবার বিকেলে হলিউড হিলসে রানিয়ন ক্যানিয়নে ছড়িয়ে পড়ে। আরও ৫টি এলাকায় এই দাবানল ছড়িয়ে পড়ার কথা জানান লস অ্যাঞ্জেলেস ফায়ার ডিপার্টমেন্টের প্রধান ক্রিস্টিন ক্রাউলি।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানা যায়, সান্তা মনিকা পর্বত এলাকায় অবস্থিত হলিউডের বেশিরভাগ অংশ ঘন ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে। আগুন ছড়িয়ে যাওয়ায় বাড়িঘর ফেলে বিশৃঙ্খলভাবে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছেন বাসিন্দারা।
হলিউড হিলসের রানিয়ন ক্যানিয়ন হাইকার ও প্রকৃতিপ্রেমীদের পছন্দের জায়গা। এই পাহাড়েও দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। হলিউড বোলেভার্ড, হল্যান্ড ড্রাইভ, ১০১ ফ্রিওয়ে ও লরেল ক্যানিয়ন বোলেভার্ড এলাকাগুলো হলিউডের বেশ জনপ্রিয় এলাকা।
এসব এলাকায় অবস্থিত ডলবি থিয়েটার, হলিউড বোল, আউটডোর অ্যাম্ফিথিয়েটার ও হলিউড ওয়াক অব ফেম দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। পিছিয়ে গেছে অনেক চলচ্চিত্রের কাজ। অনেক স্টুডিও পুড়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। অস্কার আয়োজনের কর্মসূচিও স্থগিত করা হয়েছে।
বার্তাসংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, দাবানল ছড়িয়ে যাওয়ায় হলিউড তারকা মার্ক হ্যামিল, ম্যান্ডি মুর, জেমস উডস, প্যারিস হিল্টনসহ অনেকে তাঁদের বাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে হলিউড অভিনেতা স্টিভ গুটেনবার্গ বলেন, লোকজন রাস্তায় গাড়ি ফেলে চলে যাচ্ছে। ফলে রাস্তাগুলো বন্ধ হয়ে অন্যদের যেতে বাধা দিচ্ছে। নিরাপদে সরিয়ে নেওয়াই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে হলিউড অভিনেতা মার্ক হ্যামিল লেখেন, ‘শেষ মুহূর্তে মালিবু থেকে চলে যেতে বাধ্য হলাম। প্যাসিফিক কোস্ট হাইওয়ের দিকে যাওয়ার সময় রাস্তার দুই পাশেই আগুন জ্বলছিল।’
হলিউড তারকা জেমস উডস তাঁর বাড়ির কাছে জ্বলন্ত আগুনের একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। ভিডিওতে দেখা যায়, আগুন পামগাছ এবং বাড়ির আশপাশের ল্যান্ডস্কেপিং এলাকা দিয়ে ছড়িয়ে পড়ছে। তিনি লিখেছেন, ‘ড্রাইভওয়েতে দাঁড়িয়ে আছি, যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। সবকিছু একসঙ্গে হারানোর যন্ত্রণা সত্যিই গভীর।’
ম্যান্ডি মুর ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘আমরা নিরাপদে আছি। বাচ্চা, কুকুর ও বিড়ালদের নিয়ে চলে গেছি।’
অ্যাডম ব্রডি ও লেইটন মিইস্টার দম্পতির ৭০ লাখ ডলার মূল্যে প্রাসাদোপম বাড়িও পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। ২ সন্তানকে নিয়ে ৬ হাজার বর্গফুটের বাড়িটিতে থাকতেন তারা।
পুড়ে ছাই হয়ে গেছে প্যারিস হিলটনের বাড়িও। তিনি বলেন, ‘এই অভিজ্ঞতা যেন আর কারও না হয়। বাড়িটিতে অনেক মূল্যবান স্মৃতি ছিল। সব হারাতে হলো।’
এ ঘটনাকে হৃদয়বিদারক ব্যাখ্যা করে ‘হোয়েন হ্যারি মেট স্যালি’ চলচ্চিত্রের অভিনেতা বিলি ক্রিস্টাল এক বিবৃতিতে বলেন, ‘১৯৭৯ সাল থেকে প্যাসিফিক প্যালিসেডসে বসবাস করছি। এখানে আমাদের সন্তান এবং নাতি-নাতনিদের বড় করেছি। আমাদের বাড়ির প্রতিটি ইঞ্চি ছিল ভালোবাসায় পূর্ণ।’
সিএনএনকে পরিস্থিতি বর্ণনা করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন ‘নিক্সন’ ও ‘ক্যাসিনো’ চলচ্চিত্রের অভিনেতা জেমস উডস। প্যাসিফিক প্যালিসেডসের তাঁর বাড়ি। তিনি বলেন, ‘একদিন আপনি সুইমিং পুলে সাঁতার কাটছেন, আর পর দিনই হারিয়ে ফেললেন সবকিছু।’
অভিনেতা স্যার অ্যান্থনি হপকিনস, জন গুডম্যান, আন্না ফ্যারিস এবং ক্যারি এলওয়েসও তাদের বাড়ি হারিয়েছেন।
এখন পর্যন্ত এ দাবানলে পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। পুড়ে ছাই হয়েছে হাজারেরও বেশি স্থাপনা। ঘরছাড়া হয়েছে লাখ লাখ মানুষ। প্রায় ৫০ হাজার একরেরও বেশি জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে দাবানল। এদিকে আগুন নেভাতে গিয়ে পানির সংকটে পড়ছেন অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা।

গাজা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত শান্তি পর্ষদ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও নানা প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া গাজাকে পুনরুজ্জীবিত করার কথা বলা হচ্ছে। তবে এই উদ্যোগের আড়ালে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থ এবং ঘনিষ্ঠ মহলের প্রভাব বিস্তারের...
৪ ঘণ্টা আগে
ডেনমার্কের গ্রিনল্যান্ড এলাকা দখল নিতে আবারও হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, গ্রিনল্যান্ড দখল না নিয়ে তাঁর পেছনে ফেরার সুযোগ নেই। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারাও বলেছেন, ট্রাম্পের হুমকি এবং শুল্কের চাপে ফেলে তাঁদের পিছু হটানো যাবে না। গ্রিনল্যান্ড প্রশ্নে তাঁরা
৫ ঘণ্টা আগে
স্পেনের আন্দালুসিয়া অঞ্চলের আদামুজে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ জনে। দেশজুড়ে গতকাল মঙ্গলবার থেকে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ।
৬ ঘণ্টা আগে
সিরিয়া সরকার ও কুর্দি পরিচালিত সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) মধ্যে আবার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। কয়েক দিন আগেই তাদের মধ্যে যুদ্ধবিরতির চুক্তি হয়েছিল, সেটি ফের ভেস্তে গেল। এই চুক্তির আওতায় ফোরাত নদীর পশ্চিমাঞ্চল থেকে এসডিএফ বাহিনী সরিয়ে নেওয়ার কথা ছিল।
৭ ঘণ্টা আগে