
জনসন অ্যান্ড জনসনের বেবি পাউডার ও অন্যান্য পণ্যের ব্যবহারে ক্যানসার হয়—এমন অভিযোগে সারা বিশ্বে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে কয়েক হাজার মামলা রয়েছে। জে অ্যান্ড জের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান এসব মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আবারও যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে আবেদন করেছে। এর আগে ফেডারেল আপিল আদালতে করা তাদের প্রথম আবেদনকে খারিজ হয়েছিল।
মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির অঙ্গরাজ্যর ট্রেন্টনের একটি আদালতে এ শুনানি হয়। এতে জে অ্যান্ড জের এলটিএল ম্যানেজমেন্ট মামলাগুলোর অগ্রগতিতে দেউলিয়া আইনের বাধার বিষয়ে যুক্তি তুলে ধরেছে। তাঁরা দেখিয়েছে, একই আইনের ১১ নম্বর অনুচ্ছেদেই অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের অধিকার রক্ষার বিষয়ে বলা হয়েছে, যার বাজারমূল্য ৪৩০ বিলিয়নের ডলারের বেশি এবং নিজেরা দেউলিয়ার জন্য আবেদন করেনি।
মামলার বাদীদের দুটি পক্ষ এবং মার্কিন বিচার বিভাগের দেউলিয়াত্ব পর্যবেক্ষক সংস্থা কোম্পানির ক্ষতিপূরণ দেওয়ার স্থগিতাদেশের বিরোধিতা করেছে। তাঁদের দাবি, এই আবেদন পূর্ববর্তী আদালতের রায় এড়াতে জে অ্যান্ড জের হঠকারী প্রয়াস।
এদিকে ২০২১ সালে এলটিএলের দেউলিয়া আবেদন করার পর জে অ্যান্ড জে কোম্পানির বিরুদ্ধে ৩৮ হাজার মামলা স্থগিত করা হয়। তবে একটি ফেডারেল আপিল আদালত কোম্পানির দেউলিয়া মামলার স্থগিত আবেদন খারিজের পর ক্যানসারে আক্রান্তরা মামলাগুলো চলমান রাখার দাবি জানিয়েছেন।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে ফিলাডেলফিয়ার তৃতীয় শ্রেণির সারকুইট আপিল আদালতে এলটিএলের দেউলিয়া আবেদন খারিজ করে জানায়, প্রতিষ্ঠানটি দেউলিয়ার জন্য অনুপযুক্ত। কারণ তাদের জরিমানা দেওয়ার মতো যথেষ্ট অর্থ রয়েছে। মামলাগুলো ফের চলমান হওয়ার আগে এলটিএল আবারও দেউলিয়ার আবেদন করেছে।
এলটিএলের যুক্তি, জে অ্যান্ড জের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলো অবশ্যই বন্ধ করা উচিত, তা না হলে বিচার প্রক্রিয়া ও সবগুলো দেউলিয়ার দাবি নিষ্পত্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। তারা বলেছে, দ্বিতীয় দেউলিয়ার আবেদন প্রথমটির থেকে আলাদা, কারণ বর্তমানে তাদের তহবিল সীমিত হয়ে এসেছে এবং বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য অনেক বাদী রাজি হয়েছেন।
জে অ্যান্ড জে মামলা নিষ্পত্তির জন্য ৮ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব করেছে। তবে কোন বাদী কত টাকা পাবেন, তারা তা নির্ধারণ করেনি। কোম্পানিটি এখনো বলছে, তাদের বেবি পাউডার ও অন্যান্য পণ্যের ব্যবহারে ক্যানসার হয় না।
এদিকে কিছু বাদী কোম্পানির নতুন দেউলিয়া আবেদনে সমর্থন জানিয়েছে। জে অ্যান্ড জে বলছে, বাদীদের প্রতিনিধিত্বকারী অ্যাটর্নিরা বর্তমান নিষ্পত্তি প্রস্তাবকে সমর্থন করতে সম্মত হয়েছেন।
জে অ্যান্ড জের দেউলিয়া ঘোষণার আবেদন নিষ্পত্তির প্রচেষ্টা ২০২১ সালের অক্টোবর শুরু হয়েছিল। এরপর কোম্পানিটি দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে এবং এর নতুন সহযোগী এলটিএলে হাজার হাজার মামলা নিষ্পত্তিও করেছে। তারা একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ১১ নম্বর অনুচ্ছেদের অধিকারপ্রাপ্তির বিষয়েও দাবি তুলেছে। তাদের লক্ষ্য মামলা বন্ধ এবং বাদীদের সঙ্গে বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য একটি নিষ্পত্তিতে বাধ্য করা।
যুক্তরাষ্ট্রের দেউলিয়া আদালতের বিচারক মাইকেল কাপলান এলটিএলের প্রথম দেউলিয়া হওয়ার সময় জে অ্যান্ড জেকে মামলা থেকে বাঁচাতে সম্মত হয়েছিলেন। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, কোম্পানিটিকে দেউলিয়া ঘোষণা করাই সমস্ত মামলা একসঙ্গে সমাধানের সর্বোত্তম উপায় হতে পারে। এই মাইকেল কাপলানই এলটিএলের দ্বিতীয় দেউলিয়ার আবেদন যাচাই করছেন।

জনসন অ্যান্ড জনসনের বেবি পাউডার ও অন্যান্য পণ্যের ব্যবহারে ক্যানসার হয়—এমন অভিযোগে সারা বিশ্বে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে কয়েক হাজার মামলা রয়েছে। জে অ্যান্ড জের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান এসব মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আবারও যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে আবেদন করেছে। এর আগে ফেডারেল আপিল আদালতে করা তাদের প্রথম আবেদনকে খারিজ হয়েছিল।
মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির অঙ্গরাজ্যর ট্রেন্টনের একটি আদালতে এ শুনানি হয়। এতে জে অ্যান্ড জের এলটিএল ম্যানেজমেন্ট মামলাগুলোর অগ্রগতিতে দেউলিয়া আইনের বাধার বিষয়ে যুক্তি তুলে ধরেছে। তাঁরা দেখিয়েছে, একই আইনের ১১ নম্বর অনুচ্ছেদেই অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের অধিকার রক্ষার বিষয়ে বলা হয়েছে, যার বাজারমূল্য ৪৩০ বিলিয়নের ডলারের বেশি এবং নিজেরা দেউলিয়ার জন্য আবেদন করেনি।
মামলার বাদীদের দুটি পক্ষ এবং মার্কিন বিচার বিভাগের দেউলিয়াত্ব পর্যবেক্ষক সংস্থা কোম্পানির ক্ষতিপূরণ দেওয়ার স্থগিতাদেশের বিরোধিতা করেছে। তাঁদের দাবি, এই আবেদন পূর্ববর্তী আদালতের রায় এড়াতে জে অ্যান্ড জের হঠকারী প্রয়াস।
এদিকে ২০২১ সালে এলটিএলের দেউলিয়া আবেদন করার পর জে অ্যান্ড জে কোম্পানির বিরুদ্ধে ৩৮ হাজার মামলা স্থগিত করা হয়। তবে একটি ফেডারেল আপিল আদালত কোম্পানির দেউলিয়া মামলার স্থগিত আবেদন খারিজের পর ক্যানসারে আক্রান্তরা মামলাগুলো চলমান রাখার দাবি জানিয়েছেন।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে ফিলাডেলফিয়ার তৃতীয় শ্রেণির সারকুইট আপিল আদালতে এলটিএলের দেউলিয়া আবেদন খারিজ করে জানায়, প্রতিষ্ঠানটি দেউলিয়ার জন্য অনুপযুক্ত। কারণ তাদের জরিমানা দেওয়ার মতো যথেষ্ট অর্থ রয়েছে। মামলাগুলো ফের চলমান হওয়ার আগে এলটিএল আবারও দেউলিয়ার আবেদন করেছে।
এলটিএলের যুক্তি, জে অ্যান্ড জের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলো অবশ্যই বন্ধ করা উচিত, তা না হলে বিচার প্রক্রিয়া ও সবগুলো দেউলিয়ার দাবি নিষ্পত্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। তারা বলেছে, দ্বিতীয় দেউলিয়ার আবেদন প্রথমটির থেকে আলাদা, কারণ বর্তমানে তাদের তহবিল সীমিত হয়ে এসেছে এবং বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য অনেক বাদী রাজি হয়েছেন।
জে অ্যান্ড জে মামলা নিষ্পত্তির জন্য ৮ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব করেছে। তবে কোন বাদী কত টাকা পাবেন, তারা তা নির্ধারণ করেনি। কোম্পানিটি এখনো বলছে, তাদের বেবি পাউডার ও অন্যান্য পণ্যের ব্যবহারে ক্যানসার হয় না।
এদিকে কিছু বাদী কোম্পানির নতুন দেউলিয়া আবেদনে সমর্থন জানিয়েছে। জে অ্যান্ড জে বলছে, বাদীদের প্রতিনিধিত্বকারী অ্যাটর্নিরা বর্তমান নিষ্পত্তি প্রস্তাবকে সমর্থন করতে সম্মত হয়েছেন।
জে অ্যান্ড জের দেউলিয়া ঘোষণার আবেদন নিষ্পত্তির প্রচেষ্টা ২০২১ সালের অক্টোবর শুরু হয়েছিল। এরপর কোম্পানিটি দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে এবং এর নতুন সহযোগী এলটিএলে হাজার হাজার মামলা নিষ্পত্তিও করেছে। তারা একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ১১ নম্বর অনুচ্ছেদের অধিকারপ্রাপ্তির বিষয়েও দাবি তুলেছে। তাদের লক্ষ্য মামলা বন্ধ এবং বাদীদের সঙ্গে বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য একটি নিষ্পত্তিতে বাধ্য করা।
যুক্তরাষ্ট্রের দেউলিয়া আদালতের বিচারক মাইকেল কাপলান এলটিএলের প্রথম দেউলিয়া হওয়ার সময় জে অ্যান্ড জেকে মামলা থেকে বাঁচাতে সম্মত হয়েছিলেন। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, কোম্পানিটিকে দেউলিয়া ঘোষণা করাই সমস্ত মামলা একসঙ্গে সমাধানের সর্বোত্তম উপায় হতে পারে। এই মাইকেল কাপলানই এলটিএলের দ্বিতীয় দেউলিয়ার আবেদন যাচাই করছেন।

উগান্ডার প্রেসিডেন্ট ইয়োয়েরি মুসেভেনির সমর্থকদের কাছে সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে তাঁর বিপুল বিজয় ৪০ বছরের শাসনেরই এক ধরনের স্বীকৃতি। নির্বাচনে তিনি পেয়েছেন ৭২ শতাংশ ভোট। এটি তাঁর সর্বোচ্চ প্রাপ্ত ভোটের কাছাকাছি। ১৯৯৬ সালে উগান্ডার প্রথম সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি পেয়েছিলেন ৭৪ শতাংশ ভোট।
১ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার উদ্ধারকারীরা নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় সুলাওয়েসি দ্বীপের পাহাড়ি অঞ্চলে পৌঁছানোর সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ওই বিমানে ১১ জন আরোহী ছিলেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ট্রাম্পের হাতেই। এমনটি জানা গেছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে।
৪ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
৪ ঘণ্টা আগে