
যেকোনো ধরনের ফৌজদারি মামলা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আংশিক দায়মুক্তি দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। কেবল ডোনাল্ড ট্রাম্প নন, যুক্তরাষ্ট্রের সব সাবকে প্রেসিডেন্টকেই এই দায়মুক্তির আওতায় আনা হয়েছে সর্বোচ্চ মার্কিন আদালতের রায়ে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার এ রায় দেন সুপ্রিম কোর্ট। দেশটির প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের একটি বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এই রায়ে ছয়জন বিচারক দায়মুক্তি দেওয়ার পক্ষাবলম্বন করেন এবং তিনজন এর বিরোধিতা করেন।
রায়ে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ট্রাম্প যেসব দাপ্তরিক অপরাধমূলক পদক্ষেপ নিয়েছেন, সেসব ক্ষেত্রে দায়মুক্তি পাবেন। তবে প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে যেসব অপতৎপরতা সংশ্লিষ্ট অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে, সেগুলোর ক্ষেত্রে কোনো সুবিধা পাবেন না তিনি।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেওয়ার চেষ্টা, পর্নো তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে মুখ বন্ধ রাখার জন্য ঘুষ প্রদান, কর ফাঁকি ও রাষ্ট্রীয় গোপন নথি নিজ বাড়িতে সরানোর অভিযোগে বেশ কয়েকটি মামলা চলছে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে।
সোমবার সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিয়েছেন সে অনুসারে, নির্বাচনের ফলাফল উল্টে দেওয়ার চেষ্টা ও রাষ্ট্রের গোপন নথি সরানোর জন্য দায়মুক্তি পেতে পারেন ট্রাম্প। কিন্তু স্টর্মি ড্যানিয়েলস এবং কর ফাঁকির মামলায় তা ঘটবে না। এ রায়ের ফলে ২০২০ সালের নির্বাচনের ফলাফল উল্টে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের মামলাটি এখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফের নিম্ন আদালতে চলে যাবে। এত দিন এটি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন ছিল।
সুপ্রিম কোর্টের যে তিন বিচারক এই রায়ে সমর্থন জানানো থেকে বিরত ছিলেন, তাঁদের একজন বিচারপতি সোনিয়া সোটোমেয় বলেন, ‘শুধু প্রেসিডেন্ট পদে থাকার কারণে কোনো ব্যক্তি অপরাধ থেকে দায়মুক্তি পাচ্ছেন—এমনটা এই দেশের ইতিহাসে এর আগে কখনো ঘটেনি। আমার মনে হয়েছে, এই রায় দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পরিপন্থি। তাই আমি এতে সমর্থন জানাইনি।’

যেকোনো ধরনের ফৌজদারি মামলা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আংশিক দায়মুক্তি দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। কেবল ডোনাল্ড ট্রাম্প নন, যুক্তরাষ্ট্রের সব সাবকে প্রেসিডেন্টকেই এই দায়মুক্তির আওতায় আনা হয়েছে সর্বোচ্চ মার্কিন আদালতের রায়ে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার এ রায় দেন সুপ্রিম কোর্ট। দেশটির প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের একটি বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এই রায়ে ছয়জন বিচারক দায়মুক্তি দেওয়ার পক্ষাবলম্বন করেন এবং তিনজন এর বিরোধিতা করেন।
রায়ে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ট্রাম্প যেসব দাপ্তরিক অপরাধমূলক পদক্ষেপ নিয়েছেন, সেসব ক্ষেত্রে দায়মুক্তি পাবেন। তবে প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে যেসব অপতৎপরতা সংশ্লিষ্ট অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে, সেগুলোর ক্ষেত্রে কোনো সুবিধা পাবেন না তিনি।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেওয়ার চেষ্টা, পর্নো তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে মুখ বন্ধ রাখার জন্য ঘুষ প্রদান, কর ফাঁকি ও রাষ্ট্রীয় গোপন নথি নিজ বাড়িতে সরানোর অভিযোগে বেশ কয়েকটি মামলা চলছে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে।
সোমবার সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিয়েছেন সে অনুসারে, নির্বাচনের ফলাফল উল্টে দেওয়ার চেষ্টা ও রাষ্ট্রের গোপন নথি সরানোর জন্য দায়মুক্তি পেতে পারেন ট্রাম্প। কিন্তু স্টর্মি ড্যানিয়েলস এবং কর ফাঁকির মামলায় তা ঘটবে না। এ রায়ের ফলে ২০২০ সালের নির্বাচনের ফলাফল উল্টে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের মামলাটি এখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফের নিম্ন আদালতে চলে যাবে। এত দিন এটি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন ছিল।
সুপ্রিম কোর্টের যে তিন বিচারক এই রায়ে সমর্থন জানানো থেকে বিরত ছিলেন, তাঁদের একজন বিচারপতি সোনিয়া সোটোমেয় বলেন, ‘শুধু প্রেসিডেন্ট পদে থাকার কারণে কোনো ব্যক্তি অপরাধ থেকে দায়মুক্তি পাচ্ছেন—এমনটা এই দেশের ইতিহাসে এর আগে কখনো ঘটেনি। আমার মনে হয়েছে, এই রায় দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পরিপন্থি। তাই আমি এতে সমর্থন জানাইনি।’

উগান্ডার প্রেসিডেন্ট ইয়োয়েরি মুসেভেনির সমর্থকদের কাছে সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে তাঁর বিপুল বিজয় ৪০ বছরের শাসনেরই এক ধরনের স্বীকৃতি। নির্বাচনে তিনি পেয়েছেন ৭২ শতাংশ ভোট। এটি তাঁর সর্বোচ্চ প্রাপ্ত ভোটের কাছাকাছি। ১৯৯৬ সালে উগান্ডার প্রথম সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি পেয়েছিলেন ৭৪ শতাংশ ভোট।
৮ মিনিট আগে
ইন্দোনেশিয়ার উদ্ধারকারীরা নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় সুলাওয়েসি দ্বীপের পাহাড়ি অঞ্চলে পৌঁছানোর সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ওই বিমানে ১১ জন আরোহী ছিলেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ট্রাম্পের হাতেই। এমনটি জানা গেছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে।
৩ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
৪ ঘণ্টা আগে