আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভেনেজুয়েলার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার লক্ষ্যে ক্যারিবীয় সাগরে ‘ওলিনা’ নামের আরও একটি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ইউএস সাউদার্ন কমান্ড জানিয়েছে, কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই জাহাজটিকে তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রুশ তেল পরিবহনের দায়ে জাহাজটির ওপর আগেই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ওয়াশিংটন।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহে এটি যুক্তরাষ্ট্রের জব্দ করা তৃতীয় জাহাজ। এর আগে গত বুধবার উত্তর আটলান্টিক থেকে রাশিয়ার পতাকাবাহী ‘মেরিনেরা’ (বেলা-১) ও ক্যারিবীয় সাগর থেকে ‘এম সোফিয়া’ নামের দুটি জাহাজ জব্দ করা হয়। এর আগে গত ডিসেম্বরে ‘স্কিপার’ ও ‘সেঞ্চুরিস’ নামের আরও দুটি জাহাজ আটক করেছিল মার্কিন বাহিনী। সব মিলিয়ে এ কয়েক দিনের মধ্যে পাঁচটি বড় তেলবাহী জাহাজ এখন মার্কিন নিয়ন্ত্রণে।
উত্তর আটলান্টিক থেকে জব্দ করা ‘মেরিনেরা’ জাহাজের ক্রুদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন বিচার বিভাগ। কোস্ট গার্ডের নির্দেশ অমান্য করার দায়ে তাঁদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হতে পারে। অন্যদিকে রাশিয়া এ ঘটনাকে আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইনের ‘চরম লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করে ক্রুদের মুক্তি দাবি করেছে।
গত শনিবার কারাকাস থেকে ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন কমান্ডোরা তুলে নিয়ে আসার পর ওয়াশিংটন স্পষ্ট করেছে, তারা ভেনেজুয়েলার তেলসম্পদের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চায়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প খোলাখুলিই বলেছেন, এই সামরিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য হলো ভেনেজুয়েলার বিশাল তেলের রিজার্ভ মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া।
আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেলে হোয়াইট হাউসে তেল ও গ্যাস খাতের নির্বাহীদের সঙ্গে তাঁর বৈঠকে বসার কথা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই কর্মকাণ্ডকে আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে ‘অবৈধ সশস্ত্র আগ্রাসন’ বলে অভিহিত করেছেন জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, একতরফা অবরোধ কার্যকর করার জন্য কোনো দেশ এভাবে সশস্ত্র নৌ-অবরোধ চালাতে পারে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভেনেজুয়েলার তেলশিল্পের ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার মার্কিন পরিকল্পনা সে দেশের নাগরিকদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের চরম লঙ্ঘন।
আজ সকালে এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে তেল এবং গ্যাস অবকাঠামো পুনর্নির্মাণের কাজ ‘একযোগে’ করছে। তিনি দাবি করেন, এই সহযোগিতার কারণে তিনি ভেনেজুয়েলায় পূর্বপরিকল্পিত ‘দ্বিতীয় দফার হামলা’ বাতিল করেছেন। তবে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো ওই অঞ্চলে মোতায়েন থাকবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, ওয়াশিংটন ইতিমধ্যে ভেনেজুয়েলাকে রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার চূড়ান্ত আলটিমেটাম দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ভেনেজুয়েলার তেল উত্তোলনে মার্কিন বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি ব্যবহারের পথ পরিষ্কার করতেই ট্রাম্প প্রশাসন এই রণকৌশল নিয়েছে।

ভেনেজুয়েলার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার লক্ষ্যে ক্যারিবীয় সাগরে ‘ওলিনা’ নামের আরও একটি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ইউএস সাউদার্ন কমান্ড জানিয়েছে, কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই জাহাজটিকে তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রুশ তেল পরিবহনের দায়ে জাহাজটির ওপর আগেই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ওয়াশিংটন।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহে এটি যুক্তরাষ্ট্রের জব্দ করা তৃতীয় জাহাজ। এর আগে গত বুধবার উত্তর আটলান্টিক থেকে রাশিয়ার পতাকাবাহী ‘মেরিনেরা’ (বেলা-১) ও ক্যারিবীয় সাগর থেকে ‘এম সোফিয়া’ নামের দুটি জাহাজ জব্দ করা হয়। এর আগে গত ডিসেম্বরে ‘স্কিপার’ ও ‘সেঞ্চুরিস’ নামের আরও দুটি জাহাজ আটক করেছিল মার্কিন বাহিনী। সব মিলিয়ে এ কয়েক দিনের মধ্যে পাঁচটি বড় তেলবাহী জাহাজ এখন মার্কিন নিয়ন্ত্রণে।
উত্তর আটলান্টিক থেকে জব্দ করা ‘মেরিনেরা’ জাহাজের ক্রুদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন বিচার বিভাগ। কোস্ট গার্ডের নির্দেশ অমান্য করার দায়ে তাঁদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হতে পারে। অন্যদিকে রাশিয়া এ ঘটনাকে আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইনের ‘চরম লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করে ক্রুদের মুক্তি দাবি করেছে।
গত শনিবার কারাকাস থেকে ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন কমান্ডোরা তুলে নিয়ে আসার পর ওয়াশিংটন স্পষ্ট করেছে, তারা ভেনেজুয়েলার তেলসম্পদের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ চায়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প খোলাখুলিই বলেছেন, এই সামরিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞার মূল উদ্দেশ্য হলো ভেনেজুয়েলার বিশাল তেলের রিজার্ভ মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া।
আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেলে হোয়াইট হাউসে তেল ও গ্যাস খাতের নির্বাহীদের সঙ্গে তাঁর বৈঠকে বসার কথা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই কর্মকাণ্ডকে আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে ‘অবৈধ সশস্ত্র আগ্রাসন’ বলে অভিহিত করেছেন জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, একতরফা অবরোধ কার্যকর করার জন্য কোনো দেশ এভাবে সশস্ত্র নৌ-অবরোধ চালাতে পারে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভেনেজুয়েলার তেলশিল্পের ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার মার্কিন পরিকল্পনা সে দেশের নাগরিকদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের চরম লঙ্ঘন।
আজ সকালে এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে তেল এবং গ্যাস অবকাঠামো পুনর্নির্মাণের কাজ ‘একযোগে’ করছে। তিনি দাবি করেন, এই সহযোগিতার কারণে তিনি ভেনেজুয়েলায় পূর্বপরিকল্পিত ‘দ্বিতীয় দফার হামলা’ বাতিল করেছেন। তবে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো ওই অঞ্চলে মোতায়েন থাকবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, ওয়াশিংটন ইতিমধ্যে ভেনেজুয়েলাকে রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার চূড়ান্ত আলটিমেটাম দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ভেনেজুয়েলার তেল উত্তোলনে মার্কিন বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি ব্যবহারের পথ পরিষ্কার করতেই ট্রাম্প প্রশাসন এই রণকৌশল নিয়েছে।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৮ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৯ ঘণ্টা আগে