
রূপান্তরিত ওই নারী যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের বাসিন্দা। প্রথমবারের মতো এক ব্যক্তির সঙ্গে ডেটিংয়ে গিয়ে হত্যাচেষ্টার শিকার হন তিনি। পরে প্রেমিকের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী এক সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে বেঁচে গেছেন।
আজ শনিবার এ বিষয়ে এবিসি নিউজের বরাতে এনডিটিভি জানিয়েছে, কর্ডেল স্টুয়ার্ট নামে ২৪ বছর বয়সী কথিত ওই প্রেমিকের সঙ্গে গত সেপ্টেম্বরে একটি ডেটিং অ্যাপে পরিচয় হয়েছিল ২২ বছরের রূপান্তরিত নারী টাইলা স্মিথের। তাঁরা প্রায়ই বার্তা আদান-প্রদান করতেন। পরে স্টুয়ার্টকে নিজের বাসায় আমন্ত্রণ জানান টাইলা।
টাইলা জানান, দেখা হওয়ার আগে স্টুয়ার্টকে তাঁর কখনোই বিপজ্জনক মনে হয়নি। উপরন্তু তাঁকে ভদ্রলোক হিসেবেই মনে হতো। এমনকি দেখা হওয়ার আগেই রূপান্তরিত নারী হওয়ার বিষয়টিও তাঁকে জানানো হয়েছিল।
টাইলার অভিযোগ—ঘটনার দিন বিকেল ৫টার দিকে তাঁর বাসায় হাজির হন স্টুয়ার্ট। এ সময় তাঁর কাঁধে একটি ব্যাকপ্যাক ছিল। পরে তাঁরা একসঙ্গে সিনেমা দেখেন এবং রাতের খাবার গ্রহণ করেন। একপর্যায়ে তাঁরা একে অপরকে চুমু খেতে শুরু করেন। এ সময়ই বদলে যায় পরিস্থিতি। স্টুয়ার্ট টাইলার হাত দুটি কনুই দিয়ে চেপে ধরেন এবং একটি ছুরি বের করে তাঁর গলা কেটে দেওয়ার চেষ্টা করেন।
এ অবস্থায় শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে নিজেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার পাশাপাশি স্টুয়ার্টের সঙ্গে মারামারি শুরু করেন টাইলা। তিনি বলেন, ‘সেই মুহূর্তে আমি ভাবছিলাম—হে ঈশ্বর! যদি তুমি পাল্টা আঘাত না করো তবে তুমি মরতে যাচ্ছো, টাইলা।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি জানি, সে আমাকে হত্যা করতে চাইছিল। ছুরিটা যদি আরেকটু ধার হতো তবে নিশ্চিত আমার মৃত্যু হতো।’
রূপান্তরিত নারী হওয়ার কারণে হামলার ঘটনাটি ঘটেছে—এমনটি মনে করেন না টাইলা। তিনি বলেন, ‘আমি এখনো জানতে চাই, কেন এমনটি ঘটল। আমি তার জন্য রান্না করেছিলাম। খাবারের আগে আমরা একসঙ্গে প্রার্থনা করেছি এবং একে অপরের সঙ্গ উপভোগ করছিলাম। আমরা হাসছিলাম।’
ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারাত্মক হামলার অভিযোগে কথিত প্রেমিক স্টুয়ার্ট বর্তমানে টেক্সাসে অবস্থিত হ্যারিস কাউন্টির একটি জেলে বন্দী আছেন। মারামারির ঘটনায় টাইলার হাত এবং ঘাড়ে বেশ কয়েকটি সেলাই পড়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্টুয়ার্টের বিরুদ্ধে এর আগেও ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ ছিল। ২০২০ সালে জুতা বিক্রি করতে গিয়ে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে।

রূপান্তরিত ওই নারী যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের বাসিন্দা। প্রথমবারের মতো এক ব্যক্তির সঙ্গে ডেটিংয়ে গিয়ে হত্যাচেষ্টার শিকার হন তিনি। পরে প্রেমিকের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী এক সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে বেঁচে গেছেন।
আজ শনিবার এ বিষয়ে এবিসি নিউজের বরাতে এনডিটিভি জানিয়েছে, কর্ডেল স্টুয়ার্ট নামে ২৪ বছর বয়সী কথিত ওই প্রেমিকের সঙ্গে গত সেপ্টেম্বরে একটি ডেটিং অ্যাপে পরিচয় হয়েছিল ২২ বছরের রূপান্তরিত নারী টাইলা স্মিথের। তাঁরা প্রায়ই বার্তা আদান-প্রদান করতেন। পরে স্টুয়ার্টকে নিজের বাসায় আমন্ত্রণ জানান টাইলা।
টাইলা জানান, দেখা হওয়ার আগে স্টুয়ার্টকে তাঁর কখনোই বিপজ্জনক মনে হয়নি। উপরন্তু তাঁকে ভদ্রলোক হিসেবেই মনে হতো। এমনকি দেখা হওয়ার আগেই রূপান্তরিত নারী হওয়ার বিষয়টিও তাঁকে জানানো হয়েছিল।
টাইলার অভিযোগ—ঘটনার দিন বিকেল ৫টার দিকে তাঁর বাসায় হাজির হন স্টুয়ার্ট। এ সময় তাঁর কাঁধে একটি ব্যাকপ্যাক ছিল। পরে তাঁরা একসঙ্গে সিনেমা দেখেন এবং রাতের খাবার গ্রহণ করেন। একপর্যায়ে তাঁরা একে অপরকে চুমু খেতে শুরু করেন। এ সময়ই বদলে যায় পরিস্থিতি। স্টুয়ার্ট টাইলার হাত দুটি কনুই দিয়ে চেপে ধরেন এবং একটি ছুরি বের করে তাঁর গলা কেটে দেওয়ার চেষ্টা করেন।
এ অবস্থায় শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে নিজেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার পাশাপাশি স্টুয়ার্টের সঙ্গে মারামারি শুরু করেন টাইলা। তিনি বলেন, ‘সেই মুহূর্তে আমি ভাবছিলাম—হে ঈশ্বর! যদি তুমি পাল্টা আঘাত না করো তবে তুমি মরতে যাচ্ছো, টাইলা।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি জানি, সে আমাকে হত্যা করতে চাইছিল। ছুরিটা যদি আরেকটু ধার হতো তবে নিশ্চিত আমার মৃত্যু হতো।’
রূপান্তরিত নারী হওয়ার কারণে হামলার ঘটনাটি ঘটেছে—এমনটি মনে করেন না টাইলা। তিনি বলেন, ‘আমি এখনো জানতে চাই, কেন এমনটি ঘটল। আমি তার জন্য রান্না করেছিলাম। খাবারের আগে আমরা একসঙ্গে প্রার্থনা করেছি এবং একে অপরের সঙ্গ উপভোগ করছিলাম। আমরা হাসছিলাম।’
ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারাত্মক হামলার অভিযোগে কথিত প্রেমিক স্টুয়ার্ট বর্তমানে টেক্সাসে অবস্থিত হ্যারিস কাউন্টির একটি জেলে বন্দী আছেন। মারামারির ঘটনায় টাইলার হাত এবং ঘাড়ে বেশ কয়েকটি সেলাই পড়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্টুয়ার্টের বিরুদ্ধে এর আগেও ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ ছিল। ২০২০ সালে জুতা বিক্রি করতে গিয়ে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৭ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৭ ঘণ্টা আগে