আজকের পত্রিকা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিতে সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা সামনে এনেছে। অন্যদিকে ইউরোপ ও কানাডার নেতারা এই আর্কটিক (সুমেরু) অঞ্চলটির পাশে দাঁড়িয়ে বলেছেন, এটি সেখানকার জনগণের নিজস্ব সম্পত্তি। খবর আল জাজিরার
গতকাল মঙ্গলবার হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে বলেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ডেনমার্কের অংশ গ্রিনল্যান্ড দখল করাকে জাতীয় নিরাপত্তার অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছেন, যা ‘আর্কটিক অঞ্চলে আমাদের শত্রুদের প্রতিহত করার জন্য’ প্রয়োজন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর প্রশাসন এই গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক নীতি লক্ষ্য অর্জনে বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা করছেন এবং অবশ্যই, কমান্ড-ইন-চিফ হিসেবে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে কাজে লাগানো তাঁর জন্য সব সময় একটি বিকল্প হিসেবে খোলা আছে।’
দীর্ঘদিনের মিত্র ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ড ছিনিয়ে নেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা ন্যাটো জোটে বড় ধরনের আঘাত হানবে এবং ট্রাম্পের সঙ্গে ইউরোপীয় নেতাদের দূরত্ব আরও বাড়িয়ে দেবে। তবে এই বিরোধিতা ট্রাম্পকে দমাতে পারেনি।
গ্রিনল্যান্ডের প্রতি ট্রাম্পের আগ্রহ প্রথম শুরু হয় ২০১৯ সালে তাঁর প্রথম মেয়াদে। সম্প্রতি কারাকাসে আক্রমণের মাধ্যমে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপহরণ’ করার ঘটনার পর এই বিষয়টি আবার নতুন করে সামনে এসেছে।
এই অভিযানে উৎসাহিত হয়ে ট্রাম্প বলেছেন, ‘পশ্চিম গোলার্ধে আমেরিকার আধিপত্য নিয়ে আর কখনো প্রশ্ন তোলা হবে না।’ তিনি কলম্বিয়া ও কিউবার ওপর চাপ বাড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি আরও যুক্তি দিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণ করা মার্কিন নিরাপত্তার জন্য অত্যাবশ্যক। কারণ, এই দ্বীপটি ‘রুশ এবং চীনা জাহাজে ছেয়ে গেছে’ এবং এটি রক্ষা করার ক্ষমতা ডেনমার্কের নেই।
বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডের জনসংখ্যা মাত্র ৫৭ হাজার এবং তারা বারবার বলেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চায় না। ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার মাঝখানে এর কৌশলগত অবস্থান মার্কিন ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রতিরক্ষাব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি এর খনিজ সম্পদ চীনের ওপর নির্ভরতা কমাতে ওয়াশিংটনের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে পূর্ণতা দিতে পারে।
হোয়াইট হাউসের বিবৃতির পরিপ্রেক্ষিতে ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড, স্পেন এবং যুক্তরাজ্যের নেতারা ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেনের সঙ্গে সুর মিলিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছেন। সেখানে তাঁরা পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে গ্রিনল্যান্ড ‘তার জনগণের।’
তাঁরা বলেন, ‘ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার শুধু ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের এবং কেবল তাদেরই।’ কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিও সমর্থন জানিয়ে ঘোষণা করেছেন যে, ইনুইট বংশোদ্ভূত গভর্নর জেনারেল মেরি সাইমন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দ আগামী মাসের শুরুতে গ্রিনল্যান্ড সফর করবেন।
পৃথক এক বিবৃতিতে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে, সুইডেন এবং ডেনমার্কের উত্তর ইউরোপীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও গ্রিনল্যান্ডের নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারের ওপর জোর দিয়েছেন। তাঁরা উল্লেখ করেছেন, তারা আর্কটিকের নিরাপত্তা রক্ষায় বিনিয়োগ বাড়িয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে পরামর্শ করে আরও কাজ করার প্রস্তাব দিয়েছেন।
পোলিশ প্রধানমন্ত্রী দোনালদ তুস্ক সতর্ক করে বলেছেন, কোনো ন্যাটো সদস্যের বিরুদ্ধে হুমকি জোটের বিশ্বাসযোগ্যতাকে নষ্ট করে। তিনি বলেন, ‘ন্যাটো জোটের কোনো সদস্যের অন্য সদস্যকে আক্রমণ বা হুমকি দেওয়া উচিত নয়। অন্যথায় ন্যাটোর কোনো অর্থ থাকবে না।’
গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেনস-ফ্রেডেরিক নিয়েলসেন ইউরোপীয় নেতাদের সংহতিকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ‘সম্মানজনক সংলাপের’ আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ড রক্ষায় তাদের অক্ষমতার বিষয়ে ট্রাম্পের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। ডেনিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোকে রাসমুসেন বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড চীনা বিনিয়োগে ছেয়ে গেছে বা গ্রিনল্যান্ডের আশেপাশে চীনা যুদ্ধজাহাজ ঘুরছে—আমরা এমন তথ্যের সাথে একমত নই।’ তবে তিনি যোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে এই দ্বীপে আরও বিনিয়োগ করতে পারে। গ্রিনল্যান্ড সরকার জানিয়েছে, তারা এই পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য রাসমুসেনসহ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে জরুরি বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে।
মঙ্গলবার আরও জানা গেছে, লুইজিয়ানার গভর্নর জেফ ল্যান্ড্রি, যাকে ট্রাম্প গত মাসে গ্রিনল্যান্ডের জন্য মার্কিন বিশেষ দূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন, তিনি গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্কের লোক বা ইউরোপীয় কূটনীতিকদের সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহী নন। এর পরিবর্তে তিনি সরাসরি গ্রিনল্যান্ডের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলতে চান। ফক্স নিউজ রেডিওতে তিনি বলেন, ‘আমি তাদের সঙ্গে কথা বলতে চাই, যারা গ্রিনল্যান্ডের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের সুযোগ চায়।’
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল প্রতিবেদন করেছে, মার্কো রুবিও মার্কিন আইনপ্রণেতাদের একটি ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক হুমকির অর্থ এই নয় যে গ্রিনল্যান্ডে এখনই কোনো আক্রমণ হতে যাচ্ছে; বরং লক্ষ্য হলো ডেনমার্কের কাছ থেকে দ্বীপটি কিনে নেওয়া।
হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলার ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব সংক্রান্ত উদ্বেগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি সিএনএনকে বলেন, ’আপনি আন্তর্জাতিক শিষ্টাচার নিয়ে যত খুশি কথা বলতে পারেন, কিন্তু আমরা এক বাস্তব পৃথিবীতে বাস করি যা শক্তি, জোর এবং ক্ষমতা দিয়ে চলে।’
কংগ্রেসের সদস্যরা, এমনকি ট্রাম্পের নিজের দল রিপাবলিকান পার্টির কেউ কেউ এর বিরোধিতা করেছেন। সিনেট ন্যাটো অবজারভার গ্রুপের কো-চেয়ার ডেমোক্র্যাট সিনেটর জিন শাহিন এবং রিপাবলিকান সিনেটর থম টিলিস বলেন, ‘যখন ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ড পরিষ্কার করে দিয়েছে যে গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়, তখন যুক্তরাষ্ট্রের উচিত তার চুক্তির বাধ্যবাধকতা রক্ষা করা এবং ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে সম্মান জানানো।’

যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিতে সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা সামনে এনেছে। অন্যদিকে ইউরোপ ও কানাডার নেতারা এই আর্কটিক (সুমেরু) অঞ্চলটির পাশে দাঁড়িয়ে বলেছেন, এটি সেখানকার জনগণের নিজস্ব সম্পত্তি। খবর আল জাজিরার
গতকাল মঙ্গলবার হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে বলেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ডেনমার্কের অংশ গ্রিনল্যান্ড দখল করাকে জাতীয় নিরাপত্তার অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছেন, যা ‘আর্কটিক অঞ্চলে আমাদের শত্রুদের প্রতিহত করার জন্য’ প্রয়োজন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর প্রশাসন এই গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক নীতি লক্ষ্য অর্জনে বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা করছেন এবং অবশ্যই, কমান্ড-ইন-চিফ হিসেবে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে কাজে লাগানো তাঁর জন্য সব সময় একটি বিকল্প হিসেবে খোলা আছে।’
দীর্ঘদিনের মিত্র ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রিনল্যান্ড ছিনিয়ে নেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা ন্যাটো জোটে বড় ধরনের আঘাত হানবে এবং ট্রাম্পের সঙ্গে ইউরোপীয় নেতাদের দূরত্ব আরও বাড়িয়ে দেবে। তবে এই বিরোধিতা ট্রাম্পকে দমাতে পারেনি।
গ্রিনল্যান্ডের প্রতি ট্রাম্পের আগ্রহ প্রথম শুরু হয় ২০১৯ সালে তাঁর প্রথম মেয়াদে। সম্প্রতি কারাকাসে আক্রমণের মাধ্যমে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপহরণ’ করার ঘটনার পর এই বিষয়টি আবার নতুন করে সামনে এসেছে।
এই অভিযানে উৎসাহিত হয়ে ট্রাম্প বলেছেন, ‘পশ্চিম গোলার্ধে আমেরিকার আধিপত্য নিয়ে আর কখনো প্রশ্ন তোলা হবে না।’ তিনি কলম্বিয়া ও কিউবার ওপর চাপ বাড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি আরও যুক্তি দিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণ করা মার্কিন নিরাপত্তার জন্য অত্যাবশ্যক। কারণ, এই দ্বীপটি ‘রুশ এবং চীনা জাহাজে ছেয়ে গেছে’ এবং এটি রক্ষা করার ক্ষমতা ডেনমার্কের নেই।
বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডের জনসংখ্যা মাত্র ৫৭ হাজার এবং তারা বারবার বলেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চায় না। ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার মাঝখানে এর কৌশলগত অবস্থান মার্কিন ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রতিরক্ষাব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি এর খনিজ সম্পদ চীনের ওপর নির্ভরতা কমাতে ওয়াশিংটনের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে পূর্ণতা দিতে পারে।
হোয়াইট হাউসের বিবৃতির পরিপ্রেক্ষিতে ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড, স্পেন এবং যুক্তরাজ্যের নেতারা ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেনের সঙ্গে সুর মিলিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছেন। সেখানে তাঁরা পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে গ্রিনল্যান্ড ‘তার জনগণের।’
তাঁরা বলেন, ‘ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার শুধু ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের এবং কেবল তাদেরই।’ কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিও সমর্থন জানিয়ে ঘোষণা করেছেন যে, ইনুইট বংশোদ্ভূত গভর্নর জেনারেল মেরি সাইমন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দ আগামী মাসের শুরুতে গ্রিনল্যান্ড সফর করবেন।
পৃথক এক বিবৃতিতে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে, সুইডেন এবং ডেনমার্কের উত্তর ইউরোপীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও গ্রিনল্যান্ডের নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারের ওপর জোর দিয়েছেন। তাঁরা উল্লেখ করেছেন, তারা আর্কটিকের নিরাপত্তা রক্ষায় বিনিয়োগ বাড়িয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে পরামর্শ করে আরও কাজ করার প্রস্তাব দিয়েছেন।
পোলিশ প্রধানমন্ত্রী দোনালদ তুস্ক সতর্ক করে বলেছেন, কোনো ন্যাটো সদস্যের বিরুদ্ধে হুমকি জোটের বিশ্বাসযোগ্যতাকে নষ্ট করে। তিনি বলেন, ‘ন্যাটো জোটের কোনো সদস্যের অন্য সদস্যকে আক্রমণ বা হুমকি দেওয়া উচিত নয়। অন্যথায় ন্যাটোর কোনো অর্থ থাকবে না।’
গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেনস-ফ্রেডেরিক নিয়েলসেন ইউরোপীয় নেতাদের সংহতিকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ‘সম্মানজনক সংলাপের’ আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ড রক্ষায় তাদের অক্ষমতার বিষয়ে ট্রাম্পের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। ডেনিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোকে রাসমুসেন বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড চীনা বিনিয়োগে ছেয়ে গেছে বা গ্রিনল্যান্ডের আশেপাশে চীনা যুদ্ধজাহাজ ঘুরছে—আমরা এমন তথ্যের সাথে একমত নই।’ তবে তিনি যোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে এই দ্বীপে আরও বিনিয়োগ করতে পারে। গ্রিনল্যান্ড সরকার জানিয়েছে, তারা এই পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য রাসমুসেনসহ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে জরুরি বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে।
মঙ্গলবার আরও জানা গেছে, লুইজিয়ানার গভর্নর জেফ ল্যান্ড্রি, যাকে ট্রাম্প গত মাসে গ্রিনল্যান্ডের জন্য মার্কিন বিশেষ দূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন, তিনি গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্কের লোক বা ইউরোপীয় কূটনীতিকদের সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহী নন। এর পরিবর্তে তিনি সরাসরি গ্রিনল্যান্ডের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলতে চান। ফক্স নিউজ রেডিওতে তিনি বলেন, ‘আমি তাদের সঙ্গে কথা বলতে চাই, যারা গ্রিনল্যান্ডের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের সুযোগ চায়।’
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল প্রতিবেদন করেছে, মার্কো রুবিও মার্কিন আইনপ্রণেতাদের একটি ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক হুমকির অর্থ এই নয় যে গ্রিনল্যান্ডে এখনই কোনো আক্রমণ হতে যাচ্ছে; বরং লক্ষ্য হলো ডেনমার্কের কাছ থেকে দ্বীপটি কিনে নেওয়া।
হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলার ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব সংক্রান্ত উদ্বেগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি সিএনএনকে বলেন, ’আপনি আন্তর্জাতিক শিষ্টাচার নিয়ে যত খুশি কথা বলতে পারেন, কিন্তু আমরা এক বাস্তব পৃথিবীতে বাস করি যা শক্তি, জোর এবং ক্ষমতা দিয়ে চলে।’
কংগ্রেসের সদস্যরা, এমনকি ট্রাম্পের নিজের দল রিপাবলিকান পার্টির কেউ কেউ এর বিরোধিতা করেছেন। সিনেট ন্যাটো অবজারভার গ্রুপের কো-চেয়ার ডেমোক্র্যাট সিনেটর জিন শাহিন এবং রিপাবলিকান সিনেটর থম টিলিস বলেন, ‘যখন ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ড পরিষ্কার করে দিয়েছে যে গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়, তখন যুক্তরাষ্ট্রের উচিত তার চুক্তির বাধ্যবাধকতা রক্ষা করা এবং ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে সম্মান জানানো।’

রেনেসাঁ যুগের মহাবিস্ময় লিওনার্দো দা ভিঞ্চির সঙ্গে যুক্ত একটি শিল্পকর্মে তাঁর ডিএনএ–এর সম্ভাব্য উপস্থিতির দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। দীর্ঘ এক দশকের গবেষণার ফল হিসেবে এই আবিষ্কারকে তাঁরা ‘উল্লেখযোগ্য মাইলফলক’ হিসেবে দেখছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপ এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো চেষ্টা চালানো হলে কঠোর ও চূড়ান্ত জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। গতকাল মঙ্গলবার দেশটির নবগঠিত ‘ইরানি প্রতিরক্ষা পরিষদ’ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরান কেবল আক্রান্ত হওয়ার পর পাল্টা জবাব দেওয়ার নীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং
৮ ঘণ্টা আগে
সিরিয়ার বৃহত্তম শহর আলেপ্পোতে সরকারি বাহিনী ও কুর্দি যোদ্ধাদের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘর্ষ আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। টানা দ্বিতীয় দিনের এই লড়াইয়ে আজ বুধবার পর্যন্ত দুই নারী-শিশুসহ অন্তত ১০ জন প্রাণ হারিয়েছে। এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ।
৮ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, চীন ও রাশিয়া শুধু যুক্তরাষ্ট্রকেই ভয় ও সম্মান করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি ন্যাটো, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং নিজের ভূমিকা নিয়ে একাধিক দাবি করেন।
৮ ঘণ্টা আগে