আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শরিফুল এম খান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। তিনি সম্প্রতি মার্কিন বিমানবাহিনীতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। এই সম্মানজনক পদমর্যাদা অর্জনকারী প্রথম এবং একমাত্র বাংলাদেশি-আমেরিকান তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত জুন মাসে যেসব সামরিক কর্মকর্তাকে পদোন্নতির জন্য মনোনীত করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে শরিফুল খান একজন।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের ১৩ জুনের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই পদোন্নতির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ৫৫ জন সামরিক কর্মকর্তাকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে উন্নীত করার জন্য অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ২০ আগস্ট পেন্টাগনে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শরিফুল খান ও পদোন্নতিপ্রাপ্ত অন্যদের অভিষেক হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম রাষ্ট্রদূত এম. ওসমান সিদ্দিক। সাবেক এই রাষ্ট্রদূত এক্স হ্যান্ডলে এক পোস্টে আনন্দ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, মার্কিন বিমান বাহিনীর ভাইস চিফ জেনারেল শন ব্র্যাটোন নিজে শরিফুল খানকে শপথবাক্য পাঠ করান।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ওসমান সিদ্দিক এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘গতকাল পেন্টাগনে কর্নেল শরিফুল খানের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে পদোন্নতি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার সৌভাগ্য এবং সম্মান আমার হয়েছে। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ বাহিনীর মহাকাশ অভিযানের ভাইস চিফ জেনারেল শন ব্র্যাটন। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খান পেন্টাগনে গোল্ডেন ডোমের ডিরেক্টর অব স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই পদে তিনি গোল্ডেন ডোমের সব উদ্যোগের নীতি, পরিকল্পনা, অবস্থান এবং আন্তঃকার্যকরী বিষয়গুলো সমন্বয় করেন।’
বাংলাদেশে জন্মগ্রহণকারী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খান হলেন প্রথম এবং একমাত্র বাংলাদেশি-আমেরিকান, যিনি মার্কিন সেনাবাহিনীতে এই পদমর্যাদা অর্জন করেছেন। আমাদের দেশের প্রতি তাঁর আনুগত্য, নিষ্ঠা এবং সেবার জন্য আমি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খানকে অভিনন্দন জানাই।'
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরিফুল খানের বর্তমান দায়িত্ব ‘গোল্ডেন ডোম ফর আমেরিকার’ স্টাফ ডিরেক্টর হিসেবে। এই পদে তিনি বহুস্তরের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থার জন্য সব উদ্যোগের কৌশল, নীতি, পরিকল্পনা, অবস্থান এবং আন্তবিভাগীয় বিষয়গুলো সমন্বয় করবেন। তাঁর কাজের মধ্যে রয়েছে শিল্প খাত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জাতীয় গবেষণাগার এবং অন্যান্য সরকারি সংস্থার সঙ্গে অংশীদারত্ব স্থাপন। এটি পরবর্তী প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দ্রুত তৈরি এবং কার্যকর করতে সহায়ক হবে।
১৯৯৭ সালে শরিফুল খান ইউনাইটেড স্টেটস এয়ার ফোর্স একাডেমি থেকে কমিশন লাভ করেন এবং রাজনৈতিক বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি মহাকাশ ব্যবস্থা, নিয়ন্ত্রণ ও উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করার মাধ্যমে একজন দক্ষ স্যাটেলাইট অপারেটর হিসেবে অভিজ্ঞতা লাভ করেন। কর্মজীবনে তিনি একাধিক মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে কৌশলগত বুদ্ধিমত্তা, সামরিক কৌশল এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও কৌশলগত অধ্যয়ন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি। তিনি কুয়েতের আলী আল সালেম বিমানঘাঁটিতে ২০০১ সালে এবং ২০০৭ সালে ‘অপারেশন সাইলেন্ট সেন্ট্রি’র ডিপ্লয়মেন্ট কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন উচ্চ পদে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি তিনি ডিফেন্স মেরিটোরিয়াস সার্ভিস মেডেল এবং মেরিটোরিয়াস সার্ভিস মেডেলসহ অসংখ্য সামরিক পদক ও সম্মাননা লাভ করেছেন।

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শরিফুল এম খান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। তিনি সম্প্রতি মার্কিন বিমানবাহিনীতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। এই সম্মানজনক পদমর্যাদা অর্জনকারী প্রথম এবং একমাত্র বাংলাদেশি-আমেরিকান তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত জুন মাসে যেসব সামরিক কর্মকর্তাকে পদোন্নতির জন্য মনোনীত করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে শরিফুল খান একজন।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের ১৩ জুনের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই পদোন্নতির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ৫৫ জন সামরিক কর্মকর্তাকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে উন্নীত করার জন্য অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ২০ আগস্ট পেন্টাগনে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শরিফুল খান ও পদোন্নতিপ্রাপ্ত অন্যদের অভিষেক হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম রাষ্ট্রদূত এম. ওসমান সিদ্দিক। সাবেক এই রাষ্ট্রদূত এক্স হ্যান্ডলে এক পোস্টে আনন্দ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, মার্কিন বিমান বাহিনীর ভাইস চিফ জেনারেল শন ব্র্যাটোন নিজে শরিফুল খানকে শপথবাক্য পাঠ করান।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ওসমান সিদ্দিক এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘গতকাল পেন্টাগনে কর্নেল শরিফুল খানের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে পদোন্নতি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার সৌভাগ্য এবং সম্মান আমার হয়েছে। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ বাহিনীর মহাকাশ অভিযানের ভাইস চিফ জেনারেল শন ব্র্যাটন। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খান পেন্টাগনে গোল্ডেন ডোমের ডিরেক্টর অব স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই পদে তিনি গোল্ডেন ডোমের সব উদ্যোগের নীতি, পরিকল্পনা, অবস্থান এবং আন্তঃকার্যকরী বিষয়গুলো সমন্বয় করেন।’
বাংলাদেশে জন্মগ্রহণকারী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খান হলেন প্রথম এবং একমাত্র বাংলাদেশি-আমেরিকান, যিনি মার্কিন সেনাবাহিনীতে এই পদমর্যাদা অর্জন করেছেন। আমাদের দেশের প্রতি তাঁর আনুগত্য, নিষ্ঠা এবং সেবার জন্য আমি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খানকে অভিনন্দন জানাই।'
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরিফুল খানের বর্তমান দায়িত্ব ‘গোল্ডেন ডোম ফর আমেরিকার’ স্টাফ ডিরেক্টর হিসেবে। এই পদে তিনি বহুস্তরের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থার জন্য সব উদ্যোগের কৌশল, নীতি, পরিকল্পনা, অবস্থান এবং আন্তবিভাগীয় বিষয়গুলো সমন্বয় করবেন। তাঁর কাজের মধ্যে রয়েছে শিল্প খাত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জাতীয় গবেষণাগার এবং অন্যান্য সরকারি সংস্থার সঙ্গে অংশীদারত্ব স্থাপন। এটি পরবর্তী প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সক্ষমতা দ্রুত তৈরি এবং কার্যকর করতে সহায়ক হবে।
১৯৯৭ সালে শরিফুল খান ইউনাইটেড স্টেটস এয়ার ফোর্স একাডেমি থেকে কমিশন লাভ করেন এবং রাজনৈতিক বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি মহাকাশ ব্যবস্থা, নিয়ন্ত্রণ ও উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করার মাধ্যমে একজন দক্ষ স্যাটেলাইট অপারেটর হিসেবে অভিজ্ঞতা লাভ করেন। কর্মজীবনে তিনি একাধিক মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে কৌশলগত বুদ্ধিমত্তা, সামরিক কৌশল এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও কৌশলগত অধ্যয়ন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি। তিনি কুয়েতের আলী আল সালেম বিমানঘাঁটিতে ২০০১ সালে এবং ২০০৭ সালে ‘অপারেশন সাইলেন্ট সেন্ট্রি’র ডিপ্লয়মেন্ট কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন উচ্চ পদে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি তিনি ডিফেন্স মেরিটোরিয়াস সার্ভিস মেডেল এবং মেরিটোরিয়াস সার্ভিস মেডেলসহ অসংখ্য সামরিক পদক ও সম্মাননা লাভ করেছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য একটি বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এটি ইসরায়েলের হাতে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চলমান গণহত্যা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তুরস্কের সংবাদ সংস্থা টিআরটি গ্লোবালের প্রতিবেদন থেকে এ
৯ মিনিট আগে
ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে—ইরানে আরেক দফা হামলার ক্ষেত্রে সময় তাদের অনুকূলে রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে পরিস্থিতির উত্তেজনার পারদ কখনো বাড়িয়ে আবার কখনো কমিয়ে ‘এসক্যালেশন ল্যাডারে’ উত্তেজনার সিঁড়িতে অবস্থান করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থাৎ, ধীরে ধীরে পরিস্থিতিকে অগ্নিগর্ভ করে...
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা অনুযায়ী গাজা সংঘাত নিরসনে হামাসের সঙ্গে ২০ দফার যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অগ্রগতির মধ্যেই গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় গত বুধবার মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি শুরুর ঘোষণা দেন।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন।
১০ ঘণ্টা আগে