
যুক্তরাষ্ট্রের গত সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ আঘাত হানে দেশটির ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী হারিকেন ‘হেলেন’। ক্যাটাগরি ৪–এর এই ঘূর্ণিঝড় যখন ব্যাপক তাণ্ডব চালাচ্ছিল, তখন দেশটির নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের হাজার হাজার বাসিন্দা তাৎক্ষণিক খবরাখবর নিতে তাকিয়ে ছিলেন ২১ বছর বয়সী তরুণ ইথান ক্লার্কের দিকে। কারণ, নর্থ ক্যারোলাইনা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইথান অনবরত এই ঘূর্ণিঝড়ের যাত্রাপথ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের ফেসবুক পেজের মাধ্যমে সতর্ক করে যাচ্ছিলেন।
নর্থ ক্যারোলাইনা’স ওয়েদার অথোরিটি নামের প্রায় ৬ লাখ ফলোয়ারের একটি ফেসবুক পেজ চালান ইথান। পেজটিতে লাইকের সংখ্যা ৪ লাখ। ঘূর্ণিঝড়টি নিয়ে গত ২৫ সেপ্টেম্বর পেজটিতে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। ভিডিওটির শুরুতেই ইথান বলেন, ‘হেলেন পশ্চিম উত্তর ক্যারোলাইনাতে ভয়াবহ আকস্মিক প্লাবন বয়ে আনবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে...এই ভিডিওটিতে পুরো বিষয়টির ব্যাখ্যা করতে যাচ্ছি।’ ভিডিওটিতে ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কিত কিছু গ্রাফিকসও যুক্ত করেছিলেন ইথান।
হেলেনের আঘাতে দুইশর বেশি মানুষ নিহত হয়। তবে ইথানের ধারাবাহিক পূর্বাভাসের কারণে বেঁচে যায় অনেকের জীবন। বেঁচে যাওয়া এ মানুষগুলো তাই ইথানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেও ভোলেননি। তাঁর ভিডিও পোস্টটিতে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘কীভাবে আমরা এমন সঠিক পূর্বাভাস এবং পরিস্থিতির বিস্তারিত তুলে ধরার জন্য আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারি?’ আরেকজন লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ, ইথান, সব সময় আমাদের যত্ন নেওয়ার জন্য!’
আবহাওয়ার এই পূর্বাভাস দেওয়ার কাজটি ইথান অবশ্য এবারই প্রথম করেছেন এমন নয়; ২০১৬ সাল থেকেই তিনি কাজটি নিষ্ঠার সঙ্গে করে আসছেন। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৭। ওই বয়সেই ‘ইথান’স ওয়েদার’ নামে একটি ফেসবুক পেজ খুলে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়ে আসছিলেন। তাঁর সেই প্রয়াসই এখন ৪ লাখেরও বেশি মানুষের নিরাপদ জীবনের উপলক্ষ হয়ে উঠেছে। পেজটি এখন তাঁদের প্রাকৃতিক দুর্যোগের তথ্য পাওয়ার একটি বিশ্বস্ত মাধ্যম। তাই ইথান যখনই কোনো পদক্ষেপ নিতে বলেন, তাঁর পেজের অনেক অনুসারীই সেটি মেনে চলেন। তাঁর পরামর্শ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তাঁরা পালন করেন।
এমন এক অনুসারীর কথা স্মরণ করে ইথান যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম টুডে ডটকমকে বলেন, ‘এক নারী আমাকে বলেছিলেন, তিনি আমার ভিডিও দেখে তাঁর বাবা–মাকে শহর ছাড়তে বলেছিলেন। তা না হলে তাঁরা আজ বেঁচে থাকতেন না। ঝড় ও বন্যায় তাঁদের বাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে।’
তবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়ার এসব কাজের জন্য ইথান কোনো অর্থ বা সুবিধা নেন না। তিনি শুধু চান, যেকোনো বিপদে কেউ আতঙ্কিত না হয়ে যেন নিরাপদে থাকার চেষ্টা করে।
তিনি বলেন, ‘টানা নয় বছর ধরে, আমি প্রতিদিন পূর্বাভাস নিয়ে কিছু না কিছু পোস্ট করছি। আবহাওয়ার এসব পূর্বাভাস দেওয়ার সময় আমি কাউকে ভয় দেখাতে চাই না। কারণ এতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। এই ঝড়ের ক্ষেত্রেও আমি এমনটিই করেছি এবং মনে হচ্ছে কিছু মানুষ আমার সতর্কবার্তা মেনে চলেছে। মানুষকে সাহায্য করতে আমার ভালো লাগে।’
ইথানের পূর্বাভাসে অনেক মানুষের জীবন রক্ষা ও ক্ষয়ক্ষতি কমে গেলেও নর্থ ক্যারোলাইনার ম্যাকডোয়েল কাউন্টিতে বসবাসরত তাঁর দাদার বাড়ি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।
ইথান জানান, তাঁর পরিবার সৌভাগ্যবশত রক্ষা পেলেও, তাঁর অনেক বন্ধু এবং প্রতিবেশী এতটা ভাগ্যবান ছিলেন না।
‘আমার পরিবারের কেউ মারা যায়নি, তবে আমার অনেক বন্ধু এবং পরিবার ও তাদের বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে’, বলেন ইথান। হারিকেন হেলেন চলে গেলেও ইথান ভবিষ্যতে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিবেশী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় পূর্বাভাস দিতে কখনো কসুর করবেন না!

যুক্তরাষ্ট্রের গত সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ আঘাত হানে দেশটির ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী হারিকেন ‘হেলেন’। ক্যাটাগরি ৪–এর এই ঘূর্ণিঝড় যখন ব্যাপক তাণ্ডব চালাচ্ছিল, তখন দেশটির নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের হাজার হাজার বাসিন্দা তাৎক্ষণিক খবরাখবর নিতে তাকিয়ে ছিলেন ২১ বছর বয়সী তরুণ ইথান ক্লার্কের দিকে। কারণ, নর্থ ক্যারোলাইনা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইথান অনবরত এই ঘূর্ণিঝড়ের যাত্রাপথ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের ফেসবুক পেজের মাধ্যমে সতর্ক করে যাচ্ছিলেন।
নর্থ ক্যারোলাইনা’স ওয়েদার অথোরিটি নামের প্রায় ৬ লাখ ফলোয়ারের একটি ফেসবুক পেজ চালান ইথান। পেজটিতে লাইকের সংখ্যা ৪ লাখ। ঘূর্ণিঝড়টি নিয়ে গত ২৫ সেপ্টেম্বর পেজটিতে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। ভিডিওটির শুরুতেই ইথান বলেন, ‘হেলেন পশ্চিম উত্তর ক্যারোলাইনাতে ভয়াবহ আকস্মিক প্লাবন বয়ে আনবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে...এই ভিডিওটিতে পুরো বিষয়টির ব্যাখ্যা করতে যাচ্ছি।’ ভিডিওটিতে ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কিত কিছু গ্রাফিকসও যুক্ত করেছিলেন ইথান।
হেলেনের আঘাতে দুইশর বেশি মানুষ নিহত হয়। তবে ইথানের ধারাবাহিক পূর্বাভাসের কারণে বেঁচে যায় অনেকের জীবন। বেঁচে যাওয়া এ মানুষগুলো তাই ইথানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেও ভোলেননি। তাঁর ভিডিও পোস্টটিতে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘কীভাবে আমরা এমন সঠিক পূর্বাভাস এবং পরিস্থিতির বিস্তারিত তুলে ধরার জন্য আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারি?’ আরেকজন লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ, ইথান, সব সময় আমাদের যত্ন নেওয়ার জন্য!’
আবহাওয়ার এই পূর্বাভাস দেওয়ার কাজটি ইথান অবশ্য এবারই প্রথম করেছেন এমন নয়; ২০১৬ সাল থেকেই তিনি কাজটি নিষ্ঠার সঙ্গে করে আসছেন। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৭। ওই বয়সেই ‘ইথান’স ওয়েদার’ নামে একটি ফেসবুক পেজ খুলে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়ে আসছিলেন। তাঁর সেই প্রয়াসই এখন ৪ লাখেরও বেশি মানুষের নিরাপদ জীবনের উপলক্ষ হয়ে উঠেছে। পেজটি এখন তাঁদের প্রাকৃতিক দুর্যোগের তথ্য পাওয়ার একটি বিশ্বস্ত মাধ্যম। তাই ইথান যখনই কোনো পদক্ষেপ নিতে বলেন, তাঁর পেজের অনেক অনুসারীই সেটি মেনে চলেন। তাঁর পরামর্শ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তাঁরা পালন করেন।
এমন এক অনুসারীর কথা স্মরণ করে ইথান যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম টুডে ডটকমকে বলেন, ‘এক নারী আমাকে বলেছিলেন, তিনি আমার ভিডিও দেখে তাঁর বাবা–মাকে শহর ছাড়তে বলেছিলেন। তা না হলে তাঁরা আজ বেঁচে থাকতেন না। ঝড় ও বন্যায় তাঁদের বাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে।’
তবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়ার এসব কাজের জন্য ইথান কোনো অর্থ বা সুবিধা নেন না। তিনি শুধু চান, যেকোনো বিপদে কেউ আতঙ্কিত না হয়ে যেন নিরাপদে থাকার চেষ্টা করে।
তিনি বলেন, ‘টানা নয় বছর ধরে, আমি প্রতিদিন পূর্বাভাস নিয়ে কিছু না কিছু পোস্ট করছি। আবহাওয়ার এসব পূর্বাভাস দেওয়ার সময় আমি কাউকে ভয় দেখাতে চাই না। কারণ এতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। এই ঝড়ের ক্ষেত্রেও আমি এমনটিই করেছি এবং মনে হচ্ছে কিছু মানুষ আমার সতর্কবার্তা মেনে চলেছে। মানুষকে সাহায্য করতে আমার ভালো লাগে।’
ইথানের পূর্বাভাসে অনেক মানুষের জীবন রক্ষা ও ক্ষয়ক্ষতি কমে গেলেও নর্থ ক্যারোলাইনার ম্যাকডোয়েল কাউন্টিতে বসবাসরত তাঁর দাদার বাড়ি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।
ইথান জানান, তাঁর পরিবার সৌভাগ্যবশত রক্ষা পেলেও, তাঁর অনেক বন্ধু এবং প্রতিবেশী এতটা ভাগ্যবান ছিলেন না।
‘আমার পরিবারের কেউ মারা যায়নি, তবে আমার অনেক বন্ধু এবং পরিবার ও তাদের বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে’, বলেন ইথান। হারিকেন হেলেন চলে গেলেও ইথান ভবিষ্যতে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিবেশী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় পূর্বাভাস দিতে কখনো কসুর করবেন না!

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ ও আটকের ঘটনাকে স্বাগত জানিয়েছে ইসরায়েল। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সার এই অভিযানকে বিশ্ব রাজনীতির একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন বাহিনীর হাতে আটক হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর প্রথম ছবি প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) ট্রাম্পের ট্রুথ সোশ্যালে প্রকাশিত ওই ছবিতে মাদুরোকে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজের ডেকে বন্দী অবস্থায় দেখা যায়।
১ ঘণ্টা আগে
১৯৭০-এর দশকে বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার জন্য একটি বিশেষায়িত ইউনিটের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে পেন্টাগন। ভিয়েতনাম যুদ্ধের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্নেল চার্লস বেকউইথ ব্রিটিশ বিশেষ বাহিনী ‘এসএএস’-এর আদলে ১৯৭৭ সালে এই ডেল্টা ফোর্স গঠন করেন। উত্তর ক্যারোলিনার ফোর্ট ব্র্যাগে এর প্রধান কার্যালয়।
৩ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলায় বড় ধরনের সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটি সত্য হলে সবার দৃষ্টি নিবদ্ধ হবে একটি প্রশ্নে— ভেনেজুয়েলার শাসনভার এখন কার হাতে।
৩ ঘণ্টা আগে