
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যা করার জন্য ইরান নতুন পরিকল্পনা করছে—এমনটাই দাবি করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই বিষয়ে নতুন কিছু গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করেছে। এই বিষয়ে অবগত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, এই তথ্যটি যদি সত্যি প্রমাণিত হয় তবে তা ওয়াশিংটন এবং ইরানের মধ্যকার চলমান যুদ্ধকে আরও তীব্র করে তুলবে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের খবরে বলা হয়েছে, ইরান ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির প্রথম মেয়াদে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করে আসছে বহু বছর ধরে।
ওয়াশিংটনে অবস্থিত ইসরায়েলি দূতাবাস এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। জাতিসংঘে থাকা ইরানের মিশন তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি। হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে বুধবার প্রেসিডেন্টের দেওয়া বক্তব্যের দিকে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে নির্দেশ করেছে (অর্থাৎ নতুন করে কিছু না বলে বুধবারের বক্তব্য দেখতে বলেছে)।
গত বুধবার তুরস্কের আঙ্কারায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প তার জীবনের হুমকির দিকে ইঙ্গিত করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘তারা মার্কিন নেতাকে—অর্থাৎ আমাকে—সরিয়ে দিতে চায়। আমি তাদের প্রতিটি তালিকায় আছি। আজ সকালে দেখলাম, আমি তাদের প্রতিটি তালিকায় এক নম্বরে আছি। এ পর্যন্ত, আমি মনে করি আমার ভাগ্যটা কিছুটা ভালো ছিল, তবে তা হয়তো খুব বেশিদিন টিকবে না।’
ইরান যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে স্বার্থের ভিন্নতা দেখা দেওয়ায় সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যকার সম্পর্ক ফাটল ধরেছে।
নেতানিয়াহু ইরানের ওপর হামলা অব্যাহত রাখার এবং যুদ্ধের আরও লক্ষ্য অর্জনের পক্ষে ওকালতি করে আসছেন। অন্যদিকে ট্রাম্প এই সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছেন, কারণ তার আশঙ্কা এটি বিশ্ব অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত মাসে ইরানের সঙ্গে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চুক্তি করেছিল।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অনুসারে, ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহু বৃহস্পতিবার কথা বলেছেন। তাদের কার্যালয় জানিয়েছে যে তারা দুই দেশের মধ্যে ‘সমন্বয়’ বজায় রাখতে সম্মত হয়েছেন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ট্রাম্প পারস্য উপসাগরে সাম্প্রতিক মার্কিন কার্যক্রম সম্পর্কেও নেতানিয়াহুকে অবহিত করেছেন।
নিহত ইরানি সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির জানাজায় অংশ নেওয়া শোকগ্রস্ত ইরানিরা ট্রাম্পের মৃত্যু চেয়ে স্লোগান দেয়। সেখানে উপস্থিত লোকজন ‘আমরা ট্রাম্পকে হত্যা করব’ লেখা ব্যানারও প্রদর্শন করে।
ইরানের সাথে যুদ্ধ শুরুর দিকে ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহু ঘনঘন কথা বলতেন। নেতানিয়াহু গভীর রাতের ফোনালাপে প্রেসিডেন্টকে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু এবং ইসরায়েলি গোয়েন্দা তথ্য সম্পর্কে জানাতেন বলে দ্য জার্নাল এর আগে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। এই দুই নেতা এখনও কথা বলা চালিয়ে যাচ্ছেন, তবে বেশ কয়েকটি উত্তপ্ত ফোনালাপের মাধ্যমে তাদের সম্পর্কের টানাপোড়েনের লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে থেমে থেমে চলতে থাকা পারস্পরিক হামলা চলা সত্ত্বেও পরিস্থিতি শান্ত বা উত্তেজনা হ্রাস করার চেষ্টা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তারা দেশটির সংবাদমাধ্যম এক্সিওসকে এই তথ্য জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রচেষ্টায় যুক্ত আছে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ জানাজা পড়িয়েছেন শিয়া বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ও প্রবীণ ধর্মীয় পণ্ডিত ১০১ বছর বয়সী গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ হোসেইন নূরি হামেদানি। আজ বৃহস্পতিবার ইরানের পবিত্র নগরী মাশহাদের ইমাম রেজা মাজারে খামেনির দাফন সম্পন্ন করার আগে...
১১ ঘণ্টা আগে
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার তাঁর জন্মভূমি ও শিয়া সম্প্রদায়ের অন্যতম পবিত্র নগরী মাশহাদের ইমাম রেজা মাজারে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়...
১২ ঘণ্টা আগে
চীনের পূর্বাঞ্চলীয় ফুজিয়ান প্রদেশের একটি জুতার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া। অগ্নিকাণ্ডের পরপরই উদ্ধার তৎপরতা জোরদার ও আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার...
১৩ ঘণ্টা আগে