
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র। একই সঙ্গে তিনি ট্রাম্পকে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।
৭০ বছর বয়সী রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র দীর্ঘ সময় ধরে ডেমোক্রেটিক পার্টির রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। শুক্রবার অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের ফিনিক্স শহরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে আমার জয়লাভের কোনো বাস্তব সম্ভাবনা আছে বলে আমি আর মনে করি না।’
মার্কিন এই রাজনীতিবিদ কমলা হ্যারিসের সমালোচনা করেছেন। ডেমেক্রেটিক পার্টি তাঁকে প্রেসিডেন্ট পদে বেছে নেওয়ার কারণে তিনি এই সমালোচনা করেন। কারণ তাঁকে কোনো ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হয়নি। এ ছাড়া সাবেক দলের প্রতি নানা অসন্তোষের কথা জানিয়ে কেনেডি বলেন, ‘এসব কারণেই আমি ট্রাম্পকে সমর্থন দেব।’
এদিকে রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র ট্রাম্পকে সমর্থন দেওয়ায় চটেছেন তার বোন কেরি কেনেডি। এক্স হ্যান্ডলে এই মানবাধিকারকর্মী লিখেছেন, ‘আমাদের ভাই ট্রাম্পকে সমর্থন দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা আমাদের বাবা ও পরিবারের আদর্শের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা। এর মধ্য দিয়ে একটি বেদনাদায়ক গল্প আরও বেদনাদায়ক হলো।’
কেনেডির এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প এই সিদ্ধান্তকে অভূতপূর্ব ও উজ্জ্বল বলে মন্তব্য করেছেন। এ ছাড়া অ্যারিজোনার গ্লানডেলে আয়োজিত এক নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্প কেনেডিকে মঞ্চে ডেকে নেন।
ডেমোক্রেটিক দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী কমলা হ্যারিস বলেছেন, তিনি কেনেডির সমর্থকদের ভোট ডেমোক্রেটের ব্যালটে টানতে সমর্থ হবেন।
ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কমিটির সিনিয়র উপদেষ্টা মেরি বেথ কাহিল এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন কোনো অনুমোদন পাচ্ছেন না, যা সমর্থন তৈরিতে সাহায্য করবে। তিনি একজন ব্যর্থ প্রার্থীর লাগেজ টানতে যাচ্ছেন।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র। একই সঙ্গে তিনি ট্রাম্পকে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।
৭০ বছর বয়সী রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র দীর্ঘ সময় ধরে ডেমোক্রেটিক পার্টির রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। শুক্রবার অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের ফিনিক্স শহরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে আমার জয়লাভের কোনো বাস্তব সম্ভাবনা আছে বলে আমি আর মনে করি না।’
মার্কিন এই রাজনীতিবিদ কমলা হ্যারিসের সমালোচনা করেছেন। ডেমেক্রেটিক পার্টি তাঁকে প্রেসিডেন্ট পদে বেছে নেওয়ার কারণে তিনি এই সমালোচনা করেন। কারণ তাঁকে কোনো ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হয়নি। এ ছাড়া সাবেক দলের প্রতি নানা অসন্তোষের কথা জানিয়ে কেনেডি বলেন, ‘এসব কারণেই আমি ট্রাম্পকে সমর্থন দেব।’
এদিকে রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র ট্রাম্পকে সমর্থন দেওয়ায় চটেছেন তার বোন কেরি কেনেডি। এক্স হ্যান্ডলে এই মানবাধিকারকর্মী লিখেছেন, ‘আমাদের ভাই ট্রাম্পকে সমর্থন দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা আমাদের বাবা ও পরিবারের আদর্শের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা। এর মধ্য দিয়ে একটি বেদনাদায়ক গল্প আরও বেদনাদায়ক হলো।’
কেনেডির এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প এই সিদ্ধান্তকে অভূতপূর্ব ও উজ্জ্বল বলে মন্তব্য করেছেন। এ ছাড়া অ্যারিজোনার গ্লানডেলে আয়োজিত এক নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্প কেনেডিকে মঞ্চে ডেকে নেন।
ডেমোক্রেটিক দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী কমলা হ্যারিস বলেছেন, তিনি কেনেডির সমর্থকদের ভোট ডেমোক্রেটের ব্যালটে টানতে সমর্থ হবেন।
ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কমিটির সিনিয়র উপদেষ্টা মেরি বেথ কাহিল এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন কোনো অনুমোদন পাচ্ছেন না, যা সমর্থন তৈরিতে সাহায্য করবে। তিনি একজন ব্যর্থ প্রার্থীর লাগেজ টানতে যাচ্ছেন।’

ভারতের কেন্দ্র সরকার পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার কয়েকটি পরিত্যক্ত এয়ারস্ট্রিপ পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
৭ মিনিট আগে
হাসান আলী প্রশ্ন করেন—কেন তাঁর বাবাকে দুই দেশের মধ্যে এভাবে ছোড়াছুড়ি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমার দেশ আমার বাবাকে বাংলাদেশি বলে ঘোষণা করেছে। কিন্তু বাংলাদেশ তাঁকে দুইবার ফেরত পাঠিয়েছে। তাহলে আমাদের দেশ কোনটা? আমাদের দেশ আছে কি?’
২ ঘণ্টা আগে
লোহিত সাগর অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল করেছে সোমালিয়া সরকার। গতকাল সোমবার মোগাদিসু সরকার এই ঘোষণা দিয়ে পারস্য উপসাগরীয় দেশটিকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ও প্রধান বন্দর অবকাঠামো থেকে বহিষ্কার করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানে সামরিক হামলার হুমকি দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভের মুখে ইরানি সরকার যখন ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে, তখন প্রশাসন জানিয়েছে যে সম্ভাব্য বিভিন্ন বিকল্পের মধ্যে ‘বিমান হামলা’ অন্যতম।
৩ ঘণ্টা আগে