
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে রিপাবলিকান পার্টি মনোনীত প্রার্থী সাবেক ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
নিউইয়র্ক টাইমস, সিএনএন, এবিসি নিউজ ও এনবিসি নিউজসহ একাধিক মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড় থেকে নিজেকে সরিয়ে নেবেন এবং তার জায়গায় তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন দেবেন। আগামী শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি এই ঘোষণা দিতে পারেন।
বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, আগামীকাল শুক্রবার অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে ফনিক্সে ট্রাম্পের প্রচারণায় হাজির হয়ে এই ঘোষণা দিতে পারেন রবার্ট এফ কেনেডির তৃতীয় ছেলে রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র। একই সঙ্গে তিনি সেদিনই নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণাও দেবেন।
বর্তমানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে থাকলেও এর আগে রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে সেখানে ব্যর্থ হয়ে তিনি স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন দিলে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থীর পক্ষে সুইং স্টেটগুলোতে বেশ খানিকটা সুবিধা করা সম্ভব হবে।
বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা গেছে, রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকদের মধ্যে খুব সামান্য করে হলেও ক্রমেই জায়গা করে নিচ্ছিলেন। বিপরীতে ট্রাম্পের চেয়ে ক্রমেই এগিয়ে যাচ্ছিলেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস। ফলে, রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে ট্রাম্পকে সমর্থন দিলে সেটি ট্রাম্পের জন্য ইতিবাচক হয়েই দেখা দেবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে রিপাবলিকান পার্টি মনোনীত প্রার্থী সাবেক ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
নিউইয়র্ক টাইমস, সিএনএন, এবিসি নিউজ ও এনবিসি নিউজসহ একাধিক মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড় থেকে নিজেকে সরিয়ে নেবেন এবং তার জায়গায় তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন দেবেন। আগামী শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি এই ঘোষণা দিতে পারেন।
বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, আগামীকাল শুক্রবার অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে ফনিক্সে ট্রাম্পের প্রচারণায় হাজির হয়ে এই ঘোষণা দিতে পারেন রবার্ট এফ কেনেডির তৃতীয় ছেলে রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র। একই সঙ্গে তিনি সেদিনই নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণাও দেবেন।
বর্তমানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে থাকলেও এর আগে রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে সেখানে ব্যর্থ হয়ে তিনি স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন দিলে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থীর পক্ষে সুইং স্টেটগুলোতে বেশ খানিকটা সুবিধা করা সম্ভব হবে।
বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা গেছে, রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকদের মধ্যে খুব সামান্য করে হলেও ক্রমেই জায়গা করে নিচ্ছিলেন। বিপরীতে ট্রাম্পের চেয়ে ক্রমেই এগিয়ে যাচ্ছিলেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস। ফলে, রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে ট্রাম্পকে সমর্থন দিলে সেটি ট্রাম্পের জন্য ইতিবাচক হয়েই দেখা দেবে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৩ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৩ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৬ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৬ ঘণ্টা আগে