
বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্ক। সম্প্রতি তিনি দাবি করেছেন, জীবদ্দশায় তিনি ৫০০ বিলিয়ন (৫০ হাজার কোটি) ডলারেরও বেশি কর প্রদান করবেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সের এক পোস্টে তিনি এমন দাবি করেন।
চলতি মাসের শুরুর দিকে মাস্কের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেস-এক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাবিষয়ক প্রতিষ্ঠান এক্স-এআই একীভূত হয়। এর ফলে তাঁর প্রতিষ্ঠানের বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ২৫ ট্রিলিয়ন ডলার। এরপর এক দিনেই ইলন মাস্কের নিট সম্পদ ৮৪ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া নতুন কোম্পানিতে মাস্কের ৪৩ শতাংশ মালিকানা রয়েছে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৫৪২ বিলিয়ন ডলার।
নিজেকে ‘ইতিহাসের সর্বোচ্চ করদাতা’ হিসেবে রসিকতা করে মাস্ক জানান, তিনি ইতিমধ্যে ১০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি কর পরিশোধ করেছেন। এক্সে শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, এক প্রশ্নের জবাবে তিনি কৌতুক করে বলছেন, ‘এককভাবে আমি ইতিহাসের সর্বোচ্চ করদাতা। আমি ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ট্যাক্স দিয়েছি। আমি ভেবেছিলাম এর জন্য আইআরএস (যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজস্ব বিভাগ) হয়তো আমাকে ছোটখাটো একটা ট্রফি বা ওই জাতীয় কিছু পাঠাবে।’
মাস্ক আরও বলেন, ‘বাচ্চারা কারাতে প্রতিযোগিতায় জিতলে যেমন সস্তা ট্রফি পায়, তেমন একটা হলেও হতো। কিন্তু আমি কিছুই পাইনি।’ ওই ভিডিওর নিচেই মন্তব্যের ঘরে তিনি লেখেন, ‘মৃত্যু পর্যন্ত সম্ভবত আমার মোট কর প্রদানের পরিমাণ ৫০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।’
ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ইলন মাস্কের সম্পদ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। টেসলা শেয়ারহোল্ডাররা তাঁর জন্য একটি বিশেষ ‘মার্স শট’ পে-প্যাকেজ অনুমোদন করেছেন। আগামী ১০ বছরে টেসলা যদি তার প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারে, তবে মাস্ক অতিরিক্ত ১ ট্রিলিয়ন ডলার সমমূল্যের শেয়ার পেতে পারেন। এমনটি হলে তিনি হবেন বিশ্বের প্রথম ‘ট্রিলিয়নিয়ার’।
বর্তমানে টেসলায় মাস্কের ১২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে, যার মূল্য ১৭৮ বিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া তাঁর কাছে ১২৪ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের স্টক অপশন রয়েছে।

পশ্চিমা বিশ্বের কিছু তরুণ পুরুষের মধ্যে বিদেশে গিয়ে ‘ঐতিহ্যবাহী’ স্ত্রী খোঁজার প্রবণতা বাড়ছে। বিষয়টি ‘পাসপোর্ট ব্রো’ নামে পরিচিত একটি নতুন সামাজিক প্রবণতা হিসেবে আলোচনায় এসেছে। আধুনিক ডেটিং নিয়ে হতাশা থেকে অনেকে এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
১ ঘণ্টা আগে
আইআরজিসির নৌ কমান্ডের পক্ষ থেকে জাহাজ চলাচলের জন্য যে শর্তগুলো দেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো—নির্দিষ্ট রুট: কেবল বেসামরিক ও বাণিজ্যিক জাহাজগুলো ইরানের নির্ধারিত রুট বা পথ দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে। সামরিক জাহাজে নিষেধাজ্ঞা: এই প্রণালি দিয়ে যেকোনো বিদেশি সামরিক জাহাজ চলাচল আগের মতোই কঠোরভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।
১ ঘণ্টা আগে
রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে এটি (ইউরেনিয়াম) উদ্ধার করতে যাচ্ছি। আমরা ইরানের সঙ্গে মিলে বেশ ধীরস্থিরভাবে সেখানে যাব এবং বড় বড় যন্ত্রপাতি দিয়ে খননকাজ শুরু করব...এরপর আমরা সেগুলো যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসব।’
২ ঘণ্টা আগে
ইরান নিয়ে নিজের গৃহীত নীতিগুলোর সমালোচনা করায় যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলোর ওপর আবার চড়াও হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ শুক্রবার এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি সংবাদমাধ্যমগুলোকে আক্রমণ করে বলেন, তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর কাজের নেতিবাচক সমালোচনা করছে।
২ ঘণ্টা আগে