
মার্কিন হামলার আশঙ্কায় তেহরানে অবস্থানরত নিজ দেশের নাগরিকদের অনতিবিলম্বে ইরান ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সার্বিয়া ও সুইডেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর সামরিক হামলার হুমকি দেওয়ার পর এই জরুরি সতর্কতা জারি করল দেশ দুটি।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার দিবাগত রাতে সার্বিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হওয়ায় সার্বিয়ার নাগরিকদের দেশটিতে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে যারা বর্তমানে ইরানে অবস্থান করছেন, তাঁদের যত দ্রুত সম্ভব দেশটি ত্যাগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বরে যখন ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল তখনো সার্বিয়া তাদের নাগরিকদের দেশটি ছাড়ার আহ্বান জানায়।
অন্যদিকে, পৃথক এক বার্তায় সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া মালমার স্টেনারগার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তাঁর দেশের নাগরিকদের প্রতি ইরান ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘ইরানে অবস্থানরত সুইডিশ নাগরিকদের প্রতি আমার অনুরোধ—দয়া করে দ্রুত এই দেশ ত্যাগ করুন।’
প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিবাদ চলছে। সম্প্রতি এই বিবাদ নিরসনে একটি চুক্তির আশা করা হচ্ছিল। গতকাল শুক্রবারও ইরান জানিয়েছিল, তারা একটি সমঝোতার অপেক্ষায় রয়েছে। তবে পর্দার আড়ালে পরিস্থিতি ভিন্ন রূপ নিচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের ওপর চাপ বাড়াতে ইতিমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবাহিনীর বিশাল এক বহর মোতায়েন করেছেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যদি আলোচনা সফল না হয়, তবে তিনি ইরানের ওপর একটি ‘সীমিত সামরিক হামলা’ চালানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপক বোমা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলো দ্রুত পুনরুদ্ধার করছে ইরান। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, টানেলের মুখ পরিষ্কার এবং ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো মেরামতের মাধ্যমে দেশটি আবারও তার দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ফিরিয়ে আনছে।
৫ ঘণ্টা আগে
মিয়ানমারের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে খনির কাজের জন্য মজুত করে রাখা বিস্ফোরকের একটি গুদামে বিস্ফোরণে শিশুসহ অন্তত ৪৫ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে চীন সীমান্তবর্তী এলাকায় ঘটা এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে আরও অর্ধশতাধিক মানুষ।
৭ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরু হওয়ার পর কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। ফলে আরব উপসাগরে আটকা পড়ে ১০৯টি বড় বাণিজ্যিক জাহাজ। তবে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তায় এই অবরুদ্ধ দশা থেকে ২৯টি বড় তেলের ট্যাংকার নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
গত মাসে দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, বিমানটি সম্ভবত চীনের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই বিধ্বস্ত হয়েছে। বিষয়টির সঙ্গে সম্পৃক্ত তিনটি সূত্র মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে এই তথ্য জানিয়েছে...
৮ ঘণ্টা আগে