
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অভিশংসনের জন্য রিপাবলিকানরা হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভে ভোট দিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার তাঁরা এই ভোট দেন। দলটির ডানপন্থী আইনপ্রণেতারা পার্টির এজেন্ডা বাস্তবায়ন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তিক্ততা বাড়াতে এমনটি করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর এএফপির।
বৃহস্পতিবার রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের আইনপ্রণেতারা একটি রেজল্যুুশন উদ্ধৃতি করে ভোট দেন। ওই রেজল্যুশনে ডেমোক্রেটিক দল থেকে নির্বাচিত ৮০ বছর বয়সী মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগ এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি কমিটিতে ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ ও ‘কর্তব্যে অবহেলার’ অভিযোগ আনা হয়।
রিপাবলিকানরা বাইডেনের বিরুদ্ধে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার অভিযোগও এনেছেন, যার ফলে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে অপরাধ ও চোরাচালান বেড়েছে।
তবে ডেমোক্র্যাটরা বলছেন, রিপাবলিকানরা সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আইন ভঙ্গ ও মামলা থেকে দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই এই ভোট দিয়েছে। ট্রাম্প অর্থ জালিয়াতির ৭০টিরও বেশি গুরুতর অপরাধ করেছেন। এ ছাড়া সরকারি গোপনীয় নথির অব্যবস্থাপনা করেছেন এবং এখন আইন প্রয়োগে বাধা দিচ্ছেন।
এদিকে বাইডেনের ছেলে হান্টারের বিরুদ্ধে ওঠা কর ফাঁকির অভিযোগ তদন্ত শেষে তিনি দায় স্বীকার করতে সম্মত হয়েছেন। তবে সমালোচকেরা বাইডেনের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো অন্যায়ের প্রমাণ সামনে নিয়ে আসতে পারেননি।
হাউস অব রিপ্রেজেনটিভের সংখ্যালঘু ডেমোক্র্যাটিক নেতা হাকিম জেফরিস কংগ্রেসে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনি এই জিনিসগুলো তৈরি করতে পারবেন না। তাদের চরমপন্থা সম্পূর্ণরূপে প্রদর্শন করা অব্যাহত রয়েছে। তারা আমেরিকান জনগণের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক মঙ্গলের জন্য কিছুই করছে না, কিছুই না।’
হাউস অব রিপ্রেজেনটিভের অভিশংসন আসলে কোনো ফৌজদারি অভিযোগের রাজনৈতিক রূপ। এই অভিসংশন প্রস্তাব এরপর তাঁরা সিনেটের ১০০ সদস্যের কাছে পাঠাবেন। সিনেটের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য অভিসংশনের পক্ষে ভোট দিলে প্রেসিডেন্ট অপসারিত হবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দুবার অভিশংসনের মুখে পড়েছিলেন। তবে দুবারই সিনেটে রিপাবলিকান মিত্রদের ভোটে অভিসংশন প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়। তিনি অভিশংসনের মুখে পড়া তিন আমেরিকান প্রেসিডেন্টের একজন।
গত কয়েক মাস ধরে ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এক হয়ে লড়ছে। এ সময় রিপাবলিকানদের মধ্য অন্তর্দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের ঠেকাতে শেষমেশ তাঁরা এই অসার অভিশংসন প্রস্তাব তুলেছেন, যা ডেমোক্র্যাট সংখ্যাগরিষ্ঠ সিনেটে সহজেই বাধাগ্রস্ত হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অভিশংসনের জন্য রিপাবলিকানরা হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভে ভোট দিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার তাঁরা এই ভোট দেন। দলটির ডানপন্থী আইনপ্রণেতারা পার্টির এজেন্ডা বাস্তবায়ন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তিক্ততা বাড়াতে এমনটি করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর এএফপির।
বৃহস্পতিবার রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের আইনপ্রণেতারা একটি রেজল্যুুশন উদ্ধৃতি করে ভোট দেন। ওই রেজল্যুশনে ডেমোক্রেটিক দল থেকে নির্বাচিত ৮০ বছর বয়সী মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগ এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি কমিটিতে ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ ও ‘কর্তব্যে অবহেলার’ অভিযোগ আনা হয়।
রিপাবলিকানরা বাইডেনের বিরুদ্ধে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার অভিযোগও এনেছেন, যার ফলে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে অপরাধ ও চোরাচালান বেড়েছে।
তবে ডেমোক্র্যাটরা বলছেন, রিপাবলিকানরা সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আইন ভঙ্গ ও মামলা থেকে দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই এই ভোট দিয়েছে। ট্রাম্প অর্থ জালিয়াতির ৭০টিরও বেশি গুরুতর অপরাধ করেছেন। এ ছাড়া সরকারি গোপনীয় নথির অব্যবস্থাপনা করেছেন এবং এখন আইন প্রয়োগে বাধা দিচ্ছেন।
এদিকে বাইডেনের ছেলে হান্টারের বিরুদ্ধে ওঠা কর ফাঁকির অভিযোগ তদন্ত শেষে তিনি দায় স্বীকার করতে সম্মত হয়েছেন। তবে সমালোচকেরা বাইডেনের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো অন্যায়ের প্রমাণ সামনে নিয়ে আসতে পারেননি।
হাউস অব রিপ্রেজেনটিভের সংখ্যালঘু ডেমোক্র্যাটিক নেতা হাকিম জেফরিস কংগ্রেসে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনি এই জিনিসগুলো তৈরি করতে পারবেন না। তাদের চরমপন্থা সম্পূর্ণরূপে প্রদর্শন করা অব্যাহত রয়েছে। তারা আমেরিকান জনগণের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক মঙ্গলের জন্য কিছুই করছে না, কিছুই না।’
হাউস অব রিপ্রেজেনটিভের অভিশংসন আসলে কোনো ফৌজদারি অভিযোগের রাজনৈতিক রূপ। এই অভিসংশন প্রস্তাব এরপর তাঁরা সিনেটের ১০০ সদস্যের কাছে পাঠাবেন। সিনেটের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য অভিসংশনের পক্ষে ভোট দিলে প্রেসিডেন্ট অপসারিত হবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দুবার অভিশংসনের মুখে পড়েছিলেন। তবে দুবারই সিনেটে রিপাবলিকান মিত্রদের ভোটে অভিসংশন প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়। তিনি অভিশংসনের মুখে পড়া তিন আমেরিকান প্রেসিডেন্টের একজন।
গত কয়েক মাস ধরে ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এক হয়ে লড়ছে। এ সময় রিপাবলিকানদের মধ্য অন্তর্দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের ঠেকাতে শেষমেশ তাঁরা এই অসার অভিশংসন প্রস্তাব তুলেছেন, যা ডেমোক্র্যাট সংখ্যাগরিষ্ঠ সিনেটে সহজেই বাধাগ্রস্ত হবে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৬ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৬ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৯ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৯ ঘণ্টা আগে