
প্রকৃতিতে কার্বনের পরিমাণ কমাতে গ্যাস-কয়লাচালিত বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ওপর খড়্গহস্ত হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। দেশটির এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন এজেন্সি (ইপিএ) জানিয়েছে, এখন থেকে কোনো গ্যাস বা কয়লাচালিত বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কোম্পানি কার্বনের নিঃসরণ (কার্বন ক্যাপচার) কমাতে না পারলে সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। সোজা কথায়, জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে আসা কোম্পানিগুলোর ওপর শর্তের খড়্গ নামতে যাচ্ছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন এজেন্সি নতুন আইন জারি করতে যাচ্ছে এ বিষয়ে। সাধারণত, কার্বন এমিশন ক্যাপচার বা কার্বন ক্যাপচার হলো এমন এক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে যেসব উৎস (বিভিন্ন জীবাশ্ম জ্বালানি) থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রকৃতিতে অবমুক্ত হয়, সেগুলো অবমুক্ত হতে না দিয়ে তা পুনরায় মাটির নিচে ফেরত পাঠানো হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ুসংকটের অন্যতম শীর্ষ কারণ এই জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো। নতুন এই আইন বা কার্বন নিঃসারণের নতুন সীমা পরিবেশ রক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার অংশ। তাঁর পরিকল্পনা হলো—২০২৩ সালের মধ্যে মার্কিন বিদ্যুৎ খাতকে কার্বন দূষণমুক্ত করা এবং ২০৫০ সালের মধ্যে পুরো মার্কিন অর্থনীতি থেকে কার্বনদূষণ দূর করা।
এই আইনে মূলত চারটি বিষয় আছে। প্রথমত, মার্কিন সরকার কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো যেন পরিষ্কার জ্বালানির বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরিণত হতে পারে সে বিষয় নিয়মিত সহায়তা দেবে। দ্বিতীয়ত, এই খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করবে। তৃতীয়ত, কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো থেকে পানিদূষক উপাদান অপসারণে সহায়তা করবে এবং সর্বশেষ কয়লার ছাই জমা করার পদ্ধতি আরও নিরাপদ করার বিষয়ে উদ্যোগ নেবে।
ইপিএর প্রশাসক মাইকেল রেগান হোয়াইট হাউসে নতুন এই আইনের বিষয়ে বলেন, নতুন এই আইন করা হয়েছে মূলত জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো থেকে দূষণ কমিয়ে আমাদের জনগণকে সেই দূষণ থেকে রক্ষা করা এবং তাদের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটানোর লক্ষ্যে। একই সঙ্গে দীর্ঘ মেয়াদে নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য আমেরিকাকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যেও এই আইন করা হয়েছে।’
তবে বাইডেন প্রশাসনের এই পরিকল্পনা বিরোধী দল রিপাবলিকান পার্টি শাসিত অঙ্গরাজ্যগুলোতে বাধা পেতে পারে। বিরোধীরা বারবার অভিযোগ করেছে, ক্ষমতাসীন ডেমোক্র্যাটরা পরিবেশবাদী এই আইনকে খুব বেশি বড় করে দেখছে এবং সতর্ক করে বলেছে, এ ধরনের আইন বাস্তবায়িত হলে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। তবে পরিবেশবাদী গোষ্ঠীগুলো এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।

প্রকৃতিতে কার্বনের পরিমাণ কমাতে গ্যাস-কয়লাচালিত বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ওপর খড়্গহস্ত হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। দেশটির এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন এজেন্সি (ইপিএ) জানিয়েছে, এখন থেকে কোনো গ্যাস বা কয়লাচালিত বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কোম্পানি কার্বনের নিঃসরণ (কার্বন ক্যাপচার) কমাতে না পারলে সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। সোজা কথায়, জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে আসা কোম্পানিগুলোর ওপর শর্তের খড়্গ নামতে যাচ্ছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন এজেন্সি নতুন আইন জারি করতে যাচ্ছে এ বিষয়ে। সাধারণত, কার্বন এমিশন ক্যাপচার বা কার্বন ক্যাপচার হলো এমন এক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে যেসব উৎস (বিভিন্ন জীবাশ্ম জ্বালানি) থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড প্রকৃতিতে অবমুক্ত হয়, সেগুলো অবমুক্ত হতে না দিয়ে তা পুনরায় মাটির নিচে ফেরত পাঠানো হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ুসংকটের অন্যতম শীর্ষ কারণ এই জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো। নতুন এই আইন বা কার্বন নিঃসারণের নতুন সীমা পরিবেশ রক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার অংশ। তাঁর পরিকল্পনা হলো—২০২৩ সালের মধ্যে মার্কিন বিদ্যুৎ খাতকে কার্বন দূষণমুক্ত করা এবং ২০৫০ সালের মধ্যে পুরো মার্কিন অর্থনীতি থেকে কার্বনদূষণ দূর করা।
এই আইনে মূলত চারটি বিষয় আছে। প্রথমত, মার্কিন সরকার কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো যেন পরিষ্কার জ্বালানির বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরিণত হতে পারে সে বিষয় নিয়মিত সহায়তা দেবে। দ্বিতীয়ত, এই খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করবে। তৃতীয়ত, কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো থেকে পানিদূষক উপাদান অপসারণে সহায়তা করবে এবং সর্বশেষ কয়লার ছাই জমা করার পদ্ধতি আরও নিরাপদ করার বিষয়ে উদ্যোগ নেবে।
ইপিএর প্রশাসক মাইকেল রেগান হোয়াইট হাউসে নতুন এই আইনের বিষয়ে বলেন, নতুন এই আইন করা হয়েছে মূলত জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো থেকে দূষণ কমিয়ে আমাদের জনগণকে সেই দূষণ থেকে রক্ষা করা এবং তাদের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটানোর লক্ষ্যে। একই সঙ্গে দীর্ঘ মেয়াদে নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য আমেরিকাকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যেও এই আইন করা হয়েছে।’
তবে বাইডেন প্রশাসনের এই পরিকল্পনা বিরোধী দল রিপাবলিকান পার্টি শাসিত অঙ্গরাজ্যগুলোতে বাধা পেতে পারে। বিরোধীরা বারবার অভিযোগ করেছে, ক্ষমতাসীন ডেমোক্র্যাটরা পরিবেশবাদী এই আইনকে খুব বেশি বড় করে দেখছে এবং সতর্ক করে বলেছে, এ ধরনের আইন বাস্তবায়িত হলে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। তবে পরিবেশবাদী গোষ্ঠীগুলো এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৮ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৯ ঘণ্টা আগে