
বিশ্ব রাজনীতিতে ক্ষমতার জন্য কত যুদ্ধ-দাঙ্গাই না ঘটে। তবে এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে সুখকর এক ঘটনাই ঘটেছে। একে রীতিমতো উন্মাদ কাণ্ডও বলা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনার একটি শহরে কয়েন টসের মাধ্যমে মেয়র নির্বাচন হয়েছে। যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
কয়েন টসের মাধ্যমে নর্থ ক্যারোলিনার শহর মনরোর নতুন মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন রবার্ট বার্নস এবং রানার আপ হয়েছেন বব ইয়ানাসেক।
গত ৭ নভেম্বরের একটি নির্বাচনে অন্য তিন প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তবে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল খুবই কম। ভোট গণনা শেষে দেখা যায়, বার্নস এবং ইয়ানাসেক প্রত্যেকেই একই সংখ্যক (৯৭০ টি) ভোট পেয়েছেন।
উভয় ব্যক্তি গত শুক্রবার স্থানীয় নির্বাচন বোর্ডের একটি সভায় যান এবং ভোট পুনঃগণনা বাতিল করেন। এরপর মেয়র নির্বাচনে আইনানুযায়ী টাই-ব্রেকার ডাকা হয়।
এই টাই-ব্রেকার ছিল কয়েন টস। এতে বার্নস এবং ইয়ানাসেকের মধ্যে যিনি জিতবেন তিনি নর্থ ক্যারোলিনার বৃহত্তম শার্লটের প্রায় ২৫ মাইল দক্ষিণ-পূর্বের ৩৫ হাজার বসতির মনোরো শহরের মেয়র হবেন।
বার্নস কয়েন টসের আগে একটি সোশ্যাল মিডিয়া ভিডিওতে বলেছিলেন, ‘এখন সবকিছু ঈশ্বরের হাতে। প্রত্যেকের যা করার কথা ছিল তা করেছে, এবং এখন আমরা একটি কয়েন টস করতে যাচ্ছি। এটি ব্যতিক্রমী বলে মনে হচ্ছে এবং সম্ভবত একটু প্রাচীন। আমি জানি, লোকেরা কীভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে...এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে...সম্ভবত এটি কখনই ঘটবে না। কিন্তু এটা এখানে ঘটছে।’
কয়েক মিনিট পরে ইয়ানাসেক টসের জন্য হেডস ডাকেন। একজন নির্বাচনী কর্মকর্তার কয়েন টস করলে টেল ওঠে। এ সময় বার্নস উল্লাসে পেছনের দিকে চলে যান ও সমর্থকেরা উল্লাস করে।
বার্নস দুই হাত উপরের দিতে তুলে ধরেন এবং স্ত্রীকে চুম্বন করেন এ সময় তিনি ইয়ানাসেকের সঙ্গেও আলিঙ্গন করেন।

বিশ্ব রাজনীতিতে ক্ষমতার জন্য কত যুদ্ধ-দাঙ্গাই না ঘটে। তবে এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে সুখকর এক ঘটনাই ঘটেছে। একে রীতিমতো উন্মাদ কাণ্ডও বলা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনার একটি শহরে কয়েন টসের মাধ্যমে মেয়র নির্বাচন হয়েছে। যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
কয়েন টসের মাধ্যমে নর্থ ক্যারোলিনার শহর মনরোর নতুন মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন রবার্ট বার্নস এবং রানার আপ হয়েছেন বব ইয়ানাসেক।
গত ৭ নভেম্বরের একটি নির্বাচনে অন্য তিন প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তবে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল খুবই কম। ভোট গণনা শেষে দেখা যায়, বার্নস এবং ইয়ানাসেক প্রত্যেকেই একই সংখ্যক (৯৭০ টি) ভোট পেয়েছেন।
উভয় ব্যক্তি গত শুক্রবার স্থানীয় নির্বাচন বোর্ডের একটি সভায় যান এবং ভোট পুনঃগণনা বাতিল করেন। এরপর মেয়র নির্বাচনে আইনানুযায়ী টাই-ব্রেকার ডাকা হয়।
এই টাই-ব্রেকার ছিল কয়েন টস। এতে বার্নস এবং ইয়ানাসেকের মধ্যে যিনি জিতবেন তিনি নর্থ ক্যারোলিনার বৃহত্তম শার্লটের প্রায় ২৫ মাইল দক্ষিণ-পূর্বের ৩৫ হাজার বসতির মনোরো শহরের মেয়র হবেন।
বার্নস কয়েন টসের আগে একটি সোশ্যাল মিডিয়া ভিডিওতে বলেছিলেন, ‘এখন সবকিছু ঈশ্বরের হাতে। প্রত্যেকের যা করার কথা ছিল তা করেছে, এবং এখন আমরা একটি কয়েন টস করতে যাচ্ছি। এটি ব্যতিক্রমী বলে মনে হচ্ছে এবং সম্ভবত একটু প্রাচীন। আমি জানি, লোকেরা কীভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে...এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে...সম্ভবত এটি কখনই ঘটবে না। কিন্তু এটা এখানে ঘটছে।’
কয়েক মিনিট পরে ইয়ানাসেক টসের জন্য হেডস ডাকেন। একজন নির্বাচনী কর্মকর্তার কয়েন টস করলে টেল ওঠে। এ সময় বার্নস উল্লাসে পেছনের দিকে চলে যান ও সমর্থকেরা উল্লাস করে।
বার্নস দুই হাত উপরের দিতে তুলে ধরেন এবং স্ত্রীকে চুম্বন করেন এ সময় তিনি ইয়ানাসেকের সঙ্গেও আলিঙ্গন করেন।

গাজায় ভয়াবহ শীতকালীন ঝড়ে ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো ধসে পড়ে অন্তত পাঁচ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া তীব্র ঠান্ডায় প্রাণ হারিয়েছে আরও অন্তত ছয় শিশু। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ও তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সব ধরনের বৈঠক বাতিল করেছেন। একই সঙ্গে তেহরানের দমনপীড়নের মুখে বিক্ষোভকারীদের ‘আপনাদের প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিন’ বলে আহ্বান জানিয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের ‘আশ্বাস দিয়ে’ বলেছেন, ‘সাহায্য আসছে।’
৩ ঘণ্টা আগে
মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
১২ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
১৩ ঘণ্টা আগে