
ঢাকা: ব্রাজিলে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এ হিসেবে করোনায় বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু দেখল দেশটি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকা কার্যক্রম জোরদার, স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়ন করা না হলে শীতের শুরুতে এই প্রাদুর্ভাব আরও খারাপ হতে পারে।
এ পরিস্থিতিকে 'সংকটজনক' বলে উল্লেখ করেছে দেশটির স্বাস্থ্য সংস্থা ফায়োক্রুজ। এ পর্যন্ত মাত্র ১৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কদের টিকা দেওয়া নিয়েও শঙ্কিত সংস্থাটি। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এক টুইট পোস্টে দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী মার্সেলো কুইরোগা লিখেছেন, 'বৈশ্বিক মহামারি করোনায় আমাদের ব্রাজিলের ৫ লাখ লোক প্রাণ হারিয়েছেন'। যাদের পিতা, মা, বন্ধু এবং আত্মীয়স্বজন মারা গেছেন তাঁদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
বিবিসির এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রাজিলে করোনার প্রাদুর্ভাব বেশি ছড়ায় দ্রুত সংক্রমণযোগ্য 'গামা' ভ্যারিয়ান্টের মাধ্যমে। এ ভ্যারিয়ান্টটি প্রথমে আমাজন অঞ্চলে শনাক্ত হয়। যার ফলে গত সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে ৭০ হাজার করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। বর্তমানে দেশটির হাসপাতালগুলোর ৮০ শতাংশ নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট (আইসিইউ) রোগীতে পূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, দক্ষিণ গোলার্ধে শীত শুরু হওয়ায় আগামী সপ্তাহে সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে।
ফিয়োক্রুজ ইনস্টিটিউটের প্রতিবেদনে বলা হয়, 'ব্রাজিলের নাগরিকেরা করোনা সংক্রমণের একটি সংকটজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে...শীত শুরু হওয়ার কারণে আগামী সপ্তাহ গুলিতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশংকা রয়েছে।'
ব্রাজিলে মার্চ মাস থেকে সাত দিনের দৈনিক গড় মৃত্যু ১,৫০০ এর ওপরে। স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক আনভিসার সাবেক প্রধান গনজালো ভেকিনা বলেন, ভ্যাকসিন কর্মসূচির ধীর গতির কারণে বেশি লোক মারা গেছেন। তিনি আরও বলেন, 'এখন পর্যন্ত ৫ লাখ জন মারা গেছে; দুর্ভাগ্যক্রমে এ বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। কারণ টিকাদান বাড়ানোর জন্য কিছুটা সময় লাগবে। দেরিতে কেনায় টিকা পৌঁছাতে দেরি হলে এই বছরটিও জটিলতার মধ্য দিয়ে পার হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনায় দেশটির এমন বিপর্যস্ত অবস্থার পেছনে অনেকেই দেশটির রাষ্ট্রপতি জেইর বলসোনারোকে দায়ী করছেন। করোনার শুরু থেকেই নাগরিকদের স্বাস্থ্যবিধি পালনের বিষয়ে তিনি উদাসীন ছিলেন। ভ্যাকসিন, লকডাউন এবং মাস্ক পরার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তাঁর সংশয়বাদ নিয়ে তীব্র সমালোচনাও হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কারণে ভ্যাকসিন কেনা বিলম্বিত করার অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলের নেতা–কর্মীরা।
শনিবার হাজার হাজার মানুষ বোলসোনারো সরকারের বিরুদ্ধে এবং টিকা কর্মসূচি ত্বরান্বিত করার দাবিতে সারা দেশে বিক্ষোভ করে। অনেক শহর পর্যাপ্ত পরিমাণে ডোজের দাবি তোলে।
তবে রাষ্ট্রপতি বলসোনারো লকডাউন ব্যবস্থার বিরোধিতা করে বলেন, অর্থনীতিতে তাঁদের প্রভাব ভাইরাসের চেয়ে খারাপ হবে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছিলেন যে তিনি বেশ কয়েকটি দেশ থেকে ভ্যাকসিন কিনতে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন।

ঢাকা: ব্রাজিলে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এ হিসেবে করোনায় বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু দেখল দেশটি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকা কার্যক্রম জোরদার, স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়ন করা না হলে শীতের শুরুতে এই প্রাদুর্ভাব আরও খারাপ হতে পারে।
এ পরিস্থিতিকে 'সংকটজনক' বলে উল্লেখ করেছে দেশটির স্বাস্থ্য সংস্থা ফায়োক্রুজ। এ পর্যন্ত মাত্র ১৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্কদের টিকা দেওয়া নিয়েও শঙ্কিত সংস্থাটি। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এক টুইট পোস্টে দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী মার্সেলো কুইরোগা লিখেছেন, 'বৈশ্বিক মহামারি করোনায় আমাদের ব্রাজিলের ৫ লাখ লোক প্রাণ হারিয়েছেন'। যাদের পিতা, মা, বন্ধু এবং আত্মীয়স্বজন মারা গেছেন তাঁদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
বিবিসির এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রাজিলে করোনার প্রাদুর্ভাব বেশি ছড়ায় দ্রুত সংক্রমণযোগ্য 'গামা' ভ্যারিয়ান্টের মাধ্যমে। এ ভ্যারিয়ান্টটি প্রথমে আমাজন অঞ্চলে শনাক্ত হয়। যার ফলে গত সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে ৭০ হাজার করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। বর্তমানে দেশটির হাসপাতালগুলোর ৮০ শতাংশ নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট (আইসিইউ) রোগীতে পূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, দক্ষিণ গোলার্ধে শীত শুরু হওয়ায় আগামী সপ্তাহে সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে।
ফিয়োক্রুজ ইনস্টিটিউটের প্রতিবেদনে বলা হয়, 'ব্রাজিলের নাগরিকেরা করোনা সংক্রমণের একটি সংকটজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে...শীত শুরু হওয়ার কারণে আগামী সপ্তাহ গুলিতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশংকা রয়েছে।'
ব্রাজিলে মার্চ মাস থেকে সাত দিনের দৈনিক গড় মৃত্যু ১,৫০০ এর ওপরে। স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক আনভিসার সাবেক প্রধান গনজালো ভেকিনা বলেন, ভ্যাকসিন কর্মসূচির ধীর গতির কারণে বেশি লোক মারা গেছেন। তিনি আরও বলেন, 'এখন পর্যন্ত ৫ লাখ জন মারা গেছে; দুর্ভাগ্যক্রমে এ বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। কারণ টিকাদান বাড়ানোর জন্য কিছুটা সময় লাগবে। দেরিতে কেনায় টিকা পৌঁছাতে দেরি হলে এই বছরটিও জটিলতার মধ্য দিয়ে পার হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনায় দেশটির এমন বিপর্যস্ত অবস্থার পেছনে অনেকেই দেশটির রাষ্ট্রপতি জেইর বলসোনারোকে দায়ী করছেন। করোনার শুরু থেকেই নাগরিকদের স্বাস্থ্যবিধি পালনের বিষয়ে তিনি উদাসীন ছিলেন। ভ্যাকসিন, লকডাউন এবং মাস্ক পরার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তাঁর সংশয়বাদ নিয়ে তীব্র সমালোচনাও হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কারণে ভ্যাকসিন কেনা বিলম্বিত করার অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলের নেতা–কর্মীরা।
শনিবার হাজার হাজার মানুষ বোলসোনারো সরকারের বিরুদ্ধে এবং টিকা কর্মসূচি ত্বরান্বিত করার দাবিতে সারা দেশে বিক্ষোভ করে। অনেক শহর পর্যাপ্ত পরিমাণে ডোজের দাবি তোলে।
তবে রাষ্ট্রপতি বলসোনারো লকডাউন ব্যবস্থার বিরোধিতা করে বলেন, অর্থনীতিতে তাঁদের প্রভাব ভাইরাসের চেয়ে খারাপ হবে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছিলেন যে তিনি বেশ কয়েকটি দেশ থেকে ভ্যাকসিন কিনতে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন।

প্রায় সিকি শতাব্দী ধরে রাশিয়ার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছেন ভ্লাদিমির পুতিন। বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম প্রভাবশালী এই নেতার মুখ ও বক্তব্য অহরহ দেখা গেলেও তাঁর ব্যক্তিগত জীবন আজও রয়ে গেছে কঠোর গোপনীয়তার আড়ালে। রাষ্ট্রীয় প্রচারণা যন্ত্রের ছাঁকনি পেরিয়ে পুতিনের পারিবারিক জীবনের খুব কম তথ্যই জনসমক্ষ
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শয়তান’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ইরানি জাতি বরাবরের মতোই শত্রুদের হতাশ করবে।
৫ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মেয়র হিসেবে প্রথম দিনেই মামদানি তাঁর আসল চেহারা দেখিয়েছেন। তিনি ইহুদি-বিদ্বেষের আন্তর্জাতিক সংজ্ঞা (আইএইচআরএ) বাতিল করেছেন এবং ইসরায়েল বয়কটের ওপর থেকে বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছেন। এটি নেতৃত্ব নয়, বরং এটি খোলা আগুনে ইহুদি-বিদ্বেষী ঘি ঢালার সমান।
৬ ঘণ্টা আগে
গত মাসে এসটিসি এই অঞ্চলটি দখলের পর সৌদি জোটের পক্ষ থেকে এটিই প্রথম সরাসরি প্রাণঘাতী হামলা। এর আগে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী হাজরামাউতের সামরিক স্থাপনাগুলো ‘শান্তিপূর্ণভাবে’ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। কিন্তু ওই ঘোষণা দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিমান হামলা শুরু হয়।
৮ ঘণ্টা আগে