
ভারতের অরুণাচল প্রদেশকে আবারও নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে চীন। অরুণাচলের (যাকে চীন ‘জাংনান’ বলে অভিহিত করে) ৩০টি স্থানের নাম পরিবর্তনের পর চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল মঙ্গলবার কড়া বিবৃতি দিয়েছে। চীন জানিয়েছে, তারা কখনোই ভারতের ‘অবৈধভাবে’ স্থাপিত অরুণাচল প্রদেশকে স্বীকৃতি দেয়নি। বেইজিংয়ের এই পদক্ষেপের ফলে দুই পরমাণু শক্তিধর প্রতিবেশীর মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা নতুন করে তুঙ্গে উঠেছে।
চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘জাংনান (অরুণাচল) চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভারত সেখানে অবৈধভাবে অরুণাচল প্রদেশ গঠন করেছে, যা চীন কখনোই মেনে নেয়নি।’ তিনি আরও দাবি করেন, ওই অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানের নাম ‘মানসম্মত’ করা চীনের সার্বভৌমত্বের অধিকার। ১০ এপ্রিল চীন অরুণাচলের ৩০টি স্থানের নামের ষষ্ঠ তালিকা প্রকাশ করার পর এই মন্তব্য এল।
চীনের এই পদক্ষেপকে আগেই প্রত্যাখ্যান করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কাল্পনিক নাম দিলেই কোনো অঞ্চল অন্য দেশের হয়ে যায় না। নয়াদিল্লি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। ভারতের মতে, চীনের এই ধরনের একতরফা পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্থিতিশীল করার প্রচেষ্টাকে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
মুখপাত্র গুও জিয়াকুন একাত্তরে সীমান্ত পরিস্থিতির ওপর আলোকপাত করে বলেন, বর্তমানে চীন-ভারত সম্পর্ক ‘সামগ্রিকভাবে স্থিতিশীল’। তিনি বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে বেইজিংয়ের নীতি অপরিবর্তিত রয়েছে। আমরা আশা করি উভয় পক্ষই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জন্য সহায়ক পদক্ষেপ নেবে।’
২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর থেকে ভারত ও চীনের সম্পর্কের অবনতি হতে শুরু করে। অরুণাচল নিয়ে চীনের এই নতুন দাবি মূলত সেই তিক্ততাকে আরও উসকে দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, লাদাখের পর এখন অরুণাচল সীমান্তে চাপ সৃষ্টি করে নয়াদিল্লিকে কৌশলী বার্তা দিতে চাচ্ছে বেইজিং।
নয়াদিল্লি ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সামরিক নজরদারি বাড়িয়েছে। অন্যদিকে চীন আন্তর্জাতিক মঞ্চে অরুণাচলকে বিতর্কিত অঞ্চল হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দুই দেশের এই অনড় অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে বড় ধরনের ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।
তথ্যসূত্র: গ্লোবাল টাইমস

পোপ লিও যুদ্ধের পেছনে কোটি কোটি ডলার খরচ করা বিশ্বনেতাদের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, বিশ্ব বর্তমানে ‘মুষ্টিমেয় কিছু স্বৈরশাসক বিশ্বজুড়ে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, এই নেতারা এসব ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে এবং ফায়দা লুটতে ধর্মের নাম ব্যবহার করছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের পরবর্তী প্রধান শত্রু কে হতে যাচ্ছে—তা নিয়ে এরই মধ্যে ভবিষ্যদ্বাণী শুরু হয়েছে। ইরানের পর ইসরায়েলের প্রধান শত্রু হিসেবে পাকিস্তান ও তুরস্কের নাম নিয়ে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। ইসরায়েলি বিশ্লেষক বোয়াজ গোলানি দেশটির দৈনিক মাআরিভে প্রকাশিত এক নিবন্ধে মধ্যপ্রাচ্যের ‘পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির’...
৩ ঘণ্টা আগে
ধর্মীয় প্রার্থনা সভায় পবিত্র বাইবেলের শ্লোক পড়তে গিয়ে জনপ্রিয় হলিউড সিনেমা ‘পাল্প ফিকশন’-এর একটি কাল্পনিক সংলাপ আওড়ে তুমুল বিতর্কের মুখে পড়েছেন মার্কিন যুদ্ধমন্ত্রী (প্রতিরক্ষামন্ত্রী) পিট হেগসেথ। গত বুধবার পেন্টাগনে আয়োজিত এক বিশেষ প্রার্থনা সভায় তিনি বাইবেলের ‘ইজেকিয়েল ২৫: ১৭’ শ্লোকটির কথা...
৩ ঘণ্টা আগে
ইরান যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে চীন। আগামী মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে অনুষ্ঠেয় শীর্ষ সম্মেলনের প্রস্তুতি নিতে গিয়ে বেইজিংকে এক কূটনৈতিক অগ্নিপরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। একদিকে ওয়াশিংটনকে সামলানো, অন্যদিকে তেহরানকে চটানো যাবে না—এমন এক ভারসাম্য রক্ষার...
৩ ঘণ্টা আগে