
রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে জয়ী হতে ‘সবকিছু’ করবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আজ মঙ্গলবার মস্কোর বিরুদ্ধে কিয়েভের প্রতিরক্ষার বিষয়ে জার্মানির মার্কিন ঘাঁটিতে আলোচনায় বসে ৪০টি দেশের প্রতিনিধিরা। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের আমন্ত্রণে দক্ষিণ-পশ্চিম জার্মানিতে রামস্টেইন মার্কিন বিমানঘাঁটিতে এ সভা হয়। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন যুক্তরাষ্ট্র আহুত এ সভায় সূচনা বক্তব্য রাখেন। সভাটির মূল লক্ষ্য, ‘রাশিয়ার অন্যায্য আক্রমণের শিকার ইউক্রেনকে এ যুদ্ধে জয়ী হতে সহায়তা এবং দেশটির ভবিষ্যৎ প্রতিরক্ষা গড়ে তোলা।
সভায় লয়েড অস্টিন বলেন, ‘আজ আমরা দেখছি, রাশিয়ার সাম্রাজ্যবাদী হামলার শিকার ইউক্রেনের লড়াইয়ে তার পাশে দাঁড়ানোর ডাকে সাড়া দিতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দেশ এসে জড়ো হয়েছে। ইউক্রেন নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস করে যে, সে জয়ী হবে এবং তার সঙ্গে সঙ্গে আমরাও এটি বিশ্বাস করি।’
ইউক্রেনে যাওয়া আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার সবচেয়ে বড় অংশটিই গেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। মঙ্গলবারের সভায় লয়েড অস্টিনের ভাষ্য যুক্তরাষ্ট্রের এ অবস্থান অক্ষুণ্ন থাকবে বলেই ঘোষণা করছে। তিনি বলেছেন, ইউক্রেনের প্রয়োজন মেটাতে যুক্তরাষ্ট্র ‘সবকিছুই’ করবে।
আলোচনায় জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী ক্রিস্টিন ল্যাম্বার্ট বলেন, জার্মানি এরই মধ্যে ইউক্রেনে ট্যাংক সরবরাহের কথা জানিয়েছে।
আল-জাজিরা জানায়, জার্মানির পক্ষ থেকে ভারী যুদ্ধ সরঞ্জাম পাঠানোর এ ঘোষণা ইউক্রেন-রাশিয়া সংকটে এখন পর্যন্ত নতুন কিছু। এত দিন ইউক্রেনের সহায়তায় জার্মানি ‘যথেষ্ট’ আন্তরিক নয় বলে বিস্তর সমালোচনা হচ্ছিল দেশটির চ্যান্সেলর ওলাফ শুলজের। এবার সেই সমালোচনার জবাব দিতেই হয়তো দেশটি এমন সিদ্ধান্ত নিল। মূলত ইউক্রেনের ডাকে সাড়া দিয়েই এমন ঘোষণা এসেছে বার্লিন থেকে। কিয়েভ এত দিন পর্যন্ত ভারী যুদ্ধ সরঞ্জাম চেয়ে আসছিল। একই সঙ্গে আরও বেশি পরিমাণে গোলাবারুদও চাইছিল দেশটি। এই চাওয়ার জবাবে জার্মানি জানিয়ে দিয়েছে, এই মুহূর্তে এ ধরনের সরঞ্জামের ঘাটতি রয়েছে। তবে দরকার পড়লে কারখানা সচল হবে। আর গোলাবারুদের চাহিদার প্রতি আগেই সাড়া দিয়েছে পূর্ব ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ।
এদিকে গতকাল সোমবার পোল্যান্ডে করা সংবাদ সম্মেলনে লয়েড অস্টিন জানিয়েছিলেন, ইউক্রেনে পাঠানোর জন্য বিস্তর মানবিক সহায়তা প্রস্তুত আছে।
আল-জাজিরা জানাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো জোটের বাইরে নিজেদের জোট বিস্তৃত করছে। রাশিয়া বিরোধী এ জোটে এরই মধ্যে ৪০ টির মতো দেশ যুক্ত হয়েছে। এতে এশিয়া, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশও রয়েছে। আবার এমন কিছু দেশও আছে, যারা পর্দার আড়ালে থেকে যুক্তরাষ্ট্র জোটের হয়ে ইউক্রেনকে সহযোগিতা করতে চায়।

রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে জয়ী হতে ‘সবকিছু’ করবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আজ মঙ্গলবার মস্কোর বিরুদ্ধে কিয়েভের প্রতিরক্ষার বিষয়ে জার্মানির মার্কিন ঘাঁটিতে আলোচনায় বসে ৪০টি দেশের প্রতিনিধিরা। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের আমন্ত্রণে দক্ষিণ-পশ্চিম জার্মানিতে রামস্টেইন মার্কিন বিমানঘাঁটিতে এ সভা হয়। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন যুক্তরাষ্ট্র আহুত এ সভায় সূচনা বক্তব্য রাখেন। সভাটির মূল লক্ষ্য, ‘রাশিয়ার অন্যায্য আক্রমণের শিকার ইউক্রেনকে এ যুদ্ধে জয়ী হতে সহায়তা এবং দেশটির ভবিষ্যৎ প্রতিরক্ষা গড়ে তোলা।
সভায় লয়েড অস্টিন বলেন, ‘আজ আমরা দেখছি, রাশিয়ার সাম্রাজ্যবাদী হামলার শিকার ইউক্রেনের লড়াইয়ে তার পাশে দাঁড়ানোর ডাকে সাড়া দিতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দেশ এসে জড়ো হয়েছে। ইউক্রেন নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস করে যে, সে জয়ী হবে এবং তার সঙ্গে সঙ্গে আমরাও এটি বিশ্বাস করি।’
ইউক্রেনে যাওয়া আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার সবচেয়ে বড় অংশটিই গেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। মঙ্গলবারের সভায় লয়েড অস্টিনের ভাষ্য যুক্তরাষ্ট্রের এ অবস্থান অক্ষুণ্ন থাকবে বলেই ঘোষণা করছে। তিনি বলেছেন, ইউক্রেনের প্রয়োজন মেটাতে যুক্তরাষ্ট্র ‘সবকিছুই’ করবে।
আলোচনায় জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী ক্রিস্টিন ল্যাম্বার্ট বলেন, জার্মানি এরই মধ্যে ইউক্রেনে ট্যাংক সরবরাহের কথা জানিয়েছে।
আল-জাজিরা জানায়, জার্মানির পক্ষ থেকে ভারী যুদ্ধ সরঞ্জাম পাঠানোর এ ঘোষণা ইউক্রেন-রাশিয়া সংকটে এখন পর্যন্ত নতুন কিছু। এত দিন ইউক্রেনের সহায়তায় জার্মানি ‘যথেষ্ট’ আন্তরিক নয় বলে বিস্তর সমালোচনা হচ্ছিল দেশটির চ্যান্সেলর ওলাফ শুলজের। এবার সেই সমালোচনার জবাব দিতেই হয়তো দেশটি এমন সিদ্ধান্ত নিল। মূলত ইউক্রেনের ডাকে সাড়া দিয়েই এমন ঘোষণা এসেছে বার্লিন থেকে। কিয়েভ এত দিন পর্যন্ত ভারী যুদ্ধ সরঞ্জাম চেয়ে আসছিল। একই সঙ্গে আরও বেশি পরিমাণে গোলাবারুদও চাইছিল দেশটি। এই চাওয়ার জবাবে জার্মানি জানিয়ে দিয়েছে, এই মুহূর্তে এ ধরনের সরঞ্জামের ঘাটতি রয়েছে। তবে দরকার পড়লে কারখানা সচল হবে। আর গোলাবারুদের চাহিদার প্রতি আগেই সাড়া দিয়েছে পূর্ব ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ।
এদিকে গতকাল সোমবার পোল্যান্ডে করা সংবাদ সম্মেলনে লয়েড অস্টিন জানিয়েছিলেন, ইউক্রেনে পাঠানোর জন্য বিস্তর মানবিক সহায়তা প্রস্তুত আছে।
আল-জাজিরা জানাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো জোটের বাইরে নিজেদের জোট বিস্তৃত করছে। রাশিয়া বিরোধী এ জোটে এরই মধ্যে ৪০ টির মতো দেশ যুক্ত হয়েছে। এতে এশিয়া, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশও রয়েছে। আবার এমন কিছু দেশও আছে, যারা পর্দার আড়ালে থেকে যুক্তরাষ্ট্র জোটের হয়ে ইউক্রেনকে সহযোগিতা করতে চায়।

সিরীয় সরকার এবং কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির অধীনে এসডিএফ তাদের বাহিনীকে ইউফ্রেটিস বা ফোরাত নদীর পশ্চিম তীরবর্তী এলাকাগুলো থেকে প্রত্যাহার করে নেবে। গতকাল রোববার এই চুক্তি হয়।
১ ঘণ্টা আগে
স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলে দুটি উচ্চগতির ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ২১ জন নিহত এবং ৩০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় গতকাল রোববার সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা।
১ ঘণ্টা আগে
মিনেসোটায় মার্কিন সরকারের অভিবাসনবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া বিক্ষোভ চরম আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আলাস্কাভিত্তিক সেনাবাহিনীর ১১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের দুটি পদাতিক ব্যাটালিয়নকে ‘প্রিপেয়ার-টু-ডিপ্লয়’ বা মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
রয়টার্স নয়াদিল্লির একটি জ্যেষ্ঠ সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ভারতকে এই বৈশ্বিক শান্তি উদ্যোগের অংশ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে ভারত এই জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেবে কি না, তা নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া জানায়নি দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
১০ ঘণ্টা আগে