
হ্যারো নামে লন্ডনের এক শহরতলীতে বেড়ে উঠেছিলেন জাগদিপ সিধু। তাঁর ভারতীয় বাবা ছিলেন সরকারি চাকরিজীবী। ছোটবেলা থেকেই মেধার স্বাক্ষর রেখে মেডিক্যালে পড়াশোনা করেছিলেন জাগদিপ। পরে চিকিৎসক হিসেবে কাজ শুরু করেন পশ্চিম লন্ডনের ইয়ালিং হাসপাতালে।
প্রায় ২৫ বছর চিকিৎসা পেশায় থেকে বেশ নামডাক হয়েছিল তাঁর। সর্বশেষ ক্যান্টে অবস্থিত একটি হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। চিকিৎসকেরা প্রায়ই কমিশনের লোভে রোগীদের প্রাইভেট হাসপাতালগুলোতে যেতে উদ্বুদ্ধ করেন। তবে এ ক্ষেত্রে জাগদিপ ছিলেন ব্যতিক্রম। তিনি সব রোগীকেই সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিতেন। এমন ভালো একজন চিকিৎসক হয়েও মাত্র ৪৭ বছর বয়সে জাগদিপ আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর ভাই আমানদিপ।
আলজাজিরায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন বলছে, শুধু জাগদিপই নন। যুক্তরাজ্যে চিকিৎসকদের মধ্যে এমন আত্মহত্যার ঘটনা আজকাল আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। আর বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই নারী এবং অল্প বয়সী চিকিৎসকেরাই এই পথ বেছে নিচ্ছেন।
সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, শুধু ২০২০ সালেই চিকিৎসাসেবায় জড়িত (চিকিৎসক, নার্স ও থেরাপিস্ট) অন্তত ৭২ জন আত্মহত্যা করেছেন। এ হিসাবে প্রতি সপ্তাহে গড়ে একজনের বেশি আত্মহত্যা করেছেন। এ ছাড়া ২০২২ সালে চিকিৎসাক্ষেত্রে জড়িতদের মধ্যে ৩৬০টি আত্মহত্যা চেষ্টার ঘটনাও ঘটেছে।
অবস্থা এমন যে, চিকিৎসাক্ষেত্রের মানুষদের আত্মহত্যা করার বিষয়টি যেন একটি স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, গড়পড়তায় সাধারণ মানুষের তুলনায় যুক্তরাজ্যের নারী চিকিৎসকদের মধ্যে আত্মহত্যার হার চার গুণ বেশি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা পেশায় জড়িতদের মধ্যে আত্মহত্যার এমন উচ্চহারের জন্য প্রথমেই দায়ী অত্যধিক কাজের চাপ এবং এ থেকে সৃষ্ট বিষণ্নতা ও মুক্তির উপায়। কঠোর নিয়মশৃঙ্খলের এই পেশায় রয়েছে নানা ধরনের প্রতিযোগিতা, দলাদলি, গুন্ডামির মতো বিষয়ও। এ ছাড়া হয়রানি, ঘুমের অভাবজনিত কারণেও কর্মীদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে।

হ্যারো নামে লন্ডনের এক শহরতলীতে বেড়ে উঠেছিলেন জাগদিপ সিধু। তাঁর ভারতীয় বাবা ছিলেন সরকারি চাকরিজীবী। ছোটবেলা থেকেই মেধার স্বাক্ষর রেখে মেডিক্যালে পড়াশোনা করেছিলেন জাগদিপ। পরে চিকিৎসক হিসেবে কাজ শুরু করেন পশ্চিম লন্ডনের ইয়ালিং হাসপাতালে।
প্রায় ২৫ বছর চিকিৎসা পেশায় থেকে বেশ নামডাক হয়েছিল তাঁর। সর্বশেষ ক্যান্টে অবস্থিত একটি হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। চিকিৎসকেরা প্রায়ই কমিশনের লোভে রোগীদের প্রাইভেট হাসপাতালগুলোতে যেতে উদ্বুদ্ধ করেন। তবে এ ক্ষেত্রে জাগদিপ ছিলেন ব্যতিক্রম। তিনি সব রোগীকেই সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিতেন। এমন ভালো একজন চিকিৎসক হয়েও মাত্র ৪৭ বছর বয়সে জাগদিপ আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর ভাই আমানদিপ।
আলজাজিরায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন বলছে, শুধু জাগদিপই নন। যুক্তরাজ্যে চিকিৎসকদের মধ্যে এমন আত্মহত্যার ঘটনা আজকাল আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। আর বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই নারী এবং অল্প বয়সী চিকিৎসকেরাই এই পথ বেছে নিচ্ছেন।
সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, শুধু ২০২০ সালেই চিকিৎসাসেবায় জড়িত (চিকিৎসক, নার্স ও থেরাপিস্ট) অন্তত ৭২ জন আত্মহত্যা করেছেন। এ হিসাবে প্রতি সপ্তাহে গড়ে একজনের বেশি আত্মহত্যা করেছেন। এ ছাড়া ২০২২ সালে চিকিৎসাক্ষেত্রে জড়িতদের মধ্যে ৩৬০টি আত্মহত্যা চেষ্টার ঘটনাও ঘটেছে।
অবস্থা এমন যে, চিকিৎসাক্ষেত্রের মানুষদের আত্মহত্যা করার বিষয়টি যেন একটি স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, গড়পড়তায় সাধারণ মানুষের তুলনায় যুক্তরাজ্যের নারী চিকিৎসকদের মধ্যে আত্মহত্যার হার চার গুণ বেশি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা পেশায় জড়িতদের মধ্যে আত্মহত্যার এমন উচ্চহারের জন্য প্রথমেই দায়ী অত্যধিক কাজের চাপ এবং এ থেকে সৃষ্ট বিষণ্নতা ও মুক্তির উপায়। কঠোর নিয়মশৃঙ্খলের এই পেশায় রয়েছে নানা ধরনের প্রতিযোগিতা, দলাদলি, গুন্ডামির মতো বিষয়ও। এ ছাড়া হয়রানি, ঘুমের অভাবজনিত কারণেও কর্মীদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে।

ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক তথাকথিত ‘সেল সদস্যরা’ গোপনে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল।
২৪ মিনিট আগে
ইরানে চলমান অস্থিরতায় প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান। দেশজুড়ে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও কঠোর দমন-পীড়নে মৃত্যুর এই সংখ্যা প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষ
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতির ওপর নয়াদিল্লি নিবিড়ভাবে নজর রাখছে এবং কোনো ধরনের ‘ভুল-বোঝাবুঝি বা ভুল ব্যাখ্যা’ এড়াতে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক সং
২ ঘণ্টা আগে
তাঁর এই মন্তব্য শুধু সংবেদনশীল সময়ে বিজয়ের পাশে দাঁড়ানোই নয়, একই সঙ্গে জল্পনা আরও জোরদার করেছে যে—রাজ্যে ক্ষমতাসীন দ্রাবিড়া মুন্নেত্রা কাজাগামের (ডিএমকে) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেও কংগ্রেস হয়তো বিজয়ের দল তামিলগা ভেত্রি কড়গম বা টিভিকের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার পথ খোলা রাখছে।
৩ ঘণ্টা আগে