
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজ দলের ভেতরেই বিরোধিতার মুখে পড়েছেন দেশটির নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল শুক্রবার (স্থানীয় সময়) আলাস্কার সংখ্যাগরিষ্ঠ রিপাবলিকান সিনেট ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ভোট দেয়। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ট্রাম্প দেশটির সবচেয়ে উঁচু পর্বতশৃঙ্গ ‘ডেনালি’র নাম পরিবর্তন করে ‘মাউন্ট ম্যাককিনলি’ রাখার আদেশ দিয়েছিলেন।
কিন্তু তাঁর ডেনালি পর্বতের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্তে আলাস্কার আইনপ্রণেতাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। গতকাল শুক্রবার আলাস্কার সিনেট সর্বসম্মতভাবে একটি প্রস্তাব পাস করে ট্রাম্পকে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানায়। প্রস্তাবে বলা হয়, ‘ডেনালি নামটি রাজ্যের সংস্কৃতি ও গভীর পরিচয়ের অংশ।’
প্রস্তাবে আরও বলা হয়, ‘আলাস্কার বাসিন্দারা বিশ্বাস করেন, রাজ্যের ভৌগোলিক স্থানের নামকরণ তাঁদের এবং তাঁদের প্রতিনিধিদের মাধ্যমেই নির্ধারিত হওয়া উচিত।’
ক্ষমতায় এসেই একের পর এক নির্বাহী আদেশ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারকে নতুনভাবে রূপান্তর করতে চেয়েছেন ট্রাম্প। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ট্রাম্প-সমর্থক দাঙ্গাকারীদের (ক্যাপিটল হিল দাঙ্গা) জন্য সাধারণ ক্ষমা, ফেডারেল নিয়োগ স্থগিত এবং জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব প্রদানের সাংবিধানিক প্রথা বাতিলের চেষ্টা। তবে ২০ হাজার ৩০০ ফুট (৬,২০০ মিটার) উঁচু ডেনালি পর্বতের নাম পরিবর্তনের আদেশ আলাস্কার আইনপ্রণেতাদের ক্ষোভের কারণ হয়েছে।
এর আগে ১৯৭৫ সালে নিম্নকক্ষের আইনপ্রণেতারা এই পর্বতের আদিবাসী নামের স্বীকৃতির জন্য দাবি তুলেছিলেন; কিন্তু সেটি গৃহীত হয়নি। এর প্রায় চার দশক পর, ২০১৫ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আনুষ্ঠানিকভাবে এই দাবির স্বীকৃতি দেন এবং ‘মাউন্ট ম্যাককিনলি’ নামটি বাদ দেন।
১৯১৭ সালে ‘মাউন্ট ম্যাককিনলি’ নামটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছিল। এটি যুক্তরাষ্ট্রের ২৫তম প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম ম্যাককিনলির সম্মানে রাখা হয়েছিল। রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ম্যাককিনলি ১৮৯৭ থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজ দলের ভেতরেই বিরোধিতার মুখে পড়েছেন দেশটির নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল শুক্রবার (স্থানীয় সময়) আলাস্কার সংখ্যাগরিষ্ঠ রিপাবলিকান সিনেট ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ভোট দেয়। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ট্রাম্প দেশটির সবচেয়ে উঁচু পর্বতশৃঙ্গ ‘ডেনালি’র নাম পরিবর্তন করে ‘মাউন্ট ম্যাককিনলি’ রাখার আদেশ দিয়েছিলেন।
কিন্তু তাঁর ডেনালি পর্বতের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্তে আলাস্কার আইনপ্রণেতাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। গতকাল শুক্রবার আলাস্কার সিনেট সর্বসম্মতভাবে একটি প্রস্তাব পাস করে ট্রাম্পকে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানায়। প্রস্তাবে বলা হয়, ‘ডেনালি নামটি রাজ্যের সংস্কৃতি ও গভীর পরিচয়ের অংশ।’
প্রস্তাবে আরও বলা হয়, ‘আলাস্কার বাসিন্দারা বিশ্বাস করেন, রাজ্যের ভৌগোলিক স্থানের নামকরণ তাঁদের এবং তাঁদের প্রতিনিধিদের মাধ্যমেই নির্ধারিত হওয়া উচিত।’
ক্ষমতায় এসেই একের পর এক নির্বাহী আদেশ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারকে নতুনভাবে রূপান্তর করতে চেয়েছেন ট্রাম্প। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ট্রাম্প-সমর্থক দাঙ্গাকারীদের (ক্যাপিটল হিল দাঙ্গা) জন্য সাধারণ ক্ষমা, ফেডারেল নিয়োগ স্থগিত এবং জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব প্রদানের সাংবিধানিক প্রথা বাতিলের চেষ্টা। তবে ২০ হাজার ৩০০ ফুট (৬,২০০ মিটার) উঁচু ডেনালি পর্বতের নাম পরিবর্তনের আদেশ আলাস্কার আইনপ্রণেতাদের ক্ষোভের কারণ হয়েছে।
এর আগে ১৯৭৫ সালে নিম্নকক্ষের আইনপ্রণেতারা এই পর্বতের আদিবাসী নামের স্বীকৃতির জন্য দাবি তুলেছিলেন; কিন্তু সেটি গৃহীত হয়নি। এর প্রায় চার দশক পর, ২০১৫ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আনুষ্ঠানিকভাবে এই দাবির স্বীকৃতি দেন এবং ‘মাউন্ট ম্যাককিনলি’ নামটি বাদ দেন।
১৯১৭ সালে ‘মাউন্ট ম্যাককিনলি’ নামটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছিল। এটি যুক্তরাষ্ট্রের ২৫তম প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম ম্যাককিনলির সম্মানে রাখা হয়েছিল। রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ম্যাককিনলি ১৮৯৭ থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন।

ইন্টারনেট সেন্সরশিপ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিল্টারওয়াচের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার আর সাধারণ নাগরিক অধিকার নয়, বরং সরকারের দেওয়া ‘বিশেষ সুযোগ’ হিসেবে গণ্য হবে। ফিল্টারওয়াচের প্রধান আমির রাশিদি জানান, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, যাঁদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র আছে বা যাঁরা সরকারি যাচাই
১ ঘণ্টা আগে
গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনায় বাধা দেওয়ায় ইউরোপের আটটি দেশের ওপর শুল্কের খড়্গ চালিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেনমার্কসহ উত্তর ইউরোপ ও পশ্চিম ইউরোপের আটটি দেশের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। অভিযানের পরও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তি।
৪ ঘণ্টা আগে
আল-জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি রেসুল সেরদার জানান, খামেনির বক্তব্যে আগের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নতুন তথ্য উঠে এসেছে। সেটা হলো, প্রাণহানির সংখ্যা। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম খামেনি নিহতের সংখ্যা নিয়ে ইঙ্গিত দিলেন। তিনি বলেছেন, সহিংস বিক্ষোভকারীরা হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।’
৫ ঘণ্টা আগে