
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে কোভিড-১৯ পরীক্ষার মেশিন উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন। এমনটাই দাবি করেছেন ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির আলোচিত প্রতিবেদক বব উডওয়ার্ড। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বব উউওয়ার্ড তাঁর নতুন প্রকাশিতব্য বই ‘ওয়ার’-এ দাবি করেছেন। মার্কিন গণমাধ্যমগুলো বইটির এই চুম্বক অংশ প্রকাশ করেছে। তিনি এতে বলেছেন, রাশিয়ায় কোভিড-১৯ পরীক্ষার মেশিন কম পড়ে গিয়েছিল। আর তখনই পুতিনের পাশে ত্রাতা হয়ে এগিয়ে আসেন ট্রাম্প। তিনি পুতিনকে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য কোভিড-১৯ পরীক্ষার মেশিন পাঠিয়েছিলেন। তবে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা দল এই দাবি তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।
প্রখ্যাত এই সাংবাদিক তাঁর বইয়ে কেবল কোভিড-১৯ পরীক্ষার মেশিন উপহার দেওয়ার বিষয়টিই উল্লেখ করেননি, একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, ক্ষমতা ছাড়ার পরও ডোনাল্ড ট্রাম্প পুতিনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। তবে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা দল এই দাবিকে ‘বানোয়াট গালগল্প’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
বইটিতে বলা হয়, ট্রাম্প পুতিনকে তাঁর ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য অ্যাবট পয়েন্ট অব কেয়ার ইনকরপোরেশনের তৈরি একটি কোভিড-১৯ পরীক্ষার মেশিন উপহার দিয়েছিলেন। বইটিতে দাবি করা হয়, পুতিন সে সময় খুব দুশ্চিন্তায় ছিলেন যে, তিনি যেকোনো সময় কোভিডে আক্রান্ত হতে পারেন।
বইটিতে আরও দাবি করা হয়, পুতিন ট্রাম্পকে অনুরোধ করেছিলেন যেন এই উপহারের বিষয়টি প্রকাশ না পায়। কারণ, এতে ট্রাম্পের ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। পুতিন ট্রাম্পকে বলেছিলেন, ‘আমি চাই না আপনি বিষয়টি আর কাউকে বলুন। কারণ, এতে লোকজন আপনার ওপর ক্ষুব্ধ হবে, আমার ওপর নয়।’ জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘ঠিক আছে। তবে আমি পরোয়া করি না।’
নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে, বইটিতে এমন এক দৃশ্য বর্ণনা করা হয়েছে যেখানে ট্রাম্প তাঁর এক সহযোগীকে নিজ বাসভবন মার-এ-লাগোর ব্যক্তিগত কার্যালয় থেকে বাইরে যেতে বলেন, যাতে তিনি পুতিনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলতে পারেন।
নাম প্রকাশ না করা ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২০২১ সালের শুরুতে ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউস ছেড়ে আসার পর এখন পর্যন্ত অন্তত ছয়বার আলাপ করেছেন পুতিনের সঙ্গে। তবে তাঁরা কী আলোচনা করেছেন, সেসব বিষয়বস্তুর ব্যাপারে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি বইটিতে। তবে বব উউওয়ার্ড নিজেই বলেছেন, তিনি ট্রাম্পের সহকারীর দাবিকে যাচাই করতে পারেননি।
যুক্তরাষ্ট্রের আলোচিত ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি উন্মোচনের মূল নায়ক বব উডওয়ার্ড। এখন পর্যন্ত তিনি বেশ কয়েকটি বই লিখেছেন, যেগুলো বেস্টসেলার হয়েছ। তাঁর অধিকাংশ বইই বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে লেখা।
ট্রাম্প নির্বাচনী প্রচারণা দলের মুখপাত্র স্টিভেন চেউং বিবিসিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাকে এই আবর্জনা বইয়ের জন্য একেবারেই কোনো সুযোগ দেননি (কথা বলার)। এটি হয় ডিসকাউন্টে চলা কোনো বইয়ের দোকানের কল্পকাহিনী বিভাগের দর-কষাকষিতে অথবা টয়লেট টিস্যু হিসেবে ব্যবহৃত হয়।’
উডওয়ার্ডকে ‘বিকৃতমস্তিষ্ক’ ও ‘মানসিক বিকারগ্রস্ত’ আখ্যা দিয়ে চেউং আরও বলেছেন, ‘উডওয়ার্ড একজন রাগান্বিত ছোট বাচ্চার মতো এবং স্পষ্টতই মানুষের বিরক্তির কারণ। কারণ, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর আগে করা রেকর্ডিংগুলোর অননুমোদিত প্রকাশের কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করছিলেন।’
এর আগে, ২০২১ সালে ট্রাম্প সাংবাদিক উডওয়ার্ডের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে ট্রাম্প এই অভিযোগ এনেছিলেন যে, উডওয়ার্ড অনুমতি ছাড়াই সাবেক প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎকারের রেকর্ডিং প্রকাশ করেছিলেন। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেন উডওয়ার্ড।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে কোভিড-১৯ পরীক্ষার মেশিন উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন। এমনটাই দাবি করেছেন ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির আলোচিত প্রতিবেদক বব উডওয়ার্ড। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বব উউওয়ার্ড তাঁর নতুন প্রকাশিতব্য বই ‘ওয়ার’-এ দাবি করেছেন। মার্কিন গণমাধ্যমগুলো বইটির এই চুম্বক অংশ প্রকাশ করেছে। তিনি এতে বলেছেন, রাশিয়ায় কোভিড-১৯ পরীক্ষার মেশিন কম পড়ে গিয়েছিল। আর তখনই পুতিনের পাশে ত্রাতা হয়ে এগিয়ে আসেন ট্রাম্প। তিনি পুতিনকে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য কোভিড-১৯ পরীক্ষার মেশিন পাঠিয়েছিলেন। তবে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা দল এই দাবি তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।
প্রখ্যাত এই সাংবাদিক তাঁর বইয়ে কেবল কোভিড-১৯ পরীক্ষার মেশিন উপহার দেওয়ার বিষয়টিই উল্লেখ করেননি, একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, ক্ষমতা ছাড়ার পরও ডোনাল্ড ট্রাম্প পুতিনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। তবে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা দল এই দাবিকে ‘বানোয়াট গালগল্প’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
বইটিতে বলা হয়, ট্রাম্প পুতিনকে তাঁর ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য অ্যাবট পয়েন্ট অব কেয়ার ইনকরপোরেশনের তৈরি একটি কোভিড-১৯ পরীক্ষার মেশিন উপহার দিয়েছিলেন। বইটিতে দাবি করা হয়, পুতিন সে সময় খুব দুশ্চিন্তায় ছিলেন যে, তিনি যেকোনো সময় কোভিডে আক্রান্ত হতে পারেন।
বইটিতে আরও দাবি করা হয়, পুতিন ট্রাম্পকে অনুরোধ করেছিলেন যেন এই উপহারের বিষয়টি প্রকাশ না পায়। কারণ, এতে ট্রাম্পের ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। পুতিন ট্রাম্পকে বলেছিলেন, ‘আমি চাই না আপনি বিষয়টি আর কাউকে বলুন। কারণ, এতে লোকজন আপনার ওপর ক্ষুব্ধ হবে, আমার ওপর নয়।’ জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘ঠিক আছে। তবে আমি পরোয়া করি না।’
নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে, বইটিতে এমন এক দৃশ্য বর্ণনা করা হয়েছে যেখানে ট্রাম্প তাঁর এক সহযোগীকে নিজ বাসভবন মার-এ-লাগোর ব্যক্তিগত কার্যালয় থেকে বাইরে যেতে বলেন, যাতে তিনি পুতিনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলতে পারেন।
নাম প্রকাশ না করা ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২০২১ সালের শুরুতে ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউস ছেড়ে আসার পর এখন পর্যন্ত অন্তত ছয়বার আলাপ করেছেন পুতিনের সঙ্গে। তবে তাঁরা কী আলোচনা করেছেন, সেসব বিষয়বস্তুর ব্যাপারে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি বইটিতে। তবে বব উউওয়ার্ড নিজেই বলেছেন, তিনি ট্রাম্পের সহকারীর দাবিকে যাচাই করতে পারেননি।
যুক্তরাষ্ট্রের আলোচিত ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি উন্মোচনের মূল নায়ক বব উডওয়ার্ড। এখন পর্যন্ত তিনি বেশ কয়েকটি বই লিখেছেন, যেগুলো বেস্টসেলার হয়েছ। তাঁর অধিকাংশ বইই বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে লেখা।
ট্রাম্প নির্বাচনী প্রচারণা দলের মুখপাত্র স্টিভেন চেউং বিবিসিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাকে এই আবর্জনা বইয়ের জন্য একেবারেই কোনো সুযোগ দেননি (কথা বলার)। এটি হয় ডিসকাউন্টে চলা কোনো বইয়ের দোকানের কল্পকাহিনী বিভাগের দর-কষাকষিতে অথবা টয়লেট টিস্যু হিসেবে ব্যবহৃত হয়।’
উডওয়ার্ডকে ‘বিকৃতমস্তিষ্ক’ ও ‘মানসিক বিকারগ্রস্ত’ আখ্যা দিয়ে চেউং আরও বলেছেন, ‘উডওয়ার্ড একজন রাগান্বিত ছোট বাচ্চার মতো এবং স্পষ্টতই মানুষের বিরক্তির কারণ। কারণ, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর আগে করা রেকর্ডিংগুলোর অননুমোদিত প্রকাশের কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করছিলেন।’
এর আগে, ২০২১ সালে ট্রাম্প সাংবাদিক উডওয়ার্ডের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে ট্রাম্প এই অভিযোগ এনেছিলেন যে, উডওয়ার্ড অনুমতি ছাড়াই সাবেক প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎকারের রেকর্ডিং প্রকাশ করেছিলেন। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেন উডওয়ার্ড।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৬ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৬ ঘণ্টা আগে