আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইসরায়েলকে পশ্চিম তীর দখল করতে দেওয়া হবে না। গতকাল বুধবার, নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে আরব ও মুসলিম নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এ আশ্বাস দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই বৈঠকে অংশ নিয়েছেন সৌদি আরব, মিসর, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, জর্ডান ও পাকিস্তানের শীর্ষ নেতারা। শুধু পশ্চিম তীর নয়, গাজা দখল, ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদসহ জেরুজালেমের পবিত্র স্থাপনাগুলোর ঐতিহাসিক অবস্থান পরিবর্তনের ঝুঁকিসহ বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে ওই বৈঠকে। আলোচনায় উপস্থিত ছিল এমন এক সূত্র জানিয়েছে, সব ইস্যুতেই বেশ ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন ট্রাম্প।
বৈঠকে উপস্থিত এক কর্মকর্তা আল-জাজিরাকে বলেন, ‘মার্কিন সবুজ সংকেত ছাড়া নেতানিয়াহু মধ্যপ্রাচ্যে কিছুই করে না। ট্রাম্প যেহেতু আশ্বস্ত করেছেন সেহেতু আপাতত শঙ্কা কিছুটা কমেছে।’ আরেকজন উপস্থিত ব্যক্তিও ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স ও অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশ সম্প্রতি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে। দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান টিকিয়ে রাখতে এখনই পদক্ষেপ জরুরি বলে বলছেন পশ্চিমা নেতারা। বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইসরায়েলের দীর্ঘ দুই বছর ধরে গাজায় যে যুদ্ধাপরাধের চালিয়ে যাচ্ছে তার মধ্যে এই স্বীকৃতি নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে সরাসরি প্রতিবাদ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে বিষয়টি ইসরায়েলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। নেতানিয়াহুর ডানপন্থী মন্ত্রীরা পশ্চিম তীরকে দ্রুত ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত করার দাবি তুলেছেন। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী সোমবার ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিম তীর দখলের উদ্যোগ নিলে ২০২০ সালে স্বাক্ষরিত আব্রাহাম চুক্তি ঝুঁকিতে পড়বে। বিশেষ করে আমিরাত—যা প্রথম ও প্রভাবশালী আরব দেশ হিসেবে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে তারাও এমন পদক্ষেপকে ‘রেড লাইন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
এ সপ্তাহে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ঘিরে আরব ও ইউরোপীয় নেতারা ওয়াশিংটনকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আরব নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘গাজা ইস্যুটি সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বিষয়টি খুব পরিষ্কারভাবেই বুঝি।’ তবে পশ্চিম তীর নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

ইসরায়েলকে পশ্চিম তীর দখল করতে দেওয়া হবে না। গতকাল বুধবার, নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে আরব ও মুসলিম নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এ আশ্বাস দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই বৈঠকে অংশ নিয়েছেন সৌদি আরব, মিসর, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, জর্ডান ও পাকিস্তানের শীর্ষ নেতারা। শুধু পশ্চিম তীর নয়, গাজা দখল, ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদসহ জেরুজালেমের পবিত্র স্থাপনাগুলোর ঐতিহাসিক অবস্থান পরিবর্তনের ঝুঁকিসহ বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে ওই বৈঠকে। আলোচনায় উপস্থিত ছিল এমন এক সূত্র জানিয়েছে, সব ইস্যুতেই বেশ ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন ট্রাম্প।
বৈঠকে উপস্থিত এক কর্মকর্তা আল-জাজিরাকে বলেন, ‘মার্কিন সবুজ সংকেত ছাড়া নেতানিয়াহু মধ্যপ্রাচ্যে কিছুই করে না। ট্রাম্প যেহেতু আশ্বস্ত করেছেন সেহেতু আপাতত শঙ্কা কিছুটা কমেছে।’ আরেকজন উপস্থিত ব্যক্তিও ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স ও অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশ সম্প্রতি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে। দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান টিকিয়ে রাখতে এখনই পদক্ষেপ জরুরি বলে বলছেন পশ্চিমা নেতারা। বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইসরায়েলের দীর্ঘ দুই বছর ধরে গাজায় যে যুদ্ধাপরাধের চালিয়ে যাচ্ছে তার মধ্যে এই স্বীকৃতি নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে সরাসরি প্রতিবাদ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে বিষয়টি ইসরায়েলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। নেতানিয়াহুর ডানপন্থী মন্ত্রীরা পশ্চিম তীরকে দ্রুত ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত করার দাবি তুলেছেন। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী সোমবার ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিম তীর দখলের উদ্যোগ নিলে ২০২০ সালে স্বাক্ষরিত আব্রাহাম চুক্তি ঝুঁকিতে পড়বে। বিশেষ করে আমিরাত—যা প্রথম ও প্রভাবশালী আরব দেশ হিসেবে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে তারাও এমন পদক্ষেপকে ‘রেড লাইন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
এ সপ্তাহে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ঘিরে আরব ও ইউরোপীয় নেতারা ওয়াশিংটনকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আরব নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘গাজা ইস্যুটি সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বিষয়টি খুব পরিষ্কারভাবেই বুঝি।’ তবে পশ্চিম তীর নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে