
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের নেতৃত্ব বর্তমানে ‘নিষ্ক্রিয়’ হয়ে পড়েছে এবং তিনি দেশটিতে এমন নতুন নেতৃত্ব খুঁজছেন, যাঁরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করবেন। সিএনএনকে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরান ইস্যু ছাড়াও কিউবা পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগে ইরান যতটা শক্তিশালী ছিল, এখন তারা তেমন নেই। তারা এখন কার্যত অক্ষম হয়ে পড়েছে।’ ইরানের পরবর্তী নেতৃত্বের বিষয়ে তিনি বলেন, তিনি নিজে এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকতে চান। ভেনেজুয়েলার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সেখানে যেমন নিকোলাস মাদুরোকে সরিয়ে ডেলসি রদ্রিগেজকে ক্ষমতায় বসানো হয়েছে, ইরানেও তেমনটি করা সম্ভব।
কৌতূহলোদ্দীপক বিষয় হলো, ইরানে কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের পরিবর্তে ধর্মীয় নেতৃত্ব এলেও তাঁর আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিটি কেমন তার ওপর সবকিছু নির্ভর করে। আমি অনেক ধর্মীয় নেতার সঙ্গেই কাজ করি, তাঁরা চমৎকার। আমার মূল শর্ত হলো—নেতাকে হতে হবে ন্যায়পরায়ণ এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের স্বার্থের প্রতি অনুগত।’
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প দাবি করেন, ওবামা ও বাইডেন প্রশাসন সৌদি আরব বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো বন্ধুদের অবজ্ঞা করেছিল, কিন্তু তিনি তাঁদের সঙ্গে বন্ধুত্ব পুনরুদ্ধার করেছেন।
ইরানের পর কিউবা নিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘অদূর ভবিষ্যতে কিউবার পতন ঘটতে যাচ্ছে। তারা মরিয়া হয়ে একটি চুক্তি করতে চায়।’ তিনি ইঙ্গিত দেন, মার্কো রুবিওকে (পররাষ্ট্রমন্ত্রী) এই বিষয়ে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তবে বর্তমানে তাঁর প্রধান অগ্রাধিকার হলো ইরান। গত বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প বলেছিলেন, কিউবান আমেরিকানদের স্বদেশে ফেরার সময় হয়ে এসেছে।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের উত্তেজনায় তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ট্রাম্প খুব একটা চিন্তিত নন। তিনি বলেন, এটি সাময়িক এবং খুব দ্রুত দাম কমে যাবে। এ ছাড়া হরমুজ প্রণালি নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা ওদের নৌবাহিনীকে পঙ্গু করে দিয়েছি। তাদের প্রায় ২৫টি বড় যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করা হয়েছে, ফলে তারা এখন আর কিছুই করতে পারবে না।’
সাক্ষাৎকারের শেষ দিকে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনী সংস্কারের ওপর জোর দেন। তিনি ‘সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট’-এর প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে বলেন, এটি যুদ্ধের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিনি নির্বাচনে ভোটার আইডি কার্ড বাধ্যতামূলক করা, নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র থাকা এবং অতি সীমিত আকারে মেইল-ইন ব্যালট ব্যবহারের দাবি জানান। এ ছাড়া খেলাধুলায় ট্রান্সজেন্ডারদের অংশগ্রহণ এবং তরুণদের ট্রান্সজেন্ডার অস্ত্রোপচার বন্ধের দাবিও তাঁর নতুন শর্তগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এদিকে টেক্সাসের সিনেট নির্বাচনে জন কর্নিন নাকি কেন প্যাক্সটনকে তিনি সমর্থন দেবেন, তা নির্ভর করছে এই আইনের প্রতি তাঁদের সমর্থনের ওপর। ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই আইন পাস করতে প্রয়োজনে সিনেটের ‘ফিলিবাস্টার’ নিয়ম বাতিল করতে হবে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের শুরু করা যুদ্ধে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন জার্মানির ভাইস চ্যান্সেলর লার্স ক্লিংবেইল। তিনি এই যুদ্ধের আন্তর্জাতিক বৈধতা নিয়েও ‘সন্দেহ’ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, জার্মানি এই সংঘাতের অংশ হবে না।
১৪ মিনিট আগে
ইরান প্রতিবেশীদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে ‘খুব কঠিন’ হামলারও হুমকি দিয়েছেন তিনি। প্রতিবেশী দেশগুলোর দিক থেকে কোনো হুমকি না এলে ইরান আর তাদের ভূখণ্ডে হামলা করবে না—ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং পরে ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস
২১ মিনিট আগে
ইসরায়েলে অবস্থানরত প্রত্যেক সংবাদকর্মী এবং সাধারণ নাগরিক বর্তমানে একটি কঠোর সামরিক সেন্সরশিপ বা বিধিনিষেধের আওতাধীন। জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে যেকোনো সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ বা প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষমতা রাখে এই সেন্সর কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে যুদ্ধকালীন এই সময়ে কোনো লাইভ সম্প্রচার...
৪২ মিনিট আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের বিবৃতির পর এবার ইসলামিক রেভল্যুশানির গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নিশ্চিত করল, তারা প্রতিবেশী দেশে আর হামলা করবে না। আইআরজিসি বলেছে, আমরা প্রতিবেশীদের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করি, তবে যদি আক্রমণ অব্যাহত থাকে তবে সমস্ত মার্কিন-ইসরায়েল ঘাঁটি এবং স্বার্থ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণ
১ ঘণ্টা আগে