আজকের পত্রিকা ডেস্ক

গাজা যুদ্ধের অবসান ও ফিলিস্তিন ভূখণ্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে মুসলিম বিশ্বের নেতাদের একটি পরিকল্পনা দিতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ মঙ্গলবার এ নিয়ে আরব ও মুসলিম দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে একটি বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন তিনি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের (ইউএনজিএ) ফাঁকে নিউইয়র্কে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট নিশ্চিত করেছেন।
বৈঠকে সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর, জর্ডান, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানের নেতারা উপস্থিত থাকবেন। ট্রাম্প তাঁদের সঙ্গে গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের সম্ভাবনা, আঞ্চলিক দেশগুলোর শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানো এবং পুনর্গঠন কার্যক্রম ও তার অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা করবেন বলে মার্কিন ও ইসরায়েলি গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে।
ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো গতকাল সোমবার জাতিসংঘে ফ্রান্স ও সৌদি আরবের আয়োজিত দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানবিষয়ক সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা শান্তির যাত্রায় অংশ নিতে প্রস্তুত। আমরা শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠাতে ইচ্ছুক।’ এর আগে গত রোববার যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, পর্তুগাল ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। গতকাল সোমবার ফ্রান্সও সেই তালিকায় যোগ দিয়েছে।
সূত্রগুলো বলছে, ট্রাম্পের প্রস্তাব ইসরায়েল খসড়া করেনি, তবে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। পরিকল্পনায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে (পিএ) অন্তর্ভুক্ত করার কথা থাকলেও হামাসের কোনো ভূমিকা থাকবে না বলে জানা গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বারবার দাবি করে এসেছে, ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে হামাসকে নিরস্ত্র ও বিলুপ্ত করতে হবে।
এদিকে প্রায় দুই বছর ধরে চলা গাজা যুদ্ধ ইতিমধ্যে ৬৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনির প্রাণ কেড়েছে, যাদের বেশির ভাগই বেসামরিক মানুষ। চলতি মাসের শুরুতে কাতারের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি আলোচনায় অগ্রগতি হলেও ইসরায়েলি বাহিনীর কাতারে বাসরত হামাস নেতাদের হত্যাচেষ্টা পরিস্থিতিকে নতুন করে জটিল করেছে।
সম্প্রতি গাজা সিটিতে টানা বিমান হামলা ও স্থল অভিযানে প্রতিদিন ডজন ডজন বেসামরিক মানুষ নিহত হচ্ছে এবং হাজারো মানুষ দক্ষিণ দিকে পালিয়ে যাচ্ছে। গত মার্চে হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ভেস্তে যাওয়ার পর থেকে ইসরায়েল অবরোধ কঠোর করে দুর্ভিক্ষকে আরও তীব্র করেছে।
এই অবস্থায় মার্কিন গণমাধ্যম ফক্স নিউজ জানিয়েছে, ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে অর্ধেক জিম্মি মুক্তির প্রস্তাব দিয়ে ট্রাম্পকে একটি চিঠি পাঠিয়েছে হামাস। চিঠিটি কাতারের মাধ্যমে ট্রাম্পের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে, যদিও এ বিষয়ে কাতার বা হামাস আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

গাজা যুদ্ধের অবসান ও ফিলিস্তিন ভূখণ্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে মুসলিম বিশ্বের নেতাদের একটি পরিকল্পনা দিতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ মঙ্গলবার এ নিয়ে আরব ও মুসলিম দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে একটি বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন তিনি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের (ইউএনজিএ) ফাঁকে নিউইয়র্কে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট নিশ্চিত করেছেন।
বৈঠকে সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর, জর্ডান, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানের নেতারা উপস্থিত থাকবেন। ট্রাম্প তাঁদের সঙ্গে গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের সম্ভাবনা, আঞ্চলিক দেশগুলোর শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানো এবং পুনর্গঠন কার্যক্রম ও তার অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা করবেন বলে মার্কিন ও ইসরায়েলি গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে।
ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো গতকাল সোমবার জাতিসংঘে ফ্রান্স ও সৌদি আরবের আয়োজিত দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানবিষয়ক সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা শান্তির যাত্রায় অংশ নিতে প্রস্তুত। আমরা শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠাতে ইচ্ছুক।’ এর আগে গত রোববার যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, পর্তুগাল ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। গতকাল সোমবার ফ্রান্সও সেই তালিকায় যোগ দিয়েছে।
সূত্রগুলো বলছে, ট্রাম্পের প্রস্তাব ইসরায়েল খসড়া করেনি, তবে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। পরিকল্পনায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে (পিএ) অন্তর্ভুক্ত করার কথা থাকলেও হামাসের কোনো ভূমিকা থাকবে না বলে জানা গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বারবার দাবি করে এসেছে, ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে হামাসকে নিরস্ত্র ও বিলুপ্ত করতে হবে।
এদিকে প্রায় দুই বছর ধরে চলা গাজা যুদ্ধ ইতিমধ্যে ৬৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনির প্রাণ কেড়েছে, যাদের বেশির ভাগই বেসামরিক মানুষ। চলতি মাসের শুরুতে কাতারের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি আলোচনায় অগ্রগতি হলেও ইসরায়েলি বাহিনীর কাতারে বাসরত হামাস নেতাদের হত্যাচেষ্টা পরিস্থিতিকে নতুন করে জটিল করেছে।
সম্প্রতি গাজা সিটিতে টানা বিমান হামলা ও স্থল অভিযানে প্রতিদিন ডজন ডজন বেসামরিক মানুষ নিহত হচ্ছে এবং হাজারো মানুষ দক্ষিণ দিকে পালিয়ে যাচ্ছে। গত মার্চে হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ভেস্তে যাওয়ার পর থেকে ইসরায়েল অবরোধ কঠোর করে দুর্ভিক্ষকে আরও তীব্র করেছে।
এই অবস্থায় মার্কিন গণমাধ্যম ফক্স নিউজ জানিয়েছে, ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে অর্ধেক জিম্মি মুক্তির প্রস্তাব দিয়ে ট্রাম্পকে একটি চিঠি পাঠিয়েছে হামাস। চিঠিটি কাতারের মাধ্যমে ট্রাম্পের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে, যদিও এ বিষয়ে কাতার বা হামাস আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে