
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি আনতে ঘাম ছুটে যাচ্ছে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর। এই মধ্যস্থতার অন্যতম মূল দেশ পাকিস্তানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই দুই পক্ষের মধ্যে, বিশেষ করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দূরত্ব দূর করার বিষয়টি অনেকটা স্কুলপড়ুয়া বালকদের মারামারি থামানোর মতো, যাদের উভয়েরই অহংবোধ প্রবল।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার সাংবাদিক ওসামা বিন জাভাইড পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি জানিয়েছে, পাকিস্তানের কর্মকর্তারা আমাকে জানিয়েছেন, ইসলামাবাদ বর্তমানে এই দুই দেশের ভাষায় ‘হতাশাগ্রস্ত তৎপর কূটনীতি’ চালাচ্ছে। তাঁরা বলছেন, সংবাদপত্র বা শিরোনামের মাধ্যমে তারা কূটনীতি করতে চান না। বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর।
এক কর্মকর্তা বলেছেন, তারা মূলত এমন এক পরিস্থিতির মুখোমুখি, যা অনেকটা স্কুলপড়ুয়া বালকদের মারামারির মতো। এখানে সামলাতে হচ্ছে ‘অহংকার’, আর একই সঙ্গে রয়েছে ‘গভীর অবিশ্বাসের এক বিশাল সাগর’, যার ওপর তাদের সেতু গড়ে তুলতে হচ্ছে।
এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাঈল বাঘাই উল্লেখ করেছেন, তারা একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার শিকার হয়েছে। তো, এই অবস্থায় এখন প্রশ্ন হচ্ছে—যদি কোনো ধরনের সমঝোতা হয়, যদি কোনো চুক্তি হয়, তাহলে কী নিশ্চয়তা আছে যে তাদের নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না?
আলোচনার টেবিলে বসতে গেলে তাদের নিরাপত্তা কে নিশ্চিত করবে? পাকিস্তানিরা ইরানের ক্ষমতার কাঠামোর বিভিন্ন স্তরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। এক পাকিস্তানি সূত্র জানিয়েছে, তারা ইরানের ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলছে, কূটনীতিকদের সঙ্গে কথা বলছে এবং সামরিক কমান্ডারদের সঙ্গেও যোগাযোগ করছে—যার মধ্যে ইঙ্গিত রয়েছে আইআরজিসিও রয়েছে।

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অভিজাত শাখা কুদস ফোর্সের গোপন বা আন্ডারকাভার ইউনিটের প্রধানকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ)। আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
১৫ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের এই পুরো অভিযান নিয়ে ‘অনেক প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা’ রয়েছে। পাইলটের অবস্থান এবং মার্কিন বাহিনীর অবতরণস্থলের মধ্যকার বিশাল দূরত্বের বিষয়টি সামনে আনেন, তাহলেই বুঝতে পারবেন।
১ ঘণ্টা আগে
এদিকে তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদোলু কয়েকটি পাকিস্তানি কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে বলছে, আলোচনায় বসার আগে ইরান কিছু শর্ত দিয়েছে। তেহরান চায় হরমুজ প্রণালি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে ‘ডেডলাইন’ বা সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন, তা কোনো শর্ত ছাড়াই প্রত্যাহার করতে হবে।
১ ঘণ্টা আগে
চীন সফরে যাচ্ছেন তাইওয়ানের বিরোধীদলীয় নেত্রী চেং লি-উন। আগামীকাল তাইওয়ানের বিরোধীদলীয় নেত্রী ‘শান্তি মিশন’ নিয়ে বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা হবেন। সেখানে চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হতে পারে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে