
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশটির হয়ে ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খান আরও একটি মামলায় খালাস পেয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করায় দায়ের করা মামলায় তাঁকে খালাস দিয়েছেন ইসলামাবাদের একটি দায়রা জজ আদালত। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইমরান খান, পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশিসহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ২০২২ সালে এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সে সময় ইমরান খানের বিরুদ্ধে দেশটির নির্বাচন কমিশন তোশাখানা মামলা দায়ের করলে সেটির প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন ইমরান খানসহ অন্যরা। সে বিষয়েই স্থানীয় আপবাড়া পুলিশ স্টেশনে মামলা দায়ের করেছিল নির্বাচন কমিশন।
সেই মামলায় আজ বুধবার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসির মেহমুদ ইমরান খানসহ অন্যদের মুক্তি দেন। এর আগে, গত সপ্তাহে এই মামলার শুনানি শেষ হয়। সে সময়ই রায় ঘোষণার জন্য আজকের তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন আদালত।
ইমরান খান ছাড়াও এই মামলায় মুক্তি বা খালাস পাওয়া অন্যরা হলেন শাহ মাহমুদ কুরেশি, শেখ রশিদ, আসাদ কায়সার, শাহরিয়ার আফ্রিদি, ফয়সাল জাভেদ, রাজা খুররম নওয়াজ এবং আলী নওয়াজ আওয়ান। ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সরদার মাসরুফ ও অ্যাডভোকেট আনসার কায়ানি এই মামলায় শুনানি করেন।
এর আগে ইদ্দতকাল পূর্ণ হওয়ার আগেই প্রতারণামূলক বিয়ে ও ব্যভিচারের অভিযোগে সাত বছরের কারাদণ্ডাদেশ পান ইমরান খান ও তাঁর তৃতীয় স্ত্রী বুশরা বিবি। সেই দণ্ড বাতিলের জন্য একটি আবেদন করলে গত ২৭ জুন তা খারিজ করে দেন ইসলামাবাদের একটি আদালত।
মুসলিম বিবাহ আইনে বিচ্ছেদের পর ইদ্দতের ৯০ দিন পাড়ি দেওয়ার আগেই বুশরা বিবি ও ইমরান খান বিয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন এবং তাঁরা ব্যভিচারে লিপ্ত হয়েছিলেন—এমন অভিযোগে মামলাটি করেছিলেন বুশরার সাবেক স্বামী খাওবার মানেকা। এই মামলার শুনানিতে গত ৩ ফেব্রুয়ারি বুশরা ও ইমরানকে দোষী সাব্যস্ত করে সাত বছরের কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ৫ লাখ পাকিস্তানি রুপি জরিমানা করেন একটি আদালত। কাছাকাছি সময়েই আরেকটি তোশাখানা মামলায় এই দম্পতিকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশটির হয়ে ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খান আরও একটি মামলায় খালাস পেয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করায় দায়ের করা মামলায় তাঁকে খালাস দিয়েছেন ইসলামাবাদের একটি দায়রা জজ আদালত। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইমরান খান, পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশিসহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ২০২২ সালে এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সে সময় ইমরান খানের বিরুদ্ধে দেশটির নির্বাচন কমিশন তোশাখানা মামলা দায়ের করলে সেটির প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন ইমরান খানসহ অন্যরা। সে বিষয়েই স্থানীয় আপবাড়া পুলিশ স্টেশনে মামলা দায়ের করেছিল নির্বাচন কমিশন।
সেই মামলায় আজ বুধবার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসির মেহমুদ ইমরান খানসহ অন্যদের মুক্তি দেন। এর আগে, গত সপ্তাহে এই মামলার শুনানি শেষ হয়। সে সময়ই রায় ঘোষণার জন্য আজকের তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন আদালত।
ইমরান খান ছাড়াও এই মামলায় মুক্তি বা খালাস পাওয়া অন্যরা হলেন শাহ মাহমুদ কুরেশি, শেখ রশিদ, আসাদ কায়সার, শাহরিয়ার আফ্রিদি, ফয়সাল জাভেদ, রাজা খুররম নওয়াজ এবং আলী নওয়াজ আওয়ান। ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সরদার মাসরুফ ও অ্যাডভোকেট আনসার কায়ানি এই মামলায় শুনানি করেন।
এর আগে ইদ্দতকাল পূর্ণ হওয়ার আগেই প্রতারণামূলক বিয়ে ও ব্যভিচারের অভিযোগে সাত বছরের কারাদণ্ডাদেশ পান ইমরান খান ও তাঁর তৃতীয় স্ত্রী বুশরা বিবি। সেই দণ্ড বাতিলের জন্য একটি আবেদন করলে গত ২৭ জুন তা খারিজ করে দেন ইসলামাবাদের একটি আদালত।
মুসলিম বিবাহ আইনে বিচ্ছেদের পর ইদ্দতের ৯০ দিন পাড়ি দেওয়ার আগেই বুশরা বিবি ও ইমরান খান বিয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন এবং তাঁরা ব্যভিচারে লিপ্ত হয়েছিলেন—এমন অভিযোগে মামলাটি করেছিলেন বুশরার সাবেক স্বামী খাওবার মানেকা। এই মামলার শুনানিতে গত ৩ ফেব্রুয়ারি বুশরা ও ইমরানকে দোষী সাব্যস্ত করে সাত বছরের কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ৫ লাখ পাকিস্তানি রুপি জরিমানা করেন একটি আদালত। কাছাকাছি সময়েই আরেকটি তোশাখানা মামলায় এই দম্পতিকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

ভেনেজুয়েলায় বড় ধরনের সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটি সত্য হলে সবার দৃষ্টি নিবদ্ধ হবে একটি প্রশ্নে— ভেনেজুয়েলার শাসনভার এখন কার হাতে।
১৭ মিনিট আগে
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘সরাসরি সশস্ত্র আগ্রাসনের’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে মাদুরোকে অপহরণ করে দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাটি একটি স্বাধীন দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর...
২ ঘণ্টা আগে
নজিরবিহীন সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে স্ত্রীসহ প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ভেনেজুয়েলা থেকে তুলে নেওয়ার পর তাকে মাদক ও অস্ত্রের মামলায় অভিযুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত। আজ শনিবার নিউইয়র্কের সাদার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালতে তাকে অভিযুক্ত করা হয় বলে জানান মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডি।
৩ ঘণ্টা আগে
খামেনি তাঁর ভাষণে ব্যবসায়ীদের অর্থনৈতিক দুরবস্থার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা ঠিকই বলছেন, এই পরিস্থিতিতে ব্যবসা করা অসম্ভব। আমরা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি, কিন্তু দাঙ্গাবাজদের সঙ্গে কোনো আপস হবে না। দাঙ্গাবাজদের কঠোরভাবে দমন করা হবে।’
৩ ঘণ্টা আগে