
বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে এবং দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। সম্প্রতি করাচিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনার এসএম মাহবুবুল আলম সরকারি সফরে পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের হায়দরাবাদ শহর পরিদর্শন করেন। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম পাকিস্তান অবজারভারের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
এসএম মাহবুবুল আলম হায়দরাবাদের কমিশনার ও সেখানকার ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেছেন। হায়দরাবাদ চেম্বার অব স্মল ট্রেডার্স অ্যান্ড স্মল ইন্ডাস্ট্রিজের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সভায় চেম্বারের সভাপতি, সিনিয়র সহসভাপতি, সহসভাপতি, সেক্রেটারি এবং অন্যান্য ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও ব্যবসা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা এবং সুযোগ তুলে ধরেন। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যকে আরও বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময় করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, শিগগিরই দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করবে।
উপ-হাইকমিশনার আগামী বছরের জানুয়ারিতে মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণের জন্য পাকিস্তানের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানান। এ ছাড়া, উভয় দেশে একক দেশভিত্তিক প্রদর্শনী ও মেলা আয়োজনের বিষয়েও আলোচনা হয়। বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব নীতিমালা তুলে ধরে তিনি পাকিস্তানের সম্ভাব্য উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
এসএম মাহবুবুল আলম উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম চলছে, যেখানে বিভিন্ন দেশের বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি পাকিস্তানি বিনিয়োগকারীরাও বিনিয়োগ করছেন।
হায়দরাবাদের চেম্বার এবং ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও ব্যবসার সম্পর্ক সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন। উভয় দেশের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালু, বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি সমুদ্রবন্দরগুলোর মধ্যে সরাসরি শিপিং ব্যবস্থা, ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং জনগণ থেকে জনগণ এবং ব্যবসা থেকে ব্যবসার যোগাযোগ জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়।
করাচিতে অবস্থিত বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশন চেম্বার এবং ব্যবসায়ীদের প্রতি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে, দ্রুত এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্নসহ সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা ও সহায়তার আশ্বাস দেন।

বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে এবং দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। সম্প্রতি করাচিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনার এসএম মাহবুবুল আলম সরকারি সফরে পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের হায়দরাবাদ শহর পরিদর্শন করেন। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম পাকিস্তান অবজারভারের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
এসএম মাহবুবুল আলম হায়দরাবাদের কমিশনার ও সেখানকার ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেছেন। হায়দরাবাদ চেম্বার অব স্মল ট্রেডার্স অ্যান্ড স্মল ইন্ডাস্ট্রিজের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সভায় চেম্বারের সভাপতি, সিনিয়র সহসভাপতি, সহসভাপতি, সেক্রেটারি এবং অন্যান্য ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও ব্যবসা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা এবং সুযোগ তুলে ধরেন। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যকে আরও বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময় করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, শিগগিরই দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করবে।
উপ-হাইকমিশনার আগামী বছরের জানুয়ারিতে মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণের জন্য পাকিস্তানের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানান। এ ছাড়া, উভয় দেশে একক দেশভিত্তিক প্রদর্শনী ও মেলা আয়োজনের বিষয়েও আলোচনা হয়। বাংলাদেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব নীতিমালা তুলে ধরে তিনি পাকিস্তানের সম্ভাব্য উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
এসএম মাহবুবুল আলম উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম চলছে, যেখানে বিভিন্ন দেশের বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি পাকিস্তানি বিনিয়োগকারীরাও বিনিয়োগ করছেন।
হায়দরাবাদের চেম্বার এবং ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও ব্যবসার সম্পর্ক সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন। উভয় দেশের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালু, বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি সমুদ্রবন্দরগুলোর মধ্যে সরাসরি শিপিং ব্যবস্থা, ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং জনগণ থেকে জনগণ এবং ব্যবসা থেকে ব্যবসার যোগাযোগ জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়।
করাচিতে অবস্থিত বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশন চেম্বার এবং ব্যবসায়ীদের প্রতি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে, দ্রুত এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্নসহ সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা ও সহায়তার আশ্বাস দেন।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৮ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৯ ঘণ্টা আগে