
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যায় দেয়াল ধসে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার সংঘটিত এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ছয়জন। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডনের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আজ প্রবল মৌসুমি বৃষ্টিপাতের কারণে ঘটনাস্থলে ব্যাপক পানি জমে যায়। পরে আগে থেকেই দুর্বল হয়ে থাকা দেয়ালটি ধসে পড়ে যায়।
স্থানীয় পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট খান জেব জানিয়েছে, অত্যাধুনিক সরঞ্জামাদির সাহায্যে ধ্বংসস্তূপ থেকে ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ সুপার জেব জানান, ঘটনার খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ধ্বংসস্তূপে আটকা পড়ে আছে বলে সন্দেহ করায় এখনো ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চলছে।
পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সের (পিমস) নির্বাহী পরিচালক ড. ইমরান সিকান্দারের মুখপাত্র ডা. মোবাশ্বির দাহা জানিয়েছেন, নিহতদের প্রায় সবাই শ্রমিক। তাঁদের উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ডা. দাহা আরও বলেন, ছয়জন আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং বাকিরাও আশঙ্কামুক্ত।
ঘটনার পর পিমস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সব চিকিৎসক ও প্যারামেডিকেল স্টাফদের সতর্ক অবস্থায় রেখেছে। এ বিষয়ে ডা. দাহা বলেন, ‘পিমস প্রশাসন তীব্র বৃষ্টিপাতের পরে সম্পূর্ণ সতর্ক রয়েছে। যেকোনো আকস্মিক দুর্যোগ মোকাবিলায় হাসপাতালের কর্মীরা প্রস্তুত।’
ইসলামাবাদ পুলিশের ডেপুটি কমিশনার ইরফান নওয়াজ মেমন একটি বিবৃতিতে বলেছেন, ঘটনাস্থলে শ্রমিকেরা একটি তাঁবুতে অবস্থান করছিলেন। পরে সেখানে দেয়ালটি ধসে পড়লে ১১ জন নিহত হন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শ্রমিকেরা শহরের গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোডে একটি আন্ডারপাস নির্মাণের কাজ করছিলেন।

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যায় দেয়াল ধসে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার সংঘটিত এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ছয়জন। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডনের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আজ প্রবল মৌসুমি বৃষ্টিপাতের কারণে ঘটনাস্থলে ব্যাপক পানি জমে যায়। পরে আগে থেকেই দুর্বল হয়ে থাকা দেয়ালটি ধসে পড়ে যায়।
স্থানীয় পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট খান জেব জানিয়েছে, অত্যাধুনিক সরঞ্জামাদির সাহায্যে ধ্বংসস্তূপ থেকে ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ সুপার জেব জানান, ঘটনার খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ধ্বংসস্তূপে আটকা পড়ে আছে বলে সন্দেহ করায় এখনো ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চলছে।
পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সের (পিমস) নির্বাহী পরিচালক ড. ইমরান সিকান্দারের মুখপাত্র ডা. মোবাশ্বির দাহা জানিয়েছেন, নিহতদের প্রায় সবাই শ্রমিক। তাঁদের উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ডা. দাহা আরও বলেন, ছয়জন আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং বাকিরাও আশঙ্কামুক্ত।
ঘটনার পর পিমস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সব চিকিৎসক ও প্যারামেডিকেল স্টাফদের সতর্ক অবস্থায় রেখেছে। এ বিষয়ে ডা. দাহা বলেন, ‘পিমস প্রশাসন তীব্র বৃষ্টিপাতের পরে সম্পূর্ণ সতর্ক রয়েছে। যেকোনো আকস্মিক দুর্যোগ মোকাবিলায় হাসপাতালের কর্মীরা প্রস্তুত।’
ইসলামাবাদ পুলিশের ডেপুটি কমিশনার ইরফান নওয়াজ মেমন একটি বিবৃতিতে বলেছেন, ঘটনাস্থলে শ্রমিকেরা একটি তাঁবুতে অবস্থান করছিলেন। পরে সেখানে দেয়ালটি ধসে পড়লে ১১ জন নিহত হন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শ্রমিকেরা শহরের গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোডে একটি আন্ডারপাস নির্মাণের কাজ করছিলেন।

২০২৫ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের এক নতুন নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ (আইএইচএল) এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর জুড়ে ভারতে মুসলিম
১২ মিনিট আগে
ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক তথাকথিত ‘সেল সদস্যরা’ গোপনে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান অস্থিরতায় প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান। দেশজুড়ে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও কঠোর দমন-পীড়নে মৃত্যুর এই সংখ্যা প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষ
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতির ওপর নয়াদিল্লি নিবিড়ভাবে নজর রাখছে এবং কোনো ধরনের ‘ভুল-বোঝাবুঝি বা ভুল ব্যাখ্যা’ এড়াতে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক সং
৩ ঘণ্টা আগে