
চৌধুরী সুজাত হুসেনের নেতৃত্বে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-কায়েদের (পিএমএল-কিউ) নেতারা ইমরান খানের দল পিটিআই-এর সভাপতি চৌধুরী পারভেজ এলাহীর সঙ্গে প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—বৈঠকটি পাকিস্তানের রাজনৈতিক দৃশ্যপটের এমন এক সন্ধিক্ষণে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যখন দেশের প্রধান দলগুলো সাম্প্রতিক নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং সরকার গঠনের জন্য জোট গঠনের তোড়জোড় চালাচ্ছে।
চৌধুরী সুজাত হুসেন, চৌধুরী ওয়াজাহাত, চৌধুরী সালিক, চৌধুরী শফি এবং মানতাহা আশরাফ সহ অন্যান্য পিএমএল-কিউ নেতাদের আলোচনার জন্য আদিয়ালা কারাগারে ডেকেছিলেন পিটিআই সভাপতি চৌধুরী পারভেজ এলাহী। কারাগারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ওই আলোচনায় দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, পারিবারিক বিষয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া চৌধুরী পারভেজ এলাহীর স্বাস্থ্য এবং কারাগারে তাঁকে প্রদান করা সুযোগ-সুবিধা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে দাবি করেছে কয়েকটি সূত্র। পিটিআই-এর সভাপতি চৌধুরী পারভেজ এলাহী পাঞ্জাবের গুজরাট জেলার বিখ্যাত চৌধুরী পরিবারের সদস্য। এই পরিবারের বেশির ভাগ সদস্যই পিএমএল-কিউ দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
দুই ঘণ্টা চল্লিশ মিনিটের আলোচনার পর গুজরাটের চৌধুরী পরিবারের সদস্যরা কোনো গণমাধ্যমে কথা না বলে আদিয়ালা কারাগার ত্যাগ করেন এবং ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা হন। তাঁদের প্রস্থানের এমন নাটকীয়তা বন্ধ দরজার পেছনে সংঘটিত আলোচনায় রহস্যের বাতাস যোগ করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকটি দেশের প্রধান খেলোয়াড়দের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক কৌশলের একটি অংশ। নওয়াজের দল পিএমএল-এন এবং পিটিআই উভয়ই তাদের প্রধানমন্ত্রী পদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে এবং বিলাওয়াল ভুট্টোর পিপিপি, এমকিউএম-পি, জেইউআই-এফ এবং চৌধুরী সুজাতের পিএমএল-কিউ সহ অন্যান্য রাজনৈতিক পক্ষের সঙ্গে নানামুখী আলোচনা চালাচ্ছে।

চৌধুরী সুজাত হুসেনের নেতৃত্বে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-কায়েদের (পিএমএল-কিউ) নেতারা ইমরান খানের দল পিটিআই-এর সভাপতি চৌধুরী পারভেজ এলাহীর সঙ্গে প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—বৈঠকটি পাকিস্তানের রাজনৈতিক দৃশ্যপটের এমন এক সন্ধিক্ষণে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যখন দেশের প্রধান দলগুলো সাম্প্রতিক নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং সরকার গঠনের জন্য জোট গঠনের তোড়জোড় চালাচ্ছে।
চৌধুরী সুজাত হুসেন, চৌধুরী ওয়াজাহাত, চৌধুরী সালিক, চৌধুরী শফি এবং মানতাহা আশরাফ সহ অন্যান্য পিএমএল-কিউ নেতাদের আলোচনার জন্য আদিয়ালা কারাগারে ডেকেছিলেন পিটিআই সভাপতি চৌধুরী পারভেজ এলাহী। কারাগারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ওই আলোচনায় দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, পারিবারিক বিষয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া চৌধুরী পারভেজ এলাহীর স্বাস্থ্য এবং কারাগারে তাঁকে প্রদান করা সুযোগ-সুবিধা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে দাবি করেছে কয়েকটি সূত্র। পিটিআই-এর সভাপতি চৌধুরী পারভেজ এলাহী পাঞ্জাবের গুজরাট জেলার বিখ্যাত চৌধুরী পরিবারের সদস্য। এই পরিবারের বেশির ভাগ সদস্যই পিএমএল-কিউ দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
দুই ঘণ্টা চল্লিশ মিনিটের আলোচনার পর গুজরাটের চৌধুরী পরিবারের সদস্যরা কোনো গণমাধ্যমে কথা না বলে আদিয়ালা কারাগার ত্যাগ করেন এবং ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা হন। তাঁদের প্রস্থানের এমন নাটকীয়তা বন্ধ দরজার পেছনে সংঘটিত আলোচনায় রহস্যের বাতাস যোগ করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকটি দেশের প্রধান খেলোয়াড়দের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক কৌশলের একটি অংশ। নওয়াজের দল পিএমএল-এন এবং পিটিআই উভয়ই তাদের প্রধানমন্ত্রী পদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে এবং বিলাওয়াল ভুট্টোর পিপিপি, এমকিউএম-পি, জেইউআই-এফ এবং চৌধুরী সুজাতের পিএমএল-কিউ সহ অন্যান্য রাজনৈতিক পক্ষের সঙ্গে নানামুখী আলোচনা চালাচ্ছে।

ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক তথাকথিত ‘সেল সদস্যরা’ গোপনে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল।
৩৫ মিনিট আগে
ইরানে চলমান অস্থিরতায় প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান। দেশজুড়ে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও কঠোর দমন-পীড়নে মৃত্যুর এই সংখ্যা প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষ
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতির ওপর নয়াদিল্লি নিবিড়ভাবে নজর রাখছে এবং কোনো ধরনের ‘ভুল-বোঝাবুঝি বা ভুল ব্যাখ্যা’ এড়াতে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক সং
২ ঘণ্টা আগে
তাঁর এই মন্তব্য শুধু সংবেদনশীল সময়ে বিজয়ের পাশে দাঁড়ানোই নয়, একই সঙ্গে জল্পনা আরও জোরদার করেছে যে—রাজ্যে ক্ষমতাসীন দ্রাবিড়া মুন্নেত্রা কাজাগামের (ডিএমকে) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেও কংগ্রেস হয়তো বিজয়ের দল তামিলগা ভেত্রি কড়গম বা টিভিকের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার পথ খোলা রাখছে।
৩ ঘণ্টা আগে