
পাকিস্তানের মাটিতে দেশটির দুই নাগরিককে হত্যার সঙ্গে ভারতীয় এজেন্টদের যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এই দুটি হত্যাকাণ্ডের ‘বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ’ রয়েছে বলে আজ বৃহস্পতিবার দাবি করেছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এ বিষয়ে আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্রসচিব মুহাম্মদ সাইরাস কাজী সাংবাদিকদের কাছে দুই নাগরিককে হত্যার জন্য ভারতকে দায়ী করেন। তিনি কাজী শহিদ লতিফ ও মুহাম্মদ রিয়াজ নামে নিহত দুই পাকিস্তানির কথা উল্লেখ করেন, যারা গত বছর পৃথক ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।
সাইরাস জানান, সেপ্টেম্বরে পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের রাওয়ালাকোটের একটি মসজিদে সকালের নামাজের সময় রিয়াজকে হত্যা করা হয়েছিল। আর অক্টোবরে পাঞ্জাবের শিয়ালকোট শহরের একটি মসজিদের বাইরে খুন হন লতিফ।
পররাষ্ট্রসচিব বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের পদ্ধতি কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের ঘটনার মতোই।’
গত বছর কানাডায় একটি হত্যাকাণ্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রে একটি হত্যাচেষ্টার সঙ্গে ভারতীয় এজেন্টরা জড়িত ছিল বলে সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে। যদিও এই অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
গত বছর কানাডার মাটিতে একজন শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদীকে হত্যার পর কানাডা ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো প্রকাশ্যে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে কানাডীয় নাগরিক হরদীপ সিং নিজারের মৃত্যুর জন্য দায়ী করেন। এই অভিযোগকে তাৎক্ষণিকভাবে নয়াদিল্লি ‘অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করেছিল।
ভারতে একটি পৃথক শিখ রাষ্ট্রের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ছিলেন হরদীপ সিং। এ জন্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসী হিসেবে অভিযুক্ত করেছিল।
এ ছাড়া মার্কিন বিচার বিভাগ গত নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে একজন শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাকে হত্যার ষড়যন্ত্রের দায়ে ভারতীয় এজেন্টদের প্রতি আঙুল তুলেছে।
এ বিষয়ে গত ডিসেম্বরে দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, তাঁর সরকার একজন মার্কিন নাগরিককে হত্যার চক্রান্তের বিষয়টি তদন্ত করবে। তিনি বলেছিলেন, ‘যদি কেউ আমাদের কোনো তথ্য দেয়, আমরা অবশ্যই তা খতিয়ে দেখব।’

পাকিস্তানের মাটিতে দেশটির দুই নাগরিককে হত্যার সঙ্গে ভারতীয় এজেন্টদের যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এই দুটি হত্যাকাণ্ডের ‘বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ’ রয়েছে বলে আজ বৃহস্পতিবার দাবি করেছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এ বিষয়ে আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্রসচিব মুহাম্মদ সাইরাস কাজী সাংবাদিকদের কাছে দুই নাগরিককে হত্যার জন্য ভারতকে দায়ী করেন। তিনি কাজী শহিদ লতিফ ও মুহাম্মদ রিয়াজ নামে নিহত দুই পাকিস্তানির কথা উল্লেখ করেন, যারা গত বছর পৃথক ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।
সাইরাস জানান, সেপ্টেম্বরে পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের রাওয়ালাকোটের একটি মসজিদে সকালের নামাজের সময় রিয়াজকে হত্যা করা হয়েছিল। আর অক্টোবরে পাঞ্জাবের শিয়ালকোট শহরের একটি মসজিদের বাইরে খুন হন লতিফ।
পররাষ্ট্রসচিব বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের পদ্ধতি কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের ঘটনার মতোই।’
গত বছর কানাডায় একটি হত্যাকাণ্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রে একটি হত্যাচেষ্টার সঙ্গে ভারতীয় এজেন্টরা জড়িত ছিল বলে সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে। যদিও এই অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
গত বছর কানাডার মাটিতে একজন শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদীকে হত্যার পর কানাডা ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো প্রকাশ্যে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে কানাডীয় নাগরিক হরদীপ সিং নিজারের মৃত্যুর জন্য দায়ী করেন। এই অভিযোগকে তাৎক্ষণিকভাবে নয়াদিল্লি ‘অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করেছিল।
ভারতে একটি পৃথক শিখ রাষ্ট্রের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ছিলেন হরদীপ সিং। এ জন্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসী হিসেবে অভিযুক্ত করেছিল।
এ ছাড়া মার্কিন বিচার বিভাগ গত নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে একজন শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাকে হত্যার ষড়যন্ত্রের দায়ে ভারতীয় এজেন্টদের প্রতি আঙুল তুলেছে।
এ বিষয়ে গত ডিসেম্বরে দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, তাঁর সরকার একজন মার্কিন নাগরিককে হত্যার চক্রান্তের বিষয়টি তদন্ত করবে। তিনি বলেছিলেন, ‘যদি কেউ আমাদের কোনো তথ্য দেয়, আমরা অবশ্যই তা খতিয়ে দেখব।’

ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে একাধিক বাড়ি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। সংস্থাটি জানায়, এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক তথাকথিত ‘সেল সদস্যরা’ গোপনে নিজেদের বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছিল।
৩২ মিনিট আগে
ইরানে চলমান অস্থিরতায় প্রায় দুই হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান। দেশজুড়ে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও কঠোর দমন-পীড়নে মৃত্যুর এই সংখ্যা প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষ
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতির ওপর নয়াদিল্লি নিবিড়ভাবে নজর রাখছে এবং কোনো ধরনের ‘ভুল-বোঝাবুঝি বা ভুল ব্যাখ্যা’ এড়াতে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা রাখা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক সং
২ ঘণ্টা আগে
তাঁর এই মন্তব্য শুধু সংবেদনশীল সময়ে বিজয়ের পাশে দাঁড়ানোই নয়, একই সঙ্গে জল্পনা আরও জোরদার করেছে যে—রাজ্যে ক্ষমতাসীন দ্রাবিড়া মুন্নেত্রা কাজাগামের (ডিএমকে) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেও কংগ্রেস হয়তো বিজয়ের দল তামিলগা ভেত্রি কড়গম বা টিভিকের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার পথ খোলা রাখছে।
৩ ঘণ্টা আগে