
দীর্ঘ কয়েক দশকের বৈরিতা ও গত ছয় সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ছাপিয়ে অবশেষে সরাসরি আলোচনার টেবিলে বসেছে চিরবৈরী দুই দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। পাকিস্তান সরকারের সূত্রের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিশ্চিত করেছে, ইসলামাবাদে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে ‘ত্রিপক্ষীয় মুখোমুখি বৈঠক’ চলছে।
এর আগে জানানো হয়েছিল, দুই দেশের প্রতিনিধিরা সরাসরি নয়, পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে কথা বলছেন। তবে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটেছে এবং দুই পক্ষই সরাসরি আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে।
এই সরাসরি বৈঠককে একটি ‘বিশাল মাইলফলক’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এটিই দুই দেশের মধ্যে হওয়া সর্বোচ্চ পর্যায়ের সরাসরি মুখ দেখাদেখি। মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক সাফল্য হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এই সরাসরি আলোচনার ফলাফল কী হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে আছে সারা বিশ্ব।

হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে সরাসরি বা ‘ফেস-টু-ফেস’ আলোচনায় ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে আছেন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।
৩৬ মিনিট আগে
ইরানের এই শক্তিশালী প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন দেশটির প্রভাবশালী তিন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তাঁরা হলেন— মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ: ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার এবং দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থার অন্যতম ক্ষমতাধর
১ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানে চলমান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি আলোচনার পূর্ণ সফলতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও সংহতি জানিয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এবং বিরোধী জোট তেহরিক-ই-তাহাফফুজ-ই-আইন-ই-পাকিস্তান (টিটিএপি)। দল দুটির পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, এই আলোচনার...
১ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তান সরকার ও মধ্যস্থতাকারীদের মূল লক্ষ্য হলো এই পরোক্ষ আলোচনাকে সরাসরি বা ‘মুখোমুখি’ বৈঠকে রূপান্তর করা। যদি শেষ পর্যন্ত মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের প্রতিনিধিদলের মধ্যে সরাসরি বৈঠক সম্ভব হয়, তবে তা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের জন্য একটি ঐতিহাসিক ও বাস্তবমুখী সাফল্য
২ ঘণ্টা আগে