
ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সাবেক প্রধান স্বীকার করেছেন যে, তাঁর দেশ ফিলিস্তিন বিশেষ করে অধিকৃত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বহুল প্রচলিত ‘জাতিবিদ্বেষী’ ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করছে। বুধবার বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মোসাদের সাবেক প্রধান তামির পার্দো এ কথা বলেছেন।
তামির পার্দো ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত মোসাদের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তামিরই ইসরায়েলের শীর্ষ পর্যায়ের কোনো কর্মকর্তা, যিনি জনসমক্ষে স্বীকার করে নিলেন ইসরায়েল রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনে জাতিবিদ্বেষী ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করছে। তিনি মূলত এ সময় দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গরা কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি যে বিদ্বেষমূলক আচরণ করত, সে বিষয়টিকে সামনে এনে এই তুলনা দেন।
এপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তামির পার্দো বলেন, ‘এখানেও একটি বর্ণবাদী তথা জাতিবিদ্বেষী রাষ্ট্র রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই অঞ্চলে দুজন মানুষকে দুটি পৃথক আইন দিয়ে বিচার করা হয়। এমনটা কেবল একটি বর্ণবাদী বা জাতিবিদ্বেষী রাষ্ট্রেই হতে পারে।’
ইসরায়েলে ক্রমেই তামির পার্দোর মতো অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের সংখ্যা বাড়ছে, যাঁরা ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার নিয়ে কথা বলছেন। তবে এই সংখ্যা এখনো উল্লেখযোগ্য না হলেও তাঁদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার নিয়ে আরও বেশি জোরালো আওয়াজ তুলছে। তবে অন্যান্য অবসরপ্রাপ্ত ইসরায়েলির তুলনায় তামিরের পদমর্যাদার কারণে তাঁর মন্তব্যের গুরুত্ব অনেক বেশি। কোনো সন্দেহ নেই, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকা ইসরায়েলি প্রশাসন এই মন্তব্যের পর নড়েচড়ে বসবে।
এপির পক্ষ থেকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তামির যখন ২০১১ থেকে ২০১৬ সালে মোসাদের প্রধান ছিলেন, তখনো কি এই একই অবস্থানে ছিলেন? জবাবে তামির বলেন, আমি বিশ্বাস করতাম যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইসরায়েলের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করলেও এর চেয়েও ফিলিস্তিনিদের ইস্যুটি ছিল অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তামির আরও জানান, তিনি মোসাদের প্রধান থাকার সময় নেতানিয়াহুকে বারবার সতর্ক করেছেন যে, হয় নেতানিয়াহুকে ইসরায়েলের সীমান্ত নির্ধারণ করতে হবে, নইলে ইহুদিদের জন্য যে রাষ্ট্র রয়েছে তা হুমকির মুখে পড়বে। তিনি বলেন, ‘আমি বলেছিলাম, ‘ইসরায়েলকে নির্ধারণ করতে হবে সে কি চায়। সে কি এমন একটি দেশ হয়ে থাকতে চায়, যার কোনো নির্দিষ্ট সীমান্ত বা সীমারেখা নেই?’
এদিকে তামিরের এমন মন্তব্যের পর বেশ চটেছে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি। তাঁরা বলেছে, এই মন্তব্যের জন্য তামিরের লজ্জিত হওয়া উচিত। দলটি এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল এবং ইসরায়েলের সশস্ত্র বাহিনীকে রক্ষার বদলে অপমানিত করেছেন।’

ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সাবেক প্রধান স্বীকার করেছেন যে, তাঁর দেশ ফিলিস্তিন বিশেষ করে অধিকৃত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বহুল প্রচলিত ‘জাতিবিদ্বেষী’ ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করছে। বুধবার বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মোসাদের সাবেক প্রধান তামির পার্দো এ কথা বলেছেন।
তামির পার্দো ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত মোসাদের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তামিরই ইসরায়েলের শীর্ষ পর্যায়ের কোনো কর্মকর্তা, যিনি জনসমক্ষে স্বীকার করে নিলেন ইসরায়েল রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনে জাতিবিদ্বেষী ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করছে। তিনি মূলত এ সময় দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গরা কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি যে বিদ্বেষমূলক আচরণ করত, সে বিষয়টিকে সামনে এনে এই তুলনা দেন।
এপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তামির পার্দো বলেন, ‘এখানেও একটি বর্ণবাদী তথা জাতিবিদ্বেষী রাষ্ট্র রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই অঞ্চলে দুজন মানুষকে দুটি পৃথক আইন দিয়ে বিচার করা হয়। এমনটা কেবল একটি বর্ণবাদী বা জাতিবিদ্বেষী রাষ্ট্রেই হতে পারে।’
ইসরায়েলে ক্রমেই তামির পার্দোর মতো অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের সংখ্যা বাড়ছে, যাঁরা ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার নিয়ে কথা বলছেন। তবে এই সংখ্যা এখনো উল্লেখযোগ্য না হলেও তাঁদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার নিয়ে আরও বেশি জোরালো আওয়াজ তুলছে। তবে অন্যান্য অবসরপ্রাপ্ত ইসরায়েলির তুলনায় তামিরের পদমর্যাদার কারণে তাঁর মন্তব্যের গুরুত্ব অনেক বেশি। কোনো সন্দেহ নেই, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকা ইসরায়েলি প্রশাসন এই মন্তব্যের পর নড়েচড়ে বসবে।
এপির পক্ষ থেকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তামির যখন ২০১১ থেকে ২০১৬ সালে মোসাদের প্রধান ছিলেন, তখনো কি এই একই অবস্থানে ছিলেন? জবাবে তামির বলেন, আমি বিশ্বাস করতাম যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইসরায়েলের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করলেও এর চেয়েও ফিলিস্তিনিদের ইস্যুটি ছিল অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তামির আরও জানান, তিনি মোসাদের প্রধান থাকার সময় নেতানিয়াহুকে বারবার সতর্ক করেছেন যে, হয় নেতানিয়াহুকে ইসরায়েলের সীমান্ত নির্ধারণ করতে হবে, নইলে ইহুদিদের জন্য যে রাষ্ট্র রয়েছে তা হুমকির মুখে পড়বে। তিনি বলেন, ‘আমি বলেছিলাম, ‘ইসরায়েলকে নির্ধারণ করতে হবে সে কি চায়। সে কি এমন একটি দেশ হয়ে থাকতে চায়, যার কোনো নির্দিষ্ট সীমান্ত বা সীমারেখা নেই?’
এদিকে তামিরের এমন মন্তব্যের পর বেশ চটেছে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি। তাঁরা বলেছে, এই মন্তব্যের জন্য তামিরের লজ্জিত হওয়া উচিত। দলটি এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল এবং ইসরায়েলের সশস্ত্র বাহিনীকে রক্ষার বদলে অপমানিত করেছেন।’

ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দর নিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া নিষেধাজ্ঞা এবং ইরানের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকির মুখে চাবাহার প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকা গাজায় ‘শান্তি’ আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘বোর্ড অব পিস’ গঠন করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ ছিল এই ‘বোর্ড অব পিস’। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এই পর্ষদের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে হোয়াইট হাউস।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘যদি কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি। কারণ, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’ তবে কোন কোন দেশের ওপর এই শুল্ক আরোপ হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলভি দাবি করেছেন, দেশটিতে চলমান গণজাগরণ এখন একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লবে রূপ নিয়েছে। আজ শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতন হবেই—প্রশ্নটি এখন ‘হবে কি না’ তা নয়, বরং ‘কখন হবে’ তা নিয়ে।
১৫ ঘণ্টা আগে