
ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন মধ্যপন্থী রাজনীতিবিদ বেনি গান্তজ। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর তীব্র সমালোচনা করে গতকাল রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
গাজা যুদ্ধ নিয়ে নেতানিয়াহুর পরিকল্পনার সমালোচনা করে সংবাদ সম্মেলনে বেনি গান্তজ বলেন, ‘সত্যিকারের বিজয় অর্জনের পথে আমাদের বাধা দিচ্ছেন নেতানিয়াহু। ভারী হৃদয় নিয়ে কিন্তু পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তাই জরুরি সরকার ছেড়ে যাচ্ছি।’
আগাম নির্বাচনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এমন নির্বাচন হওয়া উচিত, যা শেষ পর্যন্ত এমন একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করবে, যা জনগণের আস্থা অর্জন এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে। আমি নেতানিয়াহুকে আহ্বান জানাই, একটি সর্বসম্মত নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করুন।’
যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের হুমকি গত মাসেও দিয়েছিলেন বেনি গান্তজ। গাজার জন্য যুদ্ধ-পরবর্তী কোনো পরিকল্পনা করতে নেতানিয়াহু ব্যর্থ হলে পদত্যাগ করবেন বলে জানিয়েছিলেন এই মধ্যপন্থী রাজনীতিবিদ।
নেতানিয়াহুর সরকারের পদত্যাগ চেয়ে ইসরায়েলিদের বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন দিলেও তা আইনসম্মত হওয়া উচিত বলে জানিয়েছেন গান্তজ। তিনি বলেন, ‘প্রতিবাদ হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এমন বৈধভাবে হওয়া উচিত, যাতে বিদ্বেষ না ছড়ায়। আমরা একে অপরের শত্রু নই। আমাদের শত্রুরা আছে সীমানার বাইরে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি এমন একটি জাতীয় সরকারের অংশ হব, যাতে মধ্যপন্থী সব দল অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং শুধু সে অবস্থাতেই সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব, এমনকি নেতানিয়াহুর সঙ্গেও। আমাদের তাই এখন আংশিক ঐক্য নয়, প্রকৃত ঐক্য প্রয়োজন।’
গান্তজের পদত্যাগের প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক প্ল্যাটফরম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহু বলেন, ‘বেনি, মাঠ ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় এটি নয়, এখন সময় সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার।’
তবে বিরোধী নেতা ইয়ার ল্যাপিড গান্তজের সিদ্ধান্তকে সমর্থন দিয়েছেন। সামাজিক প্ল্যাটফরমে বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ এবং সঠিক বলে সমর্থন করেছেন তিনি।
এরই মধ্যে জোটের শরিক ডানপন্থী নেতা জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গাভির যুদ্ধকালীন মন্ত্রীর এই খালি পদ দাবি করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পরিকল্পনা মেনে নিলে সরকার ছেড়ে যাওয়ার ও পতনের হুমকি দিয়েছিলেন বেন-গাভির।

ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন মধ্যপন্থী রাজনীতিবিদ বেনি গান্তজ। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর তীব্র সমালোচনা করে গতকাল রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
গাজা যুদ্ধ নিয়ে নেতানিয়াহুর পরিকল্পনার সমালোচনা করে সংবাদ সম্মেলনে বেনি গান্তজ বলেন, ‘সত্যিকারের বিজয় অর্জনের পথে আমাদের বাধা দিচ্ছেন নেতানিয়াহু। ভারী হৃদয় নিয়ে কিন্তু পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তাই জরুরি সরকার ছেড়ে যাচ্ছি।’
আগাম নির্বাচনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এমন নির্বাচন হওয়া উচিত, যা শেষ পর্যন্ত এমন একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করবে, যা জনগণের আস্থা অর্জন এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে। আমি নেতানিয়াহুকে আহ্বান জানাই, একটি সর্বসম্মত নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করুন।’
যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের হুমকি গত মাসেও দিয়েছিলেন বেনি গান্তজ। গাজার জন্য যুদ্ধ-পরবর্তী কোনো পরিকল্পনা করতে নেতানিয়াহু ব্যর্থ হলে পদত্যাগ করবেন বলে জানিয়েছিলেন এই মধ্যপন্থী রাজনীতিবিদ।
নেতানিয়াহুর সরকারের পদত্যাগ চেয়ে ইসরায়েলিদের বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন দিলেও তা আইনসম্মত হওয়া উচিত বলে জানিয়েছেন গান্তজ। তিনি বলেন, ‘প্রতিবাদ হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এমন বৈধভাবে হওয়া উচিত, যাতে বিদ্বেষ না ছড়ায়। আমরা একে অপরের শত্রু নই। আমাদের শত্রুরা আছে সীমানার বাইরে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি এমন একটি জাতীয় সরকারের অংশ হব, যাতে মধ্যপন্থী সব দল অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং শুধু সে অবস্থাতেই সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব, এমনকি নেতানিয়াহুর সঙ্গেও। আমাদের তাই এখন আংশিক ঐক্য নয়, প্রকৃত ঐক্য প্রয়োজন।’
গান্তজের পদত্যাগের প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক প্ল্যাটফরম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহু বলেন, ‘বেনি, মাঠ ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় এটি নয়, এখন সময় সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার।’
তবে বিরোধী নেতা ইয়ার ল্যাপিড গান্তজের সিদ্ধান্তকে সমর্থন দিয়েছেন। সামাজিক প্ল্যাটফরমে বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ এবং সঠিক বলে সমর্থন করেছেন তিনি।
এরই মধ্যে জোটের শরিক ডানপন্থী নেতা জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গাভির যুদ্ধকালীন মন্ত্রীর এই খালি পদ দাবি করেছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পরিকল্পনা মেনে নিলে সরকার ছেড়ে যাওয়ার ও পতনের হুমকি দিয়েছিলেন বেন-গাভির।

ইরানে গত রাতের দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রীয় দমনপীড়ন ও সহিংসতার মাত্রা খুবই তীব্র ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি পারসিয়ান। বিভিন্ন শহর থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ সংস্থাটি বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অনেক বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাতে ইরানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের ‘বর্তমান পরিস্থিতির’ কারণে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে এই ইন্টারনেট...
৮ ঘণ্টা আগে
কঠোর নিরাপত্তা অভিযান ও দমন–পীড়নের পরও শুক্রবার রাতে (১৩ তম দিন) আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে নিহত হয়েছেন ১৪ নিরাপত্তা সদস্য; এমন তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)।
৯ ঘণ্টা আগে