
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে জোড়া সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। চার বছর আগে ইরাকে মার্কিন হামলায় নিহত ইরানি জেনারেল কাসেম সোলেইমানির সম্মানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভয়াবহ ওই সন্ত্রাসী হামলায় শতাধিক নিহত ও অসংখ্য মানুষ আহত হয়।
এ সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে গতকাল বুধবার রাতে এক বিবৃতি দিয়েছে হামাস।
ওই বিবৃতিতে হামাস বলেছে, বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে ব্যাহত করার লক্ষ্যে ইহুদিবাদীদের শয়তানি পরিকল্পনার অংশ।
বিবৃতিতে হামাস আরও বলে, ‘আমরা এই অঞ্চলের জনগণের নিরাপত্তা এবং স্বার্থকে লক্ষ্য করে এমন যেকোনো কাজের নিন্দা জানাই।’
ইসলামিক প্রজাতন্ত্র এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছে হামাস।
বুধবার কেরমানে ইরানের শীর্ষ কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলাইমানির সমাধিস্থলের কাছে ১০ মিনিটের ব্যবধানে বড় দুটি বিস্ফোরণ ঘটে। অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষ সোলাইমানির চতুর্থ শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে জড়ো হয়েছিল।
সোলেইমানিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির পরই সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে মনে করা হতো।
ইরানের বিপ্লবী গার্ডের বিদেশি অপারেশন শাখা কুদস ফোর্সের কমান্ডার হিসেবে তিনি সমগ্র অঞ্চলে ইরানি নীতির একজন স্থপতি ছিলেন।
সোলেইমানি কুদস ফোর্সের গোপন মিশন এবং হামাস, হিজবুল্লাহসহ তাদের মিত্র সরকার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে বিভিন্ন নির্দেশনা, তহবিল, অস্ত্র, গোয়েন্দা তথ্য এবং লজিস্টিক সহায়তা দেওয়ার দায়িত্বে ছিলেন বলে মনে করা হয়।
তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২০ সালের জানুয়ারি সোলেইমানিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি সোলেইমানিকে ‘বিশ্বের যেকোনো স্থানে ১ নম্বর সন্ত্রাসী’ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন।

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে জোড়া সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। চার বছর আগে ইরাকে মার্কিন হামলায় নিহত ইরানি জেনারেল কাসেম সোলেইমানির সম্মানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভয়াবহ ওই সন্ত্রাসী হামলায় শতাধিক নিহত ও অসংখ্য মানুষ আহত হয়।
এ সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে গতকাল বুধবার রাতে এক বিবৃতি দিয়েছে হামাস।
ওই বিবৃতিতে হামাস বলেছে, বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে ব্যাহত করার লক্ষ্যে ইহুদিবাদীদের শয়তানি পরিকল্পনার অংশ।
বিবৃতিতে হামাস আরও বলে, ‘আমরা এই অঞ্চলের জনগণের নিরাপত্তা এবং স্বার্থকে লক্ষ্য করে এমন যেকোনো কাজের নিন্দা জানাই।’
ইসলামিক প্রজাতন্ত্র এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছে হামাস।
বুধবার কেরমানে ইরানের শীর্ষ কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলাইমানির সমাধিস্থলের কাছে ১০ মিনিটের ব্যবধানে বড় দুটি বিস্ফোরণ ঘটে। অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষ সোলাইমানির চতুর্থ শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে জড়ো হয়েছিল।
সোলেইমানিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির পরই সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে মনে করা হতো।
ইরানের বিপ্লবী গার্ডের বিদেশি অপারেশন শাখা কুদস ফোর্সের কমান্ডার হিসেবে তিনি সমগ্র অঞ্চলে ইরানি নীতির একজন স্থপতি ছিলেন।
সোলেইমানি কুদস ফোর্সের গোপন মিশন এবং হামাস, হিজবুল্লাহসহ তাদের মিত্র সরকার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে বিভিন্ন নির্দেশনা, তহবিল, অস্ত্র, গোয়েন্দা তথ্য এবং লজিস্টিক সহায়তা দেওয়ার দায়িত্বে ছিলেন বলে মনে করা হয়।
তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২০ সালের জানুয়ারি সোলেইমানিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি সোলেইমানিকে ‘বিশ্বের যেকোনো স্থানে ১ নম্বর সন্ত্রাসী’ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৫ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৮ ঘণ্টা আগে