আজকের পত্রিকা ডেস্ক

আগামী সপ্তাহেই ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ‘আমরা আগামী সপ্তাহে ইরানের সঙ্গে কথা বলব। হয়তো একটি চুক্তিও স্বাক্ষরিত হবে।’
আজ বুধবার নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি, এটা অতটা জরুরি নয়। তারা যুদ্ধ করেছে, লড়েছে, এখন নিজেদের জগতে ফিরে যাচ্ছে। চুক্তি হোক বা না হোক, আমি তেমন কিছু মনে করি না। আমরা তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করব।’
এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই বৈঠকের বিষয়ে জানিয়েছিলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের শান্তিকামীদের সঙ্গে কথা বলার সদিচ্ছা দেখিয়েছেন। তবে তিনি এটাও উল্লেখ করেছিলেন, এই আলোচনার অগ্রগতি নির্ভর করবে ইরানের আন্তরিকতার ওপর।
এদিকে ন্যাটো সম্মেলনে দেওয়া বিবৃতিতে যুদ্ধের মধ্যে ইরানের সাহসিকতা নিয়ে প্রশংসাও করেছেন ট্রাম্প। ইসরায়েলের সঙ্গে সদ্য শেষ হওয়া সংঘাতে ইরান বীরের মতো লড়াই করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে যাচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান তো সদ্য একটি যুদ্ধ করল এবং তারা সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যদি তারা তেল বিক্রি করতে চায়, তাহলে করবে। চীন চাইলে তাদের কাছ থেকে তেল কিনতেই পারে।’
ট্রাম্পের মতে, ইরানকে আবার নিজেদের গুছিয়ে নিতে অর্থের প্রয়োজন হবে।
ট্রাম্পকে আরও জিজ্ঞেস করা হয়, ইরানের সঙ্গে পরবর্তী ধাপ কী এবং যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আগে ইরান তাদের পারমাণবিক সামগ্রী সরিয়ে ফেলতে পেরেছে কি না।
এই প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প জানান, ঠিক উল্টোটা ঘটেছে। ইরান সেই সামগ্রী সরিয়ে নিতে পারেনি। কারণ, সেগুলো অনেক ভারী ও সরানো কঠিন। তিনি বিশ্বাস করেন, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা এখন নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে।

আগামী সপ্তাহেই ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ‘আমরা আগামী সপ্তাহে ইরানের সঙ্গে কথা বলব। হয়তো একটি চুক্তিও স্বাক্ষরিত হবে।’
আজ বুধবার নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি, এটা অতটা জরুরি নয়। তারা যুদ্ধ করেছে, লড়েছে, এখন নিজেদের জগতে ফিরে যাচ্ছে। চুক্তি হোক বা না হোক, আমি তেমন কিছু মনে করি না। আমরা তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করব।’
এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই বৈঠকের বিষয়ে জানিয়েছিলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের শান্তিকামীদের সঙ্গে কথা বলার সদিচ্ছা দেখিয়েছেন। তবে তিনি এটাও উল্লেখ করেছিলেন, এই আলোচনার অগ্রগতি নির্ভর করবে ইরানের আন্তরিকতার ওপর।
এদিকে ন্যাটো সম্মেলনে দেওয়া বিবৃতিতে যুদ্ধের মধ্যে ইরানের সাহসিকতা নিয়ে প্রশংসাও করেছেন ট্রাম্প। ইসরায়েলের সঙ্গে সদ্য শেষ হওয়া সংঘাতে ইরান বীরের মতো লড়াই করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে যাচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান তো সদ্য একটি যুদ্ধ করল এবং তারা সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যদি তারা তেল বিক্রি করতে চায়, তাহলে করবে। চীন চাইলে তাদের কাছ থেকে তেল কিনতেই পারে।’
ট্রাম্পের মতে, ইরানকে আবার নিজেদের গুছিয়ে নিতে অর্থের প্রয়োজন হবে।
ট্রাম্পকে আরও জিজ্ঞেস করা হয়, ইরানের সঙ্গে পরবর্তী ধাপ কী এবং যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আগে ইরান তাদের পারমাণবিক সামগ্রী সরিয়ে ফেলতে পেরেছে কি না।
এই প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প জানান, ঠিক উল্টোটা ঘটেছে। ইরান সেই সামগ্রী সরিয়ে নিতে পারেনি। কারণ, সেগুলো অনেক ভারী ও সরানো কঠিন। তিনি বিশ্বাস করেন, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা এখন নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৪ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৪ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৭ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৭ ঘণ্টা আগে