
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস গতকাল বৃহস্পতিবার গাজায় যুদ্ধ এবং সেখানকার মানুষের কষ্টের অবসান ঘটাতে না পারায় গভীর দুঃখ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন। সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আরব নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই হতাশা ব্যক্ত করেছেন।
আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, ‘আমার সবচেয়ে বড় হতাশা হলো—এত বড় পরিসরে দুর্ভোগ দেখেও এটিকে থামানোর ক্ষমতা আমার নেই। কিন্তু এটাই বাস্তবতা। এটি বন্ধ করার ক্ষমতা আমার নেই।’ এ সময় তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ‘অন্তত মানুষের জন্য আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইনকে সম্মান করার শর্ত তৈরি করতেও আমরা ব্যর্থ হয়েছি।’
জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, ‘আমি আমার আওয়াজ তুলতে পারি এবং আমি তা করিও। আমি মাঝে মাঝে ঐকমত্য তৈরির চেষ্টা করতে পারি, কিন্তু বাকি সবাইকেও তো ঐকমত্যে যোগ দিতে হবে। আমার সবচেয়ে বড় হতাশা হলো—এই সংঘাতের অবসান ঘটাতে বা অন্ততপক্ষে মানুষের জন্য আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইনকে সম্মান করার শর্ত তৈরি করার ক্ষমতা না থাকা।’
এর আগে, গত জানুয়ারি মাসের ২৩ তারিখে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তিতে ‘দ্বিরাষ্ট্র সমাধান’ ইসরায়েলের দিক থেকে প্রত্যাখ্যান করাকে অগ্রহণযোগ্য হিসেবে আখ্যা দেন জাতিসংঘ মহাসচিব। এর ফলে গাজায় সংঘাত দীর্ঘায়িত হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
গুতেরেস বলেন, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে অস্বীকার করা কেবল উগ্রপন্থীদের উৎসাহিত করবে এবং সংঘাতকে অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রসারিত করবে। তিনি বলেন, ‘ইসরায়েলি সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে গত সপ্তাহে দ্বিরাষ্ট্র সমাধান যেভাবে স্পষ্ট করে বারবার প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে, তা অগ্রহণযোগ্য।’
তিনি বলেন, ‘এই প্রত্যাখ্যান এবং ফিলিস্তিনি জনগণের রাষ্ট্রের অধিকার অস্বীকার করা অনির্দিষ্টকালের জন্য একটি সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করবে। এই সংঘাত বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তার জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ গুতেরেস আরও বলেন, ভয়, ঘৃণা ও সহিংসতার অন্তহীন চক্র থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র উপায় হচ্ছে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান। এটিকে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের বৈধ আকাঙ্ক্ষা পূরণের একমাত্র উপায় বলে উল্লেখ করেন তিনি।
গুতেরেসকে উদ্ধৃত করে দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘গাজার সমগ্র জনগোষ্ঠী এমনভাবে এবং গতিতে ধ্বংসের শিকার হচ্ছে, যা ইতিহাসে নজিরবিহীন। কোনো কিছুই গাজার জনগণের সম্মিলিত শাস্তিকে ন্যায্যতা দিতে পারে না।’

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের অস্থিরতার মধ্যেও রাশিয়া থেকে তেল আমদানি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ভারত। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত ছাড় বা ‘ওয়েভার’ থাকুক কিংবা না থাকুক, ভারত রুশ তেল কেনা চালিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন দেশটির পেট্রোলিয়াম
৩ মিনিট আগে
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আজ মঙ্গলবার বেইজিং সফরে যাচ্ছেন। সেখানে তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকে চীনে গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
তেহরান সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রকে সব ফ্রন্টে সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে লেবাননে সংঘাতের অবসান, ইরানের কাছাকাছি অঞ্চলগুলো থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে হওয়া ধ্বংসযজ্ঞের ক্ষতিপূরণ প্রদান।
৪ ঘণ্টা আগে
সাবেক অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের নেতৃত্বাধীন তামিলনাড়ু সরকার ‘যেকোনো সময় পড়ে যেতে পারে’ বলে মনে করেন বিরোধী দল দ্রাবিড়া মুনেত্রা কাজাগামের (ডিএমকে) প্রধান এম কে স্টালিন। তিনি দলের কর্মীদের আগাম নির্বাচনের জন্যও প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে