মুসলিমদের পবিত্র নগরী মদিনায় মহানবীর (সাঃ) রওজা শরিফ ভ্রমণে নতুন আচরণবিধি ঠিক করেছে সৌদি আরব। সেখানে কোন কোন কাজ করতে হবে এবং কোন কোন কাজ করা যাবে না তা জানিয়ে দিয়েছে দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়।
গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রওজা শরিফে পৌঁছানোর আগেই দর্শনার্থীদের আসন সংরক্ষণের জন্য আবেদন করতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে সেখানে উপস্থিত হতে হবে। সেখানে উচ্চ স্বরে কথা বলা যাবে না। সঙ্গে খাবার নিয়ে যাওয়া, ছবি তোলা, ভিডিও করা ও বাড়তি সময় অবস্থান করা নিষিদ্ধ।
সৌদি আরবে এখন ওমরাহ এবং অন্যান্য তীর্থযাত্রার মৌসুম চলছে। মক্কায় অবস্থিত ইসলামের পবিত্রতম স্থান গ্র্যান্ড মসজিদে ওমরাহ পালনের পরে অনেক মুসল্লিই মদিনা নগরীতে নবীর (সাঃ) মসজিদে ছুটে যান। এই মৌসুমে ওমরাহ বা অন্যান্য তীর্থযাত্রার জন্য বিদেশ থেকে প্রায় ১ কোটি মুসলমানের সমাগম হবে বলে প্রত্যাশা করছে সৌদি আরব।
দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুসারে, গত সপ্তাহে প্রায় ৫৫ লাখ মানুষ ইসলামের দ্বিতীয় পবিত্রতম স্থান নবীর (সাঃ) মসজিদের উদ্দেশে যাত্রা করেছে। সেই সপ্তাহে (সাঃ) এর রওজা শরিফ ভ্রমণে যান ১ লাখ ১৭ হাজার ৪৪৭ জন পুরুষ এবং ১ লাখ ১৯ হাজার ৫২৬ জন নারী।
দুই মাস আগে শুরু হয়েছে ওমরাহর মৌসুম। করোনা মহামারির বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার পর গত তিন বছরের মধ্যে এবারই প্রায় ১৮ লাখ মুসল্লি হজ পালন করেছেন।
গত এপ্রিলে সৌদি কর্তৃপক্ষ মসজিদে নববীর পবিত্র কক্ষের চারপাশে সোনালি পিতলের বেষ্টনী তৈরি উদ্বোধন করেছিল। কাঠের জায়গায় নতুন এই বেষ্টনী তৈরি হওয়ায় মসজিদের স্থাপত্য দেখতে পারবেন দর্শনার্থীরা।

ইরানে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের লক্ষ্য অর্জনে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলে বিশ্বের প্রধান ৮০টি থিংকট্যাংক বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’ গত এক মাসে প্রকাশিত এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ...
১ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি সচল করতে সামরিক অভিযানের বৈধতা চেয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছে আমিরাত। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনের জন্যও তারা লবিং করছে বলে জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে স্থল অভিযান চালালে মার্কিন সেনারা শুধু ছদ্মবেশী জঙ্গি বা লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসীদেরই মুখোমুখি হবে না; তাদের সামনে দাঁড়াবে একটি সুসংগঠিত ও বিপুলসংখ্যক যোদ্ধার বাহিনী, যারা মাতৃভূমি রক্ষাকে সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে দেখে। গত চার দশকে বিপুল অর্থ ব্যয় করে প্রতিরক্ষার এই কাঠামো গড়ে তুলেছে তেহরান।
২ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর প্রেক্ষাপটে ১৯৪৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ন্যাটো সামরিক জোট গঠিত হয়। এই জোটের উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব রক্ষা। স্নায়ুযুদ্ধের পুরোটা সময় ন্যাটো জোট কাজ করেছে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্প্রসারণবাদ ও প্রভাব মোকাবিলায়।
৩ ঘণ্টা আগে