
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা চলছেই। যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইসরায়েলের প্রতি যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার আহ্বান জানালেও তেল আবিব লেবাননে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে। এই হামলায় এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৭০০ ছাড়িয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে, লেবাননে সর্বশক্তি দিয়ে হামলা চালিয়ে যেতে সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। গত বুধবার রাতের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে তিনি রাজি হননি বলেও জানিয়েছে নেতানিয়াহুর দপ্তর।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত বন্ধে ২১ দিনের একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ দেশটির ১২টি পশ্চিমা ও আরব মিত্র রাষ্ট্র। এই প্রস্তাব সম্পর্কে নেতানিয়াহুর দপ্তর থেকে বলা হয়েছে, ‘যুদ্ধবিরতি নিয়ে খবরটি সত্য নয়। এটা আমেরিকা ও ফ্রান্সের একটি প্রস্তাব, যা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কোনো কথাই বলেননি।’
আরও বলা হয়, ‘প্রধানমন্ত্রী আইডিএফকে (ইসরায়েলের সেনাবাহিনী) পূর্ণ শক্তি নিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, যে পরিকল্পনা আগেই হয়েছে। এ ছাড়া যুদ্ধের সবটুকু লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত গাজায় যুদ্ধ চলবে।’
এদিকে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেছেন, ‘উত্তরে (লেবানন সীমান্ত) কোনো যুদ্ধবিরতি হবে না।’ এক্স মাধ্যমের ওই পোস্ট কাটজ আরও বলেছেন, ‘বিজয় এবং উত্তরের বাসিন্দাদের নিরাপদে তাদের বাড়িতে ফিরে না আসা পর্যন্ত সন্ত্রাসী সংগঠন হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে আমাদের সমস্ত শক্তি লড়াই চালিয়ে যাবে।’
গত সোমবার লেবাননে বড় ধরনের হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। এই হামলায় এখন পর্যন্ত ৬২০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। হামলা এখনো চলমান রয়েছে। ইসরায়েল দাবি করেছে, হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর অবস্থান লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হচ্ছে।
এর আগে, গত সপ্তাহেও দুই ধাপে লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহ সদস্যদের ব্যবহৃত অসংখ্য পেজার ও ওয়াকিটকি বিস্ফোরণ ঘটেছিল। এ ঘটনায় ইসরায়েলকে দায়ী করে আসছিল ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীটি।

লেবাননে ইসরায়েলি হামলা চলছেই। যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইসরায়েলের প্রতি যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার আহ্বান জানালেও তেল আবিব লেবাননে বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে। এই হামলায় এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৭০০ ছাড়িয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে, লেবাননে সর্বশক্তি দিয়ে হামলা চালিয়ে যেতে সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। গত বুধবার রাতের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে তিনি রাজি হননি বলেও জানিয়েছে নেতানিয়াহুর দপ্তর।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত বন্ধে ২১ দিনের একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ দেশটির ১২টি পশ্চিমা ও আরব মিত্র রাষ্ট্র। এই প্রস্তাব সম্পর্কে নেতানিয়াহুর দপ্তর থেকে বলা হয়েছে, ‘যুদ্ধবিরতি নিয়ে খবরটি সত্য নয়। এটা আমেরিকা ও ফ্রান্সের একটি প্রস্তাব, যা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কোনো কথাই বলেননি।’
আরও বলা হয়, ‘প্রধানমন্ত্রী আইডিএফকে (ইসরায়েলের সেনাবাহিনী) পূর্ণ শক্তি নিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, যে পরিকল্পনা আগেই হয়েছে। এ ছাড়া যুদ্ধের সবটুকু লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত গাজায় যুদ্ধ চলবে।’
এদিকে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেছেন, ‘উত্তরে (লেবানন সীমান্ত) কোনো যুদ্ধবিরতি হবে না।’ এক্স মাধ্যমের ওই পোস্ট কাটজ আরও বলেছেন, ‘বিজয় এবং উত্তরের বাসিন্দাদের নিরাপদে তাদের বাড়িতে ফিরে না আসা পর্যন্ত সন্ত্রাসী সংগঠন হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে আমাদের সমস্ত শক্তি লড়াই চালিয়ে যাবে।’
গত সোমবার লেবাননে বড় ধরনের হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। এই হামলায় এখন পর্যন্ত ৬২০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। হামলা এখনো চলমান রয়েছে। ইসরায়েল দাবি করেছে, হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর অবস্থান লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হচ্ছে।
এর আগে, গত সপ্তাহেও দুই ধাপে লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহ সদস্যদের ব্যবহৃত অসংখ্য পেজার ও ওয়াকিটকি বিস্ফোরণ ঘটেছিল। এ ঘটনায় ইসরায়েলকে দায়ী করে আসছিল ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীটি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ মার্কিন নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা আবারও জোর দিয়ে বলছেন। তবে তাঁর এমন ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইউরোপের কয়েক দেশের একটি সম্মিলিত বাহিনী দ্বীপটিতে পৌঁছেছে।
৪০ মিনিট আগে
ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বিরত রাখতে শেষ মুহূর্তে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়েছে সৌদি আরব, কাতার ও ওমান। এই তিন উপসাগরীয় দেশের যৌথ উদ্যোগেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ‘আরেকটি সুযোগ’ দিতে সম্মত হন বলে জানিয়েছেন সৌদি আরবের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
১ ঘণ্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাটলার র্যালিতে হওয়া হামলার ফুটেজ ও তাঁর রক্তাক্ত ছবি প্রচার করে এক ভয়াবহ হুমকি দিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম। সম্প্রচারের সময় স্ক্রিনে ভেসে ওঠে একটি বাক্য—এবার আর টার্গেট মিস হবে না (This time, the bullet won’t miss)।
১ ঘণ্টা আগে
মাদুরোকে আটকের পর আজ হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখোমুখি হচ্ছেন দেশটির প্রধান বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। তবে এই আলোচনার আবহের মধ্যেই ক্যারিবীয় সাগরে মার্কিন বাহিনী কর্তৃক ভেনেজুয়েলার তেল বহনকারী একটি জাহাজ জব্দের খবর পাওয়া গেছে।
২ ঘণ্টা আগে