
হামাস-ইসরায়েল সংঘাত ৭ অক্টোবর শুরুর পর আজ বুধবার প্রথমবারের মতো মিসরীয় সীমান্তের রাফাহ ক্রসিং দিয়ে গুরুতর অসুস্থ রোগী ও বিদেশি নাগরিকেরা গাজা ছাড়ার সুযোগ পেয়েছেন। গাজা থেকে মিসরে প্রবেশ করার পর রোগীদেরকে রাফাহ ক্রসিংয়ের কাছাকাছি একটি মিসরীয় ভ্রাম্যমাণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বুধবার রাফাহ ক্রসিং দিয়ে ৫০০ বিদেশি নাগরিককে মিসরে প্রবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়। তবে বিবিসির সংবাদদাতা জানিয়েছেন, প্রথম দিন ৮৮ জন বিদেশি পাসপোর্টধারী ফিলিস্তিনি গাজা ছেড়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। তবে মিসরীয় কর্তৃপক্ষ এই সংখ্যা ৮১ জন বলে উল্লেখ করেছে।
এদিকে সুযোগ এলেও গাজা না ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী বিজ্ঞানী মোহাম্মেদ ঘালায়িনি।
এ বিষয়ে এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, ৭ অক্টোবর সংঘাত শুরুর আগে থেকেই পরিবারের সঙ্গে গাজায় অবস্থান করছিলেন ঘালায়িনি। আজ বুধবার বিদেশি পাসপোর্টধারীরা যখন রাফাহ ক্রসিং পার হচ্ছিলেন, তখন সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন ঘালায়িনিও। তাঁর সঙ্গে ছিলেন পরিবারের কয়েক সদস্য; যারা জর্ডানের পাসপোর্টধারী। বিদেশি হিসেবে গাজা ছাড়ার সুযোগ পাওয়া ব্যক্তিদের তালিকায় তাঁদের নাম ছিল।
রাফাহ ক্রসিং থেকে বিবিসি নিউজআওয়ারকে ঘালায়িনি জানান, এখন পর্যন্ত গাজা ছাড়ার সুযোগ পাওয়া ব্যক্তিদের যে তালিকা হয়েছে, সেখানে কোনো ব্রিটিশ পাসপোর্টধারীর নাম দেখেননি তিনি। যদিও এই তালিকায় অস্ট্রিয়া, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের নাম দেখা গেছে।
ঘালায়িনি দাবি করেন, ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী হিসেবে সামনের দিনগুলোতে সুযোগ এলেও আপাতত গাজা ছেড়ে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই তাঁর। কারণ, গাজার ভেতরে কী হচ্ছে, তা বাকি পৃথিবীকে জানাতে চান তিনি।
ঘালায়িনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য এটি একটি অস্তিত্বের প্রশ্ন। যুক্তরাজ্যে আমার পরিচিত ও ভালোবাসার মানুষেরা আমাকে পাগল বলে গালি দেবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমাদের এই জীবন নিয়ে নিজের সিদ্ধান্ত নিজেকেই নিতে হবে।’

হামাস-ইসরায়েল সংঘাত ৭ অক্টোবর শুরুর পর আজ বুধবার প্রথমবারের মতো মিসরীয় সীমান্তের রাফাহ ক্রসিং দিয়ে গুরুতর অসুস্থ রোগী ও বিদেশি নাগরিকেরা গাজা ছাড়ার সুযোগ পেয়েছেন। গাজা থেকে মিসরে প্রবেশ করার পর রোগীদেরকে রাফাহ ক্রসিংয়ের কাছাকাছি একটি মিসরীয় ভ্রাম্যমাণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বুধবার রাফাহ ক্রসিং দিয়ে ৫০০ বিদেশি নাগরিককে মিসরে প্রবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়। তবে বিবিসির সংবাদদাতা জানিয়েছেন, প্রথম দিন ৮৮ জন বিদেশি পাসপোর্টধারী ফিলিস্তিনি গাজা ছেড়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। তবে মিসরীয় কর্তৃপক্ষ এই সংখ্যা ৮১ জন বলে উল্লেখ করেছে।
এদিকে সুযোগ এলেও গাজা না ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী বিজ্ঞানী মোহাম্মেদ ঘালায়িনি।
এ বিষয়ে এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, ৭ অক্টোবর সংঘাত শুরুর আগে থেকেই পরিবারের সঙ্গে গাজায় অবস্থান করছিলেন ঘালায়িনি। আজ বুধবার বিদেশি পাসপোর্টধারীরা যখন রাফাহ ক্রসিং পার হচ্ছিলেন, তখন সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন ঘালায়িনিও। তাঁর সঙ্গে ছিলেন পরিবারের কয়েক সদস্য; যারা জর্ডানের পাসপোর্টধারী। বিদেশি হিসেবে গাজা ছাড়ার সুযোগ পাওয়া ব্যক্তিদের তালিকায় তাঁদের নাম ছিল।
রাফাহ ক্রসিং থেকে বিবিসি নিউজআওয়ারকে ঘালায়িনি জানান, এখন পর্যন্ত গাজা ছাড়ার সুযোগ পাওয়া ব্যক্তিদের যে তালিকা হয়েছে, সেখানে কোনো ব্রিটিশ পাসপোর্টধারীর নাম দেখেননি তিনি। যদিও এই তালিকায় অস্ট্রিয়া, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের নাম দেখা গেছে।
ঘালায়িনি দাবি করেন, ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী হিসেবে সামনের দিনগুলোতে সুযোগ এলেও আপাতত গাজা ছেড়ে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই তাঁর। কারণ, গাজার ভেতরে কী হচ্ছে, তা বাকি পৃথিবীকে জানাতে চান তিনি।
ঘালায়িনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য এটি একটি অস্তিত্বের প্রশ্ন। যুক্তরাজ্যে আমার পরিচিত ও ভালোবাসার মানুষেরা আমাকে পাগল বলে গালি দেবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমাদের এই জীবন নিয়ে নিজের সিদ্ধান্ত নিজেকেই নিতে হবে।’

ভারতের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে সপ্তাহখানেক আগে এক নারী সফটওয়্যার প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় তাঁর ভাড়া বাসায়। উদ্ধারের এক সপ্তাহ পর তদন্তকারীরা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, যৌন হেনস্তার চেষ্টা প্রতিরোধ করায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ ওই নারীকে হত্যা করেছে।
২৩ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের জন্য নির্ধারিত হলুদ রেখা আরও গভীরে ঠেলে দিতে চায় ইসরায়েল। উদ্দেশ্য অবরুদ্ধ ছিটমহলটির আরও ভূখণ্ড নিজের কবজায় নেওয়া। এ লক্ষ্যে আগামী মার্চে দখলদার বাহিনী গাজায় ফের আগ্রাসন শুরু করতে চায়।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভকারীদের কথা ‘শুনতে প্রস্তুত।’ তবে একই সঙ্গে তিনি জনগণকে সতর্ক করে দিয়েছেন যেন ‘দাঙ্গাকারী’ এবং ‘সন্ত্রাসী উপাদানগুলো’ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। খবর আল–জাজিরার।
১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপসহ ‘কঠোর পদক্ষেপের’ কথা বিবেচনা করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে