
ইসরায়েলে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র বাহীনি হামাসের রকেট হামলার পর গাজায় পাল্টা বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে ৯ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
গাজায় অবস্থানরত এএফপির এক সাংবাদিক আল-শিফা হাসপাতালের মর্গে আটটি মরদেহ দেখেছেন। অন্য এক সাংবাদিক দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে নিহত নবম ব্যক্তির জানাজা করতে দেখেছেন।
এদিকে আজ শনিবার সকালে মাত্র ২০ মিনিটের ব্যবধানে ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থান ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে ৫ হাজার রকেট ছোড়ে তারা। এতে এ পর্যন্ত ২২ জন ইসরায়েলি নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে জীবিত অবস্থায় ইসরায়েলি সেনাদের জিম্মি করে গাজায় নেওয়ার ভিডিও প্রকাশ করেছে।
রকেট হামলার পর হামাসের যোদ্ধারা আকাশ, নৌ ও স্থলপথ দিয়ে ইসরায়েলের অবৈধ বসতিগুলোতে প্রবেশ করেন। ইসরায়েলে হামলার কারণ জানিয়ে হামাস বলেছে, ‘দখলদার ইসরায়েলিদের সকল অপরাধ অবসানের সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। কোনো বিচার ছাড়া তাদের তাণ্ডব চালানোর সময় শেষ।’
এক বিবৃতিতে হামলার দায় স্বীকার করে হামাসের সশস্ত্র শাখা আল-ক্বাসাম ব্রিগেডের নেতা মোহাম্মদ দায়েফ বলেছেন, ‘যথেষ্ট হয়েছে, আর নয়। আমরা ফিলিস্তিনিদের রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা এরই মধ্যে ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ৫ হাজার রকেট হামলা চালিয়েছি।’
দায়েফ আরও বলেন, শত্রুপক্ষকে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছে। দখলদারেরা এখানে শত শত বেসামরিক নাগরিককে গণহত্যা করেছে। তাদের হামলায় চলতি বছর শত শত মানুষ শহীদ হয়েছে, আহত হয়েছে।
বড় ধরনের এই রকেট হামলাকে ‘অপারেশন আল-আকসা স্টর্ম’ হিসেবে ঘোষণা করে আল-ক্বাসাম ব্রিগেডপ্রধান বলেন, ‘আমরাই আগে হামলা চালিয়েছি।’
হামাসের সামরিক শাখার এই শীর্ষ নেতা জানান, আল-ক্বাসাম ব্রিগেডের সদস্যরা ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর অবস্থান, বিমানবন্দর, বিভিন্ন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ব্যাপক রকেট হামলা চালিয়েছে। সব মিলিয়ে ইসরায়েলে হামলা চালানো রকেটের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।
হামাসের এই বিশাল অভিযান শুরুর পর ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু কঠিন প্রতিশোধ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। ইসরায়েলিদের উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘আমরা এখন যুদ্ধের মধ্যে আছি, কোনো অভিযান নয়, কোনো উস্কানি নয়, যুদ্ধ।

ইসরায়েলে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র বাহীনি হামাসের রকেট হামলার পর গাজায় পাল্টা বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে ৯ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
গাজায় অবস্থানরত এএফপির এক সাংবাদিক আল-শিফা হাসপাতালের মর্গে আটটি মরদেহ দেখেছেন। অন্য এক সাংবাদিক দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে নিহত নবম ব্যক্তির জানাজা করতে দেখেছেন।
এদিকে আজ শনিবার সকালে মাত্র ২০ মিনিটের ব্যবধানে ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থান ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে ৫ হাজার রকেট ছোড়ে তারা। এতে এ পর্যন্ত ২২ জন ইসরায়েলি নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে জীবিত অবস্থায় ইসরায়েলি সেনাদের জিম্মি করে গাজায় নেওয়ার ভিডিও প্রকাশ করেছে।
রকেট হামলার পর হামাসের যোদ্ধারা আকাশ, নৌ ও স্থলপথ দিয়ে ইসরায়েলের অবৈধ বসতিগুলোতে প্রবেশ করেন। ইসরায়েলে হামলার কারণ জানিয়ে হামাস বলেছে, ‘দখলদার ইসরায়েলিদের সকল অপরাধ অবসানের সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। কোনো বিচার ছাড়া তাদের তাণ্ডব চালানোর সময় শেষ।’
এক বিবৃতিতে হামলার দায় স্বীকার করে হামাসের সশস্ত্র শাখা আল-ক্বাসাম ব্রিগেডের নেতা মোহাম্মদ দায়েফ বলেছেন, ‘যথেষ্ট হয়েছে, আর নয়। আমরা ফিলিস্তিনিদের রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা এরই মধ্যে ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ৫ হাজার রকেট হামলা চালিয়েছি।’
দায়েফ আরও বলেন, শত্রুপক্ষকে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছে। দখলদারেরা এখানে শত শত বেসামরিক নাগরিককে গণহত্যা করেছে। তাদের হামলায় চলতি বছর শত শত মানুষ শহীদ হয়েছে, আহত হয়েছে।
বড় ধরনের এই রকেট হামলাকে ‘অপারেশন আল-আকসা স্টর্ম’ হিসেবে ঘোষণা করে আল-ক্বাসাম ব্রিগেডপ্রধান বলেন, ‘আমরাই আগে হামলা চালিয়েছি।’
হামাসের সামরিক শাখার এই শীর্ষ নেতা জানান, আল-ক্বাসাম ব্রিগেডের সদস্যরা ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর অবস্থান, বিমানবন্দর, বিভিন্ন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ব্যাপক রকেট হামলা চালিয়েছে। সব মিলিয়ে ইসরায়েলে হামলা চালানো রকেটের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।
হামাসের এই বিশাল অভিযান শুরুর পর ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু কঠিন প্রতিশোধ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। ইসরায়েলিদের উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘আমরা এখন যুদ্ধের মধ্যে আছি, কোনো অভিযান নয়, কোনো উস্কানি নয়, যুদ্ধ।

গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক যুদ্ধ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আজ সোমবার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে এনবিসি নিউজ যখন ট্রাম্পকে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, তিনি কি সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে গ্রিনল্যান্ড দখল করবেন?
৫ ঘণ্টা আগে
টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই তিন কারাগারে প্রায় ৯ হাজার দুর্ধর্ষ আইএস যোদ্ধা, শামীমা বেগমসহ প্রায় ৪০ হাজার নারী ও শিশু রয়েছে। কোনো কারণে এই তিন কারাগারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে গেলে এই আইএস যোদ্ধারা মুক্ত হয়ে যাবেন এবং বড় ধরনের ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে তাঁদের পুনরুত্থান ঘটাতে পারেন
৫ ঘণ্টা আগে
চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যেহেতু আপনার দেশ (নরওয়ে) আমাকে আটটির বেশি যুদ্ধ থামানোর পরও নোবেল দেয়নি, তাই আমি আর শান্তির তোয়াক্কা করি না। এখন আমি তা-ই করব, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভালো ও সঠিক।’
৮ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’
৯ ঘণ্টা আগে