আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু একে অপরের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। উভয় নেতাই এই অভিযানকে ঐতিহাসিক এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বর্ণনা করেছেন।
আজ রোববার ভোরে দেওয়া এক ভিডিও বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মার্কিন প্রেসিডেন্টকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘অভিনন্দন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, যুক্তরাষ্ট্রের মারাত্মক ও ন্যায়সংগত শক্তি দিয়ে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার আপনার সাহসী সিদ্ধান্ত ইতিহাস বদলে দেবে।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং আমি প্রায়শই বলি: শক্তির মাধ্যমে শান্তি। প্রথমে শক্তি অর্জন, এরপর শান্তি আসে। এবং আজ রাতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং যুক্তরাষ্ট্র অনেক শক্তি দিয়ে কাজ করেছে।’
অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ‘বিবি নেতানিয়াহুকে’ ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি টিম হিসেবে কাজ করেছি যা সম্ভবত এর আগে আর কোনো টিম এমনভাবে কাজ করেনি। আমরা ইসরায়েলের প্রতি এই ভয়ানক হুমকি দূর করতে অনেক দূর এগিয়েছি।’
ট্রাম্প ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর প্রশংসা করেন। সেই সঙ্গে শনিবার দিবাগত ‘রাতে ‘অসাধারণ মেশিনগুলো’ পরিচালনা করা ‘মহান আমেরিকান দেশপ্রেমিকদের এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমস্ত সামরিক বাহিনীকে’ এমন একটি অভিযানের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি এমন অভিযান বিশ্ব বহু দশকে দেখেনি।
এই পরস্পর অভিনন্দন বার্তা উভয় দেশের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত সামরিক অভিযানের ক্ষেত্রে গভীর সমন্বয় এবং ঐকমত্যের ইঙ্গিত দেয়। এই হামলার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কী পরিবর্তন আনবে, তা এখন দেখার বিষয়।

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু একে অপরের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। উভয় নেতাই এই অভিযানকে ঐতিহাসিক এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বর্ণনা করেছেন।
আজ রোববার ভোরে দেওয়া এক ভিডিও বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মার্কিন প্রেসিডেন্টকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘অভিনন্দন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, যুক্তরাষ্ট্রের মারাত্মক ও ন্যায়সংগত শক্তি দিয়ে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার আপনার সাহসী সিদ্ধান্ত ইতিহাস বদলে দেবে।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং আমি প্রায়শই বলি: শক্তির মাধ্যমে শান্তি। প্রথমে শক্তি অর্জন, এরপর শান্তি আসে। এবং আজ রাতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং যুক্তরাষ্ট্র অনেক শক্তি দিয়ে কাজ করেছে।’
অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ‘বিবি নেতানিয়াহুকে’ ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি টিম হিসেবে কাজ করেছি যা সম্ভবত এর আগে আর কোনো টিম এমনভাবে কাজ করেনি। আমরা ইসরায়েলের প্রতি এই ভয়ানক হুমকি দূর করতে অনেক দূর এগিয়েছি।’
ট্রাম্প ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর প্রশংসা করেন। সেই সঙ্গে শনিবার দিবাগত ‘রাতে ‘অসাধারণ মেশিনগুলো’ পরিচালনা করা ‘মহান আমেরিকান দেশপ্রেমিকদের এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমস্ত সামরিক বাহিনীকে’ এমন একটি অভিযানের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি এমন অভিযান বিশ্ব বহু দশকে দেখেনি।
এই পরস্পর অভিনন্দন বার্তা উভয় দেশের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত সামরিক অভিযানের ক্ষেত্রে গভীর সমন্বয় এবং ঐকমত্যের ইঙ্গিত দেয়। এই হামলার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কী পরিবর্তন আনবে, তা এখন দেখার বিষয়।

প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে চলা ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে কখনোই এক হতে পারেনি ইরানের বিভক্ত বিরোধী রাজনীতি। তবে এবার দেশটিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোর সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন সর্বশেষ শাহের ছেলে রেজা পাহলভি।
১ ঘণ্টা আগে
নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানিকে ‘নিজের চরকায় তেল দেওয়ার’ পরামর্শ দিয়ে কঠোর তিরস্কার করেছে ভারত। দিল্লিতে কারাবন্দী সাবেক ছাত্রনেতা উমর খালিদকে সংহতি জানিয়ে একটি ব্যক্তিগত চিরকুট পাঠানোয় মামদানির ওপর চটেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
২ ঘণ্টা আগে
সোমালিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহমেদ মোয়ালিম ফিকি অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করে বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চল সোমালিল্যান্ডে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। এই কথিত পরিকল্পনাকে তিনি আন্তর্জাতিক আইনের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
চার বছর ধরে চলা যুদ্ধ ইউক্রেনীয়দের জীবনের প্রায় সব সিদ্ধান্তই পাল্টে দিয়েছে। সম্পর্ক, বিয়ে কিংবা সন্তান নেওয়ার মতো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তও এখন যুদ্ধের বাস্তবতায় আটকে যাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে দেশের ভবিষ্যতের ওপর—ইউক্রেনে কমছে বিয়ে ও জন্মহার।
৩ ঘণ্টা আগে