
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছেন তাঁর ফ্রান্সপ্রবাসী বোন। সেই সঙ্গে সরকারে বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে যোগ দিতে তিনি দেশটির সশস্ত্রবাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বলে সৌদি সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়া জানিয়েছে।
আল-আরাবিয়ার প্রতিবেদন অনুসারে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির বোন বদ্রি হোসেইনি খামেনি স্থানীয় সময় আজ বুধবার ফ্রান্স থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে তাঁর ছেলে মাহমুদ মুরাদখানির অ্যাকাউন্ট থেকে শেয়ার করা এক চিঠিতে এই আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দেরি হয়ে যাওয়ার আগেই ইরানের সশস্ত্রবাহিনীর উচিত জনগণের সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দেওয়া।
টুইটারে শেয়ার করা ওই চিঠিতে বদ্রি হোসেইনি খামেনি বলেছেন, ‘আমি মনে করি যে, এখনই এটি ঘোষণা করা উপযুক্ত যে—আমি আমার ভাইয়ের কর্মের বিরোধিতা করি এবং আমি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের শাসনের কারণে শোকার্ত সকল মায়ের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করছি।’ ওই পোস্টে বদ্রি হোসেইনি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) প্রতি তাদের অস্ত্র সংবরণ করে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
চিঠিতে বদ্রি হোসেইনি আরও বলেন, ‘আলী খামেনির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী এবং তাঁর ভাড়াটেদের উচিত যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের অস্ত্র ত্যাগ করে দেরি হওয়ার আগেই জনগণের সঙ্গে যোগ দেওয়া।’
আলী খামেনির বোন আরও বলেন, ‘আমার মানবিক কর্তব্য হিসেবে আমি কয়েক দশক আগে আমার ভাই আলী খামেনির কানে মানুষের কণ্ঠস্বর পৌঁছে দিয়েছি। যা হোক, আমি যখন দেখলাম—তিনি শোনেননি এবং নিরপরাধ লোকদের দমন ও হত্যা করার ক্ষেত্রে খোমেনির (প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা রুহুল্লাহ) পথ অনুসরণ অব্যাহত রেখেছেন তখন থেকেই আমি তাঁর সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিন্ন করে দিয়েছি।’
এর আগে, গত ১৬ সেপ্টেম্বর ইরানের আলোচিত নৈতিকতা পুলিশের হেফাজতে ২২ বছরের কুর্দি তরুণী মাশা আমিনির মৃত্যুর পর থেকেই দেশটিতে বিক্ষোভ-আন্দোলন এবং জ্বালাও-পোড়াও শুরু হয়। সরকারও বেশ শক্ত হাতে বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছেন তাঁর ফ্রান্সপ্রবাসী বোন। সেই সঙ্গে সরকারে বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে যোগ দিতে তিনি দেশটির সশস্ত্রবাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বলে সৌদি সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়া জানিয়েছে।
আল-আরাবিয়ার প্রতিবেদন অনুসারে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির বোন বদ্রি হোসেইনি খামেনি স্থানীয় সময় আজ বুধবার ফ্রান্স থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে তাঁর ছেলে মাহমুদ মুরাদখানির অ্যাকাউন্ট থেকে শেয়ার করা এক চিঠিতে এই আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দেরি হয়ে যাওয়ার আগেই ইরানের সশস্ত্রবাহিনীর উচিত জনগণের সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দেওয়া।
টুইটারে শেয়ার করা ওই চিঠিতে বদ্রি হোসেইনি খামেনি বলেছেন, ‘আমি মনে করি যে, এখনই এটি ঘোষণা করা উপযুক্ত যে—আমি আমার ভাইয়ের কর্মের বিরোধিতা করি এবং আমি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের শাসনের কারণে শোকার্ত সকল মায়ের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করছি।’ ওই পোস্টে বদ্রি হোসেইনি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) প্রতি তাদের অস্ত্র সংবরণ করে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
চিঠিতে বদ্রি হোসেইনি আরও বলেন, ‘আলী খামেনির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী এবং তাঁর ভাড়াটেদের উচিত যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের অস্ত্র ত্যাগ করে দেরি হওয়ার আগেই জনগণের সঙ্গে যোগ দেওয়া।’
আলী খামেনির বোন আরও বলেন, ‘আমার মানবিক কর্তব্য হিসেবে আমি কয়েক দশক আগে আমার ভাই আলী খামেনির কানে মানুষের কণ্ঠস্বর পৌঁছে দিয়েছি। যা হোক, আমি যখন দেখলাম—তিনি শোনেননি এবং নিরপরাধ লোকদের দমন ও হত্যা করার ক্ষেত্রে খোমেনির (প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা রুহুল্লাহ) পথ অনুসরণ অব্যাহত রেখেছেন তখন থেকেই আমি তাঁর সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিন্ন করে দিয়েছি।’
এর আগে, গত ১৬ সেপ্টেম্বর ইরানের আলোচিত নৈতিকতা পুলিশের হেফাজতে ২২ বছরের কুর্দি তরুণী মাশা আমিনির মৃত্যুর পর থেকেই দেশটিতে বিক্ষোভ-আন্দোলন এবং জ্বালাও-পোড়াও শুরু হয়। সরকারও বেশ শক্ত হাতে বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৪ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৭ ঘণ্টা আগে